কলাতলী হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খানের তথ্য অনুযায়ী, ছুটি শুরুর আগে হোটেলগুলোতে পর্যটকের সংখ্যা কম থাকলেও ঈদের পরপরই ভিড় বাড়বে। ৯ থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৭৭ শতাংশ হোটেল কক্ষ আগেই বুক হয়ে গেছে। বিশেষ করে তারকা হোটেলগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশ কক্ষ ইতোমধ্যেই বুকড, আর সাধারণ মানের হোটেলগুলোতেও ৪০ শতাংশ কক্ষ বুক হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ৯ জুন এক দিনে ১ লাখ, ১০ ও ১১ জুন দিনে দেড় লাখ করে, এবং ১২ থেকে ১৯ জুন প্রতিদিন গড়ে ৬০ হাজার পর্যটক কক্সবাজারে আসবেন।
এবারের ঈদের ছুটিতে হোটেলভাড়ায় খুব একটা ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। শুধুমাত্র কিছু হোটেল-রিসোর্ট ও কটেজে ১০–২০ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট দেওয়া হচ্ছে, যেখানে অফসিজনে এই ছাড় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত হয়। কক্সবাজারে মোট পাঁচ শতাধিক হোটেল, গেস্টহাউস, রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে, যেগুলোর সম্মিলিত দৈনিক ধারণক্ষমতা প্রায় ১ লাখ ৮৭ হাজার।
বৃষ্টিপাত ও উত্তাল সমুদ্রের কারণে জুনের শুরুতে সৈকতে গোসলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এখন তা তুলে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সৈকতে কিছু পর্যটকের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে এবং নিরাপত্তার জন্য বেসরকারি লাইফগার্ড সংস্থা ‘সি-সেফ’, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের বিচকর্মীরা সক্রিয় রয়েছে।
ঈদের ছুটির সময় পর্যটকদের আরও আকৃষ্ট করে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়ক, যেখান থেকে দেখা যায় হিমছড়ি, ইনানী, পাটোয়ারটেক, এবং শেষ প্রান্তে টেকনাফ সৈকত। টেকনাফের প্রধান আকর্ষণ পাঁচ শতাধিক রঙিন নৌকা, যেখানে দাঁড়িয়ে বা উঠে পর্যটকেরা ছবি তোলেন। সেখান থেকে অনেকে যান নেটং পাহাড়ে, যেখান থেকে দেখা যায় নাফ নদী এবং মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের দৃশ্য।
তবে পর্যটকদের জন্য সতর্কতাও রয়েছে। টেকনাফ থানার ওসি গিয়াস উদ্দিন জানিয়েছেন, মেরিন ড্রাইভের কিছু জায়গা, বিশেষ করে সন্ধ্যার পর ঝাউবাগান ও বাহারছড়ার জঙ্গল এলাকায় যেতে নিষেধ করা হয়েছে, কারণ এসব এলাকায় অপহরণচক্র সক্রিয়। তাছাড়া টেকনাফে পর্যাপ্ত ডুবুরি বা লাইফগার্ড না থাকায় জরুরি উদ্ধার তৎপরতা চালানোও কঠিন।
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। পর্যটকদের তথ্য সহায়তার জন্য চালু করা হয়েছে ‘ভ্রমণিকা’ নামক একটি অ্যাপ, যার মাধ্যমে হোটেল বুকিং, যানবাহন, এবং অন্যান্য তথ্য জানা যাবে। ঈদের ছুটিকে ঘিরে এই ব্যাপক প্রস্তুতি কক্সবাজারে পর্যটন খাতের ওপর যে কতটা নির্ভরশীল, তারই প্রমাণ। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৫
কলাতলী হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খানের তথ্য অনুযায়ী, ছুটি শুরুর আগে হোটেলগুলোতে পর্যটকের সংখ্যা কম থাকলেও ঈদের পরপরই ভিড় বাড়বে। ৯ থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৭৭ শতাংশ হোটেল কক্ষ আগেই বুক হয়ে গেছে। বিশেষ করে তারকা হোটেলগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশ কক্ষ ইতোমধ্যেই বুকড, আর সাধারণ মানের হোটেলগুলোতেও ৪০ শতাংশ কক্ষ বুক হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ৯ জুন এক দিনে ১ লাখ, ১০ ও ১১ জুন দিনে দেড় লাখ করে, এবং ১২ থেকে ১৯ জুন প্রতিদিন গড়ে ৬০ হাজার পর্যটক কক্সবাজারে আসবেন।
এবারের ঈদের ছুটিতে হোটেলভাড়ায় খুব একটা ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। শুধুমাত্র কিছু হোটেল-রিসোর্ট ও কটেজে ১০–২০ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট দেওয়া হচ্ছে, যেখানে অফসিজনে এই ছাড় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত হয়। কক্সবাজারে মোট পাঁচ শতাধিক হোটেল, গেস্টহাউস, রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে, যেগুলোর সম্মিলিত দৈনিক ধারণক্ষমতা প্রায় ১ লাখ ৮৭ হাজার।
বৃষ্টিপাত ও উত্তাল সমুদ্রের কারণে জুনের শুরুতে সৈকতে গোসলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এখন তা তুলে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সৈকতে কিছু পর্যটকের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে এবং নিরাপত্তার জন্য বেসরকারি লাইফগার্ড সংস্থা ‘সি-সেফ’, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের বিচকর্মীরা সক্রিয় রয়েছে।
ঈদের ছুটির সময় পর্যটকদের আরও আকৃষ্ট করে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়ক, যেখান থেকে দেখা যায় হিমছড়ি, ইনানী, পাটোয়ারটেক, এবং শেষ প্রান্তে টেকনাফ সৈকত। টেকনাফের প্রধান আকর্ষণ পাঁচ শতাধিক রঙিন নৌকা, যেখানে দাঁড়িয়ে বা উঠে পর্যটকেরা ছবি তোলেন। সেখান থেকে অনেকে যান নেটং পাহাড়ে, যেখান থেকে দেখা যায় নাফ নদী এবং মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের দৃশ্য।
তবে পর্যটকদের জন্য সতর্কতাও রয়েছে। টেকনাফ থানার ওসি গিয়াস উদ্দিন জানিয়েছেন, মেরিন ড্রাইভের কিছু জায়গা, বিশেষ করে সন্ধ্যার পর ঝাউবাগান ও বাহারছড়ার জঙ্গল এলাকায় যেতে নিষেধ করা হয়েছে, কারণ এসব এলাকায় অপহরণচক্র সক্রিয়। তাছাড়া টেকনাফে পর্যাপ্ত ডুবুরি বা লাইফগার্ড না থাকায় জরুরি উদ্ধার তৎপরতা চালানোও কঠিন।
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। পর্যটকদের তথ্য সহায়তার জন্য চালু করা হয়েছে ‘ভ্রমণিকা’ নামক একটি অ্যাপ, যার মাধ্যমে হোটেল বুকিং, যানবাহন, এবং অন্যান্য তথ্য জানা যাবে। ঈদের ছুটিকে ঘিরে এই ব্যাপক প্রস্তুতি কক্সবাজারে পর্যটন খাতের ওপর যে কতটা নির্ভরশীল, তারই প্রমাণ। 
আপনার মতামত লিখুন