কয়েক সপ্তাহ ধরেই এই দাবিতে তাঁরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন।
পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ সকালে আন্দোলনকারী কর্মচারীরা সচিবালয়ের বাদামতলায় মিছিল করে জমায়েত হন। সেখানে তাঁরা অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন। বিশেষ করে ‘অবৈধ কালো আইন মানি না’—এমন স্লোগান তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।স্লোগান শেষে আন্দোলনকারীরা সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নতুন ভবনের নিচে জড়ো হন। সেখানে তাঁরা জোরালোভাবে অধ্যাদেশটি বাতিলের দাবি জানান। কর্মচারীরা মনে করছেন, সংশোধিত এই অধ্যাদেশ তাঁদের চাকরির নিরাপত্তা ও অধিকার খর্ব করছে।
গত কিছুদিন ধরেই সচিবালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারীরা এই অধ্যাদেশের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছেন। আন্দোলনের মাঝেই সরকার ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করে, যা আন্দোলনকারীদের ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে দেয়। এরপর থেকে তাঁরা নিয়মিতভাবে বিক্ষোভ, কর্মবিরতি এবং উপদেষ্টাদের কাছে স্মারকলিপি প্রদানসহ নানা কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছেন।ঈদের ছুটি শুরুর আগে আন্দোলনকারী কর্মচারীরা অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। এদের মধ্যে ছিলেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, খাদ্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ খাতের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, পরিবেশ ও জলবায়ু উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, স্থানীয় সরকার ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।
আজ আন্দোলনের অংশ হিসেবে আরও তিনজন উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁরা হলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, গৃহায়ন ও শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, এবং সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। এই স্মারকলিপির মাধ্যমে আন্দোলনকারীরা অধ্যাদেশ বাতিলের জন্য সরকারের প্রতি চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৫
কয়েক সপ্তাহ ধরেই এই দাবিতে তাঁরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন।
পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ সকালে আন্দোলনকারী কর্মচারীরা সচিবালয়ের বাদামতলায় মিছিল করে জমায়েত হন। সেখানে তাঁরা অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন। বিশেষ করে ‘অবৈধ কালো আইন মানি না’—এমন স্লোগান তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।স্লোগান শেষে আন্দোলনকারীরা সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নতুন ভবনের নিচে জড়ো হন। সেখানে তাঁরা জোরালোভাবে অধ্যাদেশটি বাতিলের দাবি জানান। কর্মচারীরা মনে করছেন, সংশোধিত এই অধ্যাদেশ তাঁদের চাকরির নিরাপত্তা ও অধিকার খর্ব করছে।
গত কিছুদিন ধরেই সচিবালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারীরা এই অধ্যাদেশের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছেন। আন্দোলনের মাঝেই সরকার ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করে, যা আন্দোলনকারীদের ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে দেয়। এরপর থেকে তাঁরা নিয়মিতভাবে বিক্ষোভ, কর্মবিরতি এবং উপদেষ্টাদের কাছে স্মারকলিপি প্রদানসহ নানা কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছেন।ঈদের ছুটি শুরুর আগে আন্দোলনকারী কর্মচারীরা অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। এদের মধ্যে ছিলেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, খাদ্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ খাতের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, পরিবেশ ও জলবায়ু উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, স্থানীয় সরকার ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।
আজ আন্দোলনের অংশ হিসেবে আরও তিনজন উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁরা হলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, গৃহায়ন ও শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, এবং সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। এই স্মারকলিপির মাধ্যমে আন্দোলনকারীরা অধ্যাদেশ বাতিলের জন্য সরকারের প্রতি চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন