ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
এছাড়াও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা লায়লা রহমান, উপজেলা নির্বাচন অফিসার জুয়েল আহেম্মদ, উপজেলা বিএডিসি কর্মকর্তা মেহেদী হুসাইন, গোপালগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মুকসুদপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. তুষার আহম্মেদ, উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি অফিসার মুনমুন সাহা, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আয়েশা সিদ্দিকা, সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এবং উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস আহমেদসহ আরও অনেকে।
[caption id="attachment_12331" align="aligncenter" width="300"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
মেলায় স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত দেশীয় বিভিন্ন জাতের ফলের প্রদর্শনী ছিল উল্লেখযোগ্য। কয়েকটি স্টলের মাধ্যমে আম, লিচু, কাঁঠাল, পেয়ারা, ডালিম, বেল, জাম, নারিকেলসহ নানা ধরনের মৌসুমি ও দুর্লভ ফল প্রদর্শিত হয়।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, স্থানীয় জনগণের মাঝে ফল চাষে আগ্রহ তৈরি এবং নিরাপদ ফলভোগে উৎসাহ প্রদানই ছিল এই মেলার মূল লক্ষ্য। মেলাটি কৃষি, পুষ্টি ও পরিবেশগত দিক থেকে সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে উপস্থিত অতিথিরা মন্তব্য করেন।
২৫ জুন মেলার আনুষ্ঠানিক সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকরা ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৫
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
এছাড়াও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা লায়লা রহমান, উপজেলা নির্বাচন অফিসার জুয়েল আহেম্মদ, উপজেলা বিএডিসি কর্মকর্তা মেহেদী হুসাইন, গোপালগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মুকসুদপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. তুষার আহম্মেদ, উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি অফিসার মুনমুন সাহা, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আয়েশা সিদ্দিকা, সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এবং উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস আহমেদসহ আরও অনেকে।
[caption id="attachment_12331" align="aligncenter" width="300"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
মেলায় স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত দেশীয় বিভিন্ন জাতের ফলের প্রদর্শনী ছিল উল্লেখযোগ্য। কয়েকটি স্টলের মাধ্যমে আম, লিচু, কাঁঠাল, পেয়ারা, ডালিম, বেল, জাম, নারিকেলসহ নানা ধরনের মৌসুমি ও দুর্লভ ফল প্রদর্শিত হয়।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, স্থানীয় জনগণের মাঝে ফল চাষে আগ্রহ তৈরি এবং নিরাপদ ফলভোগে উৎসাহ প্রদানই ছিল এই মেলার মূল লক্ষ্য। মেলাটি কৃষি, পুষ্টি ও পরিবেশগত দিক থেকে সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে উপস্থিত অতিথিরা মন্তব্য করেন।
২৫ জুন মেলার আনুষ্ঠানিক সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকরা ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। 
আপনার মতামত লিখুন