ছবি সংগ্রহে: নজরবিডি.কম[/caption]
অনুষ্ঠানে গোপালগঞ্জ জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ২০ জন ছাত্রীকে একটি করে বাইসাইকেল দেওয়া হয়। পাশাপাশি, ১ম শ্রেণি থেকে ১২শ্রেণি পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ের মোট ৫৫ জন শিক্ষার্থীকে এককালীন ২ লাখ ৬০ হাজার টাকার উপবৃত্তি প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাসনিম আক্তার। সঞ্চালনায় ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সায়াদ উদ্দিন আহম্মেদ।
[caption id="attachment_12757" align="aligncenter" width="300"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মুকসুদপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. বাহাউদ্দিন শেখ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান এবং মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. ছিরু মিয়া প্রমুখ।
জানা গেছে, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় হতে অর্থায়নে এই শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়। এতে প্রাথমিক পর্যায়ের (১ম-৫ম শ্রেণি) ৩০ জন শিক্ষার্থী প্রত্যেকে ২,৫০০ টাকা করে, মাধ্যমিক পর্যায়ের (৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণি) ১৫ জন শিক্ষার্থী প্রত্যেকে ৬,০০০ টাকা করে এবং উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের (১১-১২ শ্রেণি) ১০ জন শিক্ষার্থী প্রত্যেকে ৯,৫০০ টাকা করে এককালীন উপবৃত্তি পেয়েছে।
এই উদ্যোগ সম্পর্কে জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, “প্রান্তিক ও নৃগোষ্ঠীভুক্ত শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় আগ্রহী করতে ও ঝরে পড়া রোধে সরকার নানাবিধ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এ ধরনের সহায়তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
উপস্থিত অতিথিরা বলেন, সরকারের এ ধরনের পদক্ষেপ শিক্ষাক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে এবং শিক্ষা-সুবিধা থেকে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকেও মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে সহায়ক হবে। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৫
ছবি সংগ্রহে: নজরবিডি.কম[/caption]
অনুষ্ঠানে গোপালগঞ্জ জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ২০ জন ছাত্রীকে একটি করে বাইসাইকেল দেওয়া হয়। পাশাপাশি, ১ম শ্রেণি থেকে ১২শ্রেণি পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ের মোট ৫৫ জন শিক্ষার্থীকে এককালীন ২ লাখ ৬০ হাজার টাকার উপবৃত্তি প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাসনিম আক্তার। সঞ্চালনায় ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সায়াদ উদ্দিন আহম্মেদ।
[caption id="attachment_12757" align="aligncenter" width="300"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মুকসুদপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. বাহাউদ্দিন শেখ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান এবং মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. ছিরু মিয়া প্রমুখ।
জানা গেছে, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় হতে অর্থায়নে এই শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়। এতে প্রাথমিক পর্যায়ের (১ম-৫ম শ্রেণি) ৩০ জন শিক্ষার্থী প্রত্যেকে ২,৫০০ টাকা করে, মাধ্যমিক পর্যায়ের (৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণি) ১৫ জন শিক্ষার্থী প্রত্যেকে ৬,০০০ টাকা করে এবং উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের (১১-১২ শ্রেণি) ১০ জন শিক্ষার্থী প্রত্যেকে ৯,৫০০ টাকা করে এককালীন উপবৃত্তি পেয়েছে।
এই উদ্যোগ সম্পর্কে জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, “প্রান্তিক ও নৃগোষ্ঠীভুক্ত শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় আগ্রহী করতে ও ঝরে পড়া রোধে সরকার নানাবিধ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এ ধরনের সহায়তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
উপস্থিত অতিথিরা বলেন, সরকারের এ ধরনের পদক্ষেপ শিক্ষাক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে এবং শিক্ষা-সুবিধা থেকে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকেও মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে সহায়ক হবে। 
আপনার মতামত লিখুন