ছবি: নজরবিডি[/caption]
প্রচারণার শুরুতে তিনি বাজার এলাকায় পথসভা ও লিফলেট বিতরণ করেন। এরপর তিনি জলিরপাড় ইউনিয়নের ক্যাথলিক চার্চে গিয়ে ফাদার ডেভিড ঘরামীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ধর্মীয় সহাবস্থান ও সম্প্রীতির বিষয়ে তাঁরা আলোচনা করেন বলে জানা গেছে। এসময় তিনি ব্রোঞ্জ মার্কেটে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে গণসংযোগ করেন এবং ভোট প্রার্থনা করেন।
পরে মাওলানা হামীদ গোহালা ইউনিয়নের দক্ষিণ গঙ্গারামপুর এলাকায় যান। তিনি জুলাই মাসের অভ্যুত্থানকালে নিহত বাবু মোল্লার পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেন। নিহত পরিবারের সদস্যদের হাতে মৌসুমি ফল তুলে দেন তিনি।
[caption id="attachment_12660" align="aligncenter" width="300"]
ছবি সংগ্রহে: নজরবিডি.কম[/caption]
এরপর তিনি বৈদ্যবাড়ি মোড়ে একটি পথসভায় বক্তব্য রাখেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামী জলিরপাড় ইউনিয়ন শাখার সভাপতি ফকির মিরাজ আলী শেখ। উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামী গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সেক্রেটারি মোহাম্মাদ আল-মাসুদ খান, মুকসুদপুর পৌরসভার আমীর কবির হোসেন, ননীক্ষীর ইউনিয়নের সভাপতি জাহিদুর রহমান, গোাহালা ইউনিয়নের সভাপতি ইসমাইল হোসেন সিরাজি, কাশালীয়া ইউনিয়নের সেক্রেটারি মাহামুদ হাসান, মাওলানা আবু নোমান, আবুল বাসার মল্লিকসহ স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীরা।
পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মাওলানা আবদুল হামীদ বলেন, “আমি যদি জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হই, তাহলে সংসদে গিয়ে আপনাদের পক্ষে ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য কথা বলব। জামায়াতে ইসলামী একটি স্বচ্ছ ও সৎ দল, এ দলে চাঁদাবাজি বা সন্ত্রাসের কোনো স্থান নেই। আমরা দুঃখী মানুষের পাশে থাকি। সংখ্যালঘু বলে কাউকে পৃথক ভাবার কোনো সুযোগ আমরা রাখি না। নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের পাশে জামায়াত ছিল, আছে এবং থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, “আপনারা জানেন, বিএনপি সরকারের সময়ে অনেক নেতা দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন। অথচ জামায়াতের তৎকালীন দু’জন মন্ত্রী—আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও শিল্পমন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী—কারও বিরুদ্ধেই কোনো দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। জামায়াত অতীতেও দুর্নীতি করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না। বর্তমানে হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের মাঝে জামায়াতের প্রতি একটি আস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তাই এই নির্বাচনে আমাদের ভোট দিন, আমাদের সংসদে পাঠান—আমরা আপনাদের কণ্ঠস্বর হব।”
তিনি সকলের প্রতি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে তার পাশে থাকার আহ্বান জানান। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৫
ছবি: নজরবিডি[/caption]
প্রচারণার শুরুতে তিনি বাজার এলাকায় পথসভা ও লিফলেট বিতরণ করেন। এরপর তিনি জলিরপাড় ইউনিয়নের ক্যাথলিক চার্চে গিয়ে ফাদার ডেভিড ঘরামীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ধর্মীয় সহাবস্থান ও সম্প্রীতির বিষয়ে তাঁরা আলোচনা করেন বলে জানা গেছে। এসময় তিনি ব্রোঞ্জ মার্কেটে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে গণসংযোগ করেন এবং ভোট প্রার্থনা করেন।
পরে মাওলানা হামীদ গোহালা ইউনিয়নের দক্ষিণ গঙ্গারামপুর এলাকায় যান। তিনি জুলাই মাসের অভ্যুত্থানকালে নিহত বাবু মোল্লার পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেন। নিহত পরিবারের সদস্যদের হাতে মৌসুমি ফল তুলে দেন তিনি।
[caption id="attachment_12660" align="aligncenter" width="300"]
ছবি সংগ্রহে: নজরবিডি.কম[/caption]
এরপর তিনি বৈদ্যবাড়ি মোড়ে একটি পথসভায় বক্তব্য রাখেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামী জলিরপাড় ইউনিয়ন শাখার সভাপতি ফকির মিরাজ আলী শেখ। উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামী গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সেক্রেটারি মোহাম্মাদ আল-মাসুদ খান, মুকসুদপুর পৌরসভার আমীর কবির হোসেন, ননীক্ষীর ইউনিয়নের সভাপতি জাহিদুর রহমান, গোাহালা ইউনিয়নের সভাপতি ইসমাইল হোসেন সিরাজি, কাশালীয়া ইউনিয়নের সেক্রেটারি মাহামুদ হাসান, মাওলানা আবু নোমান, আবুল বাসার মল্লিকসহ স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীরা।
পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মাওলানা আবদুল হামীদ বলেন, “আমি যদি জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হই, তাহলে সংসদে গিয়ে আপনাদের পক্ষে ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য কথা বলব। জামায়াতে ইসলামী একটি স্বচ্ছ ও সৎ দল, এ দলে চাঁদাবাজি বা সন্ত্রাসের কোনো স্থান নেই। আমরা দুঃখী মানুষের পাশে থাকি। সংখ্যালঘু বলে কাউকে পৃথক ভাবার কোনো সুযোগ আমরা রাখি না। নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের পাশে জামায়াত ছিল, আছে এবং থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, “আপনারা জানেন, বিএনপি সরকারের সময়ে অনেক নেতা দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন। অথচ জামায়াতের তৎকালীন দু’জন মন্ত্রী—আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও শিল্পমন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী—কারও বিরুদ্ধেই কোনো দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। জামায়াত অতীতেও দুর্নীতি করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না। বর্তমানে হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের মাঝে জামায়াতের প্রতি একটি আস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তাই এই নির্বাচনে আমাদের ভোট দিন, আমাদের সংসদে পাঠান—আমরা আপনাদের কণ্ঠস্বর হব।”
তিনি সকলের প্রতি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে তার পাশে থাকার আহ্বান জানান। 
আপনার মতামত লিখুন