প্রচেষ্টা পরিবহনের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে
বাংলাদেশ
মুকসুদপুর গোপালগঞ্জ গোপালগঞ্জ থেকে মুকসুদপুর হয়ে ঢাকাগামী প্রচেষ্টা পরিবহনের একটি বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।বিশেষ প্রতিনিধিমো: ছিরু মিয়া
আপডেট: ১৪ ই জুন ২০২৫; ১১:৪১ পিএম
বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী সাধারণ যাত্রীরা।
গতকাল শুক্রবার (১৩ জুন) দুপুরে ঘটেছে এই অনিয়মের ঘটনা। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করেছে বাসটির কন্টাক্টর। মুকসুদপুর থেকে ঢাকাগামী এই বাসে উঠা একাধিক যাত্রী জানান, তারা নিয়মিত যাতায়াত করে থাকলেও এবারের ভাড়া ছিল অস্বাভাবিক।
সজীব নামে এক যাত্রী জানান, “আমি মুকসুদপুর থেকে টিকিট সংগ্রহ করি। সাধারণত এই রুটে তিনশ টাকা ভাড়া লাগে। কিন্তু ঈদের পর কর্মস্থলে ফেরার সময় আমার কাছ থেকে ৬০০ টাকা ভাড়া নেয়া হয়েছে।” তিনি এ ঘটনাকে চরম ভাড়াবৃদ্ধি এবং সাধারণ যাত্রীদের সাথে প্রতারণা হিসেবে উল্লেখ করেন।
অপর এক যাত্রী বলেন, “আমার কাছ থেকেও ডাবল ভাড়া নিয়েছে। আমি মাঝে মাঝে যাতায়াত করি। কিন্তু এখন তো পুরো ডাকাতি করছে তারা।” তিনি আরও বলেন, “গাড়িটি সিটিং সার্ভিস বলেও চালু করা হয়েছে, অথচ নির্ধারিত সিটের অতিরিক্ত যাত্রী তোলা হয়েছে। এতে বাসের ভেতরে ভীড় ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।”
অতিরিক্ত ভাড়া ও অযৌক্তিক যাত্রী পরিবহনের কারণে বাসের ভেতরে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। সাধারণ যাত্রীরা এই অনিয়ম মেনে নিতে পারেননি। কেউ কেউ প্রতিবাদ জানালে বাসের স্টাফদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডাও হয়।
সরকারিভাবে ঈদের সময় অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু তারপরও কিছু অসাধু পরিবহন কর্মচারী যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে।
যাত্রীরা দাবি করেন, এই ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যেন এসব অসাধু পরিবহন পরিচালকদের বিরুদ্ধে জরিমানা ও লাইসেন্স বাতিলসহ দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
এই ঘটনাটি পরিবহন খাতের বিশৃঙ্খলা ও তদারকির অভাবকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, যা জনস্বার্থে দ্রুত সমাধান প্রয়োজন।
প্রচেষ্টা পরিবহনের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৫
বাংলাদেশ
মুকসুদপুর গোপালগঞ্জ গোপালগঞ্জ থেকে মুকসুদপুর হয়ে ঢাকাগামী প্রচেষ্টা পরিবহনের একটি বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।বিশেষ প্রতিনিধিমো: ছিরু মিয়া
আপডেট: ১৪ ই জুন ২০২৫; ১১:৪১ পিএম
বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী সাধারণ যাত্রীরা।
গতকাল শুক্রবার (১৩ জুন) দুপুরে ঘটেছে এই অনিয়মের ঘটনা। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করেছে বাসটির কন্টাক্টর। মুকসুদপুর থেকে ঢাকাগামী এই বাসে উঠা একাধিক যাত্রী জানান, তারা নিয়মিত যাতায়াত করে থাকলেও এবারের ভাড়া ছিল অস্বাভাবিক।
সজীব নামে এক যাত্রী জানান, “আমি মুকসুদপুর থেকে টিকিট সংগ্রহ করি। সাধারণত এই রুটে তিনশ টাকা ভাড়া লাগে। কিন্তু ঈদের পর কর্মস্থলে ফেরার সময় আমার কাছ থেকে ৬০০ টাকা ভাড়া নেয়া হয়েছে।” তিনি এ ঘটনাকে চরম ভাড়াবৃদ্ধি এবং সাধারণ যাত্রীদের সাথে প্রতারণা হিসেবে উল্লেখ করেন।
অপর এক যাত্রী বলেন, “আমার কাছ থেকেও ডাবল ভাড়া নিয়েছে। আমি মাঝে মাঝে যাতায়াত করি। কিন্তু এখন তো পুরো ডাকাতি করছে তারা।” তিনি আরও বলেন, “গাড়িটি সিটিং সার্ভিস বলেও চালু করা হয়েছে, অথচ নির্ধারিত সিটের অতিরিক্ত যাত্রী তোলা হয়েছে। এতে বাসের ভেতরে ভীড় ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।”
অতিরিক্ত ভাড়া ও অযৌক্তিক যাত্রী পরিবহনের কারণে বাসের ভেতরে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। সাধারণ যাত্রীরা এই অনিয়ম মেনে নিতে পারেননি। কেউ কেউ প্রতিবাদ জানালে বাসের স্টাফদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডাও হয়।
সরকারিভাবে ঈদের সময় অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু তারপরও কিছু অসাধু পরিবহন কর্মচারী যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে।
যাত্রীরা দাবি করেন, এই ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যেন এসব অসাধু পরিবহন পরিচালকদের বিরুদ্ধে জরিমানা ও লাইসেন্স বাতিলসহ দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
এই ঘটনাটি পরিবহন খাতের বিশৃঙ্খলা ও তদারকির অভাবকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, যা জনস্বার্থে দ্রুত সমাধান প্রয়োজন।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন