হাটের খবরমুকসুদপুর গোপালগঞ্জ হাটে ক্রেতার চেয়ে বিক্রেতার সংখ্যাই বেশি
?️ বিশেষ প্রতিনিধি:মো: ছিরু মিয়া
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার গরুর হাটে কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বেচাকেনা শুরু হলেও এখনও পর্যন্ত বিক্রয়ের গতি আশানুরূপ নয়। হাটে ক্রেতার চেয়ে বিক্রেতার সংখ্যাই বেশি দেখা যাচ্ছে, ফলে হাট জমজমাট থাকলেও বাণিজ্যিক দিক থেকে চাহিদা অনুযায়ী বেচাকেনা হচ্ছে না। বিক্রেতারা বিভিন্ন এলাকা থেকে বড় ও মাঝারি ধরনের গরু এনে হাটে তুললেও ক্রেতাদের মধ্যে এক ধরনের নিরবচেতনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
হাটে ঘুরে দেখা গেছে, অনেক গরু নিয়ে বিক্রেতারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন কিন্তু কাঙ্ক্ষিত মূল্যে বিক্রি করতে পারছেন না। ক্রেতারা গরুর দাম বেশি বলে অভিযোগ করছেন, অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, গবাদিপশু পালনে খাদ্য, চিকিৎসা ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় তারা কম দামে গরু ছাড়তে পারছেন না। এতে করে হাটে এক ধরনের অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
বেশ কিছু বিক্রেতা জানান, তারা আশায় ছিলেন ঈদের আগেই ভালো দামে গরু বিক্রি করতে পারবেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত সাড়া না পাওয়ায় হতাশ। অনেকে আবার বলছেন, শেষ মুহূর্তে হয়তো চাহিদা বাড়বে এবং তখন গরু বিক্রির গতি বাড়তে পারে।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসন ও হাট কমিটির পক্ষ থেকে হাটের সার্বিক নিরাপত্তা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে বিক্রয় স্থবিরতার কারণে অনেক খামারি ও ছোট ব্যবসায়ী উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। পরিস্থিতির উন্নয়নে কোরবানির আগের কয়েকদিনকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
হাটের খবরমুকসুদপুর গোপালগঞ্জ হাটে ক্রেতার চেয়ে বিক্রেতার সংখ্যাই বেশি
?️ বিশেষ প্রতিনিধি:মো: ছিরু মিয়া
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার গরুর হাটে কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বেচাকেনা শুরু হলেও এখনও পর্যন্ত বিক্রয়ের গতি আশানুরূপ নয়। হাটে ক্রেতার চেয়ে বিক্রেতার সংখ্যাই বেশি দেখা যাচ্ছে, ফলে হাট জমজমাট থাকলেও বাণিজ্যিক দিক থেকে চাহিদা অনুযায়ী বেচাকেনা হচ্ছে না। বিক্রেতারা বিভিন্ন এলাকা থেকে বড় ও মাঝারি ধরনের গরু এনে হাটে তুললেও ক্রেতাদের মধ্যে এক ধরনের নিরবচেতনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
হাটে ঘুরে দেখা গেছে, অনেক গরু নিয়ে বিক্রেতারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন কিন্তু কাঙ্ক্ষিত মূল্যে বিক্রি করতে পারছেন না। ক্রেতারা গরুর দাম বেশি বলে অভিযোগ করছেন, অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, গবাদিপশু পালনে খাদ্য, চিকিৎসা ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় তারা কম দামে গরু ছাড়তে পারছেন না। এতে করে হাটে এক ধরনের অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
বেশ কিছু বিক্রেতা জানান, তারা আশায় ছিলেন ঈদের আগেই ভালো দামে গরু বিক্রি করতে পারবেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত সাড়া না পাওয়ায় হতাশ। অনেকে আবার বলছেন, শেষ মুহূর্তে হয়তো চাহিদা বাড়বে এবং তখন গরু বিক্রির গতি বাড়তে পারে।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসন ও হাট কমিটির পক্ষ থেকে হাটের সার্বিক নিরাপত্তা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে বিক্রয় স্থবিরতার কারণে অনেক খামারি ও ছোট ব্যবসায়ী উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। পরিস্থিতির উন্নয়নে কোরবানির আগের কয়েকদিনকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন