উপজেলা আওয়ামীলীগের পদ থেকে অব্যহতি নিলেন কামরুজ্জামান কামাল
বাংলাদেশ
মুকসুদপুর গোপালগঞ্জ
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান কামাল শারীরিক অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন।
বিশেষ প্রতিনিধিমো: ছিরু মিয়া
তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ায় সংগঠনের দায়িত্ব পালন সম্ভব না হওয়ায় গত ১৪ জুন ২০২৫ তারিখে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বরাবর লিখিত পদত্যাগপত্র জমা দেন।
পদত্যাগপত্রে কামরুজ্জামান কামাল উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘদিন ধরে মুকসুদপুর উপজেলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হিসেবে তিনি যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
বর্তমানে শারীরিক নানা জটিলতায় আক্রান্ত, বিশেষ করে ক্যান্সারজনিত কারণে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি আরও লেখেন, “শারীরিক অক্ষমতা নিয়ে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় থাকা আমার পক্ষে আর সম্ভব নয়।
আমি দলে পদধারী রাজনীতি থেকে সম্পূর্ণ অবসর নিচ্ছি এবং সংগঠনের সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রার্থনা করছি।”
পদত্যাগপত্রে তিনি আওয়ামী লীগের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও দলের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য শুভ কামনা জানান।
মো. কামরুজ্জামান কামাল একজন পরিচিত রাজনৈতিক নেতা হিসেবে উপজেলা পর্যায়ে দীর্ঘদিন কাজ করে আসছিলেন। তার এই সিদ্ধান্তে সহকর্মী ও নেতাকর্মীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
উপজেলা আওয়ামীলীগের পদ থেকে অব্যহতি নিলেন কামরুজ্জামান কামাল
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৫
বাংলাদেশ
মুকসুদপুর গোপালগঞ্জ
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান কামাল শারীরিক অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন।
বিশেষ প্রতিনিধিমো: ছিরু মিয়া
তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ায় সংগঠনের দায়িত্ব পালন সম্ভব না হওয়ায় গত ১৪ জুন ২০২৫ তারিখে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বরাবর লিখিত পদত্যাগপত্র জমা দেন।
পদত্যাগপত্রে কামরুজ্জামান কামাল উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘদিন ধরে মুকসুদপুর উপজেলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হিসেবে তিনি যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
বর্তমানে শারীরিক নানা জটিলতায় আক্রান্ত, বিশেষ করে ক্যান্সারজনিত কারণে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি আরও লেখেন, “শারীরিক অক্ষমতা নিয়ে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় থাকা আমার পক্ষে আর সম্ভব নয়।
আমি দলে পদধারী রাজনীতি থেকে সম্পূর্ণ অবসর নিচ্ছি এবং সংগঠনের সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রার্থনা করছি।”
পদত্যাগপত্রে তিনি আওয়ামী লীগের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও দলের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য শুভ কামনা জানান।
মো. কামরুজ্জামান কামাল একজন পরিচিত রাজনৈতিক নেতা হিসেবে উপজেলা পর্যায়ে দীর্ঘদিন কাজ করে আসছিলেন। তার এই সিদ্ধান্তে সহকর্মী ও নেতাকর্মীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন