প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গভীর রাতে চট্টগ্রাম থেকে খুলনাগামী আরমান পরিবহনের একটি বাস গোপীনাথপুর এলাকায় পৌঁছালে সেটি পেছন থেকে একটি ট্রাককে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষের পর বাসটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ঘটনাস্থলে যাত্রীদের উদ্ধার তৎপরতা চলছিল। এ সময় দ্রুতগতিতে আসা আরও তিনটি যাত্রীবাহী বাস—এসপি গ্রীন লাইন, নিউ বলেশ্বর পরিবহনসহ—এবং একটি প্রাইভেটকার সেখানে এসে একে একে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ, সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। দুর্ঘটনায় আহত অন্তত ২৫ জনকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. উত্তম রায় জানান, ‘ভোর থেকেই একের পর এক আহত রোগী হাসপাতালে আসতে শুরু করেন। এর মধ্যে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ১৫ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহতদের মধ্যে বলেশ্বর পরিবহনের চালক ইব্রাহিম ও তার সহকারী রোহানের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’
দুর্ঘটনার ফলে মহাসড়কে অন্তত দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও গাড়িগুলো সরিয়ে নেওয়ার পর যান চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মো. সাজেদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এই সড়ক দুর্ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।’
এই দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত গতি, ওভারটেকের চেষ্টা এবং গভীর রাতে চালকদের মনোযোগহীনতাকে দায়ী করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আরো বিস্তারিত জানা যাবে। যদি আপনি চান, নিহতদের সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য বা ছবি, উদ্ধার কার্যক্রমের অগ্রগতি বা দায়ী পরিবহন সংস্থার তথ্য খুঁজে দিতে পারি। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৫
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গভীর রাতে চট্টগ্রাম থেকে খুলনাগামী আরমান পরিবহনের একটি বাস গোপীনাথপুর এলাকায় পৌঁছালে সেটি পেছন থেকে একটি ট্রাককে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষের পর বাসটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ঘটনাস্থলে যাত্রীদের উদ্ধার তৎপরতা চলছিল। এ সময় দ্রুতগতিতে আসা আরও তিনটি যাত্রীবাহী বাস—এসপি গ্রীন লাইন, নিউ বলেশ্বর পরিবহনসহ—এবং একটি প্রাইভেটকার সেখানে এসে একে একে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ, সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। দুর্ঘটনায় আহত অন্তত ২৫ জনকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. উত্তম রায় জানান, ‘ভোর থেকেই একের পর এক আহত রোগী হাসপাতালে আসতে শুরু করেন। এর মধ্যে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ১৫ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহতদের মধ্যে বলেশ্বর পরিবহনের চালক ইব্রাহিম ও তার সহকারী রোহানের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’
দুর্ঘটনার ফলে মহাসড়কে অন্তত দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও গাড়িগুলো সরিয়ে নেওয়ার পর যান চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মো. সাজেদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এই সড়ক দুর্ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।’
এই দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত গতি, ওভারটেকের চেষ্টা এবং গভীর রাতে চালকদের মনোযোগহীনতাকে দায়ী করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আরো বিস্তারিত জানা যাবে। যদি আপনি চান, নিহতদের সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য বা ছবি, উদ্ধার কার্যক্রমের অগ্রগতি বা দায়ী পরিবহন সংস্থার তথ্য খুঁজে দিতে পারি। 
আপনার মতামত লিখুন