ঘটনাটি ঘটে ২০২৫ সালের কোরবানি ঈদ উপলক্ষে। ষাঁড়টি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছানোর আগেই সোহাগ গণমাধ্যমে জানিয়েছিলেন, তার এই প্রচেষ্টা ‘ভাইরাল হওয়ার জন্য নয়’, বরং প্রিয় নেত্রীর প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা থেকেই উৎসারিত। সোহাগ বলেন, “আমি সত্যিই চাই, নেত্রীর কুরবানির জন্য যাক আমার কালো মানিক।” ষাঁড়টি ছিল তার ছয় বছরের লালন-পালনের ফল। ২০১৮ সালে মাত্র ১.৩৭ লাখ টাকায় একটি গাভি কেনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় তার এই যাত্রা। সেই গাভির বাছুর থেকেই গড়ে ওঠে ৩৫ মণ ওজনের কালো মানিক, যার বাজারমূল্য ১০ লাখ টাকারও বেশি উঠেছিল। তবে সোহাগ কোনো অর্থমূল্য নয়, বরং নেত্রীর হাতে উৎসর্গ করতেই এই ষাঁড় তুলে দিতে চেয়েছিলেন।
৫ জুন, বৃহস্পতিবার, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. জাহিদ হোসেন জানান, বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সোহাগ মৃধার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং তাকে নিজ এলাকায় ঈদে কুরবানি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। নেত্রী ষাঁড়টি গ্রহণ না করলেও তার আন্তরিক মনোভাব ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন, যা সোহাগের মতো একজন সাধারণ কৃষকের জন্য অত্যন্ত গর্বের ও আবেগঘন মুহূর্ত হয়ে উঠেছে।
এই ঘটনাটি রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে যেমন মানবিক দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে, তেমনি একজন সাধারণ মানুষের প্রিয় নেত্রীর প্রতি অসীম শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও ত্যাগের এক অনন্য নজির হয়ে উঠেছে। ষাঁড়টি গ্রহণ না করলেও, নেত্রীর কাছ থেকে পাওয়া স্বীকৃতি ও ভালোবাসা সোহাগের কাছে কালো মানিকের চেয়েও বড় কিছু হয়ে উঠেছে। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৫
ঘটনাটি ঘটে ২০২৫ সালের কোরবানি ঈদ উপলক্ষে। ষাঁড়টি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছানোর আগেই সোহাগ গণমাধ্যমে জানিয়েছিলেন, তার এই প্রচেষ্টা ‘ভাইরাল হওয়ার জন্য নয়’, বরং প্রিয় নেত্রীর প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা থেকেই উৎসারিত। সোহাগ বলেন, “আমি সত্যিই চাই, নেত্রীর কুরবানির জন্য যাক আমার কালো মানিক।” ষাঁড়টি ছিল তার ছয় বছরের লালন-পালনের ফল। ২০১৮ সালে মাত্র ১.৩৭ লাখ টাকায় একটি গাভি কেনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় তার এই যাত্রা। সেই গাভির বাছুর থেকেই গড়ে ওঠে ৩৫ মণ ওজনের কালো মানিক, যার বাজারমূল্য ১০ লাখ টাকারও বেশি উঠেছিল। তবে সোহাগ কোনো অর্থমূল্য নয়, বরং নেত্রীর হাতে উৎসর্গ করতেই এই ষাঁড় তুলে দিতে চেয়েছিলেন।
৫ জুন, বৃহস্পতিবার, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. জাহিদ হোসেন জানান, বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সোহাগ মৃধার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং তাকে নিজ এলাকায় ঈদে কুরবানি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। নেত্রী ষাঁড়টি গ্রহণ না করলেও তার আন্তরিক মনোভাব ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন, যা সোহাগের মতো একজন সাধারণ কৃষকের জন্য অত্যন্ত গর্বের ও আবেগঘন মুহূর্ত হয়ে উঠেছে।
এই ঘটনাটি রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে যেমন মানবিক দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে, তেমনি একজন সাধারণ মানুষের প্রিয় নেত্রীর প্রতি অসীম শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও ত্যাগের এক অনন্য নজির হয়ে উঠেছে। ষাঁড়টি গ্রহণ না করলেও, নেত্রীর কাছ থেকে পাওয়া স্বীকৃতি ও ভালোবাসা সোহাগের কাছে কালো মানিকের চেয়েও বড় কিছু হয়ে উঠেছে। 
আপনার মতামত লিখুন