ধুন্দল চাষ গ্রামবাসীর আত্মকর্মসংস্থানসহ অনেকের বাড়তি আয়ের উপায় হয়ে উঠেছে। এক সময় ঝোপঝাড়ে প্রাকৃতিকভাবে ধুন্দল গাছ গজিয়ে উঠত। আর বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে ধুন্দলের চাষ হচ্ছে। এতে ডুমুরিয়ার কৃষক পরিবার আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে। এলাকায় কমেছে বেকারত্ব। খুলনা কৃষি বিভাগ ও চাষিদের সূত্রে জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন গ্রামে বহু বছর ধরেই ধুন্দল চাষ হচ্ছে। আগে কম চাষ হতো। প্রথম বছর ধরে বাণিজ্যিকভাবে ধুন্দল চাষ শুরু করেন এলাকার সবজি চাষিরা। এবারও ধুন্দল চাষ হয়েছে। কম খরচে স্বল্প সময়ে ফলন অধিক হওয়ায় এখন এখানকার প্রায় অধিকাংশ পরিবার ধুন্দল চাষ করছে। সরেজমিন দেখা গেছে, কৃষকরা মাঠের পরিচর্যা করছেন। বিক্রয়ের জন্য ধুন্দল কাটছেন অনেকে। কেউ আগাছা পরিষ্কার করছেন। কেউবা আবার পোকামাকড় দমনের জন্য কীটনাশক দিচ্ছেন। এক মুহূর্ত যেন দম ফেলার সময় নেই চাষিদের। কৃষকরা জানান, বীজ রোপণের ৫০ থেকে ৫৫ দিন পর শুরু হয় ফসল তোলা। প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন মাস ফসল উৎপাদন করা যায়।আগাম তোলা ফসল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে। এখন ২৫ থেকে ৩০টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিন চাষিরা ধুন্দল নিয়ে হাট-বাজারে যান। সেখানে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাইকারদের কাছে ধুন্দল বিক্রি করেন। কোনো কোনো পাইকার ক্ষেত থেকেও ফসল নিয়ে যান। এক বিঘা ক্ষেতে প্রায় ৫০ মণ ধুন্দল ফলে। প্রতি বিঘা জমিতে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচ এবং ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা আয় হয়। অন্যান্য ফসলের তুলনায় ধুন্দলে রোগবালাইয়ের আক্রমণ কম এবং চাষ লাভজনক হওয়ায় ধুন্দল চাষে কৃষকদের আগ্রহ বেশি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৫
ধুন্দল চাষ গ্রামবাসীর আত্মকর্মসংস্থানসহ অনেকের বাড়তি আয়ের উপায় হয়ে উঠেছে। এক সময় ঝোপঝাড়ে প্রাকৃতিকভাবে ধুন্দল গাছ গজিয়ে উঠত। আর বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে ধুন্দলের চাষ হচ্ছে। এতে ডুমুরিয়ার কৃষক পরিবার আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে। এলাকায় কমেছে বেকারত্ব। খুলনা কৃষি বিভাগ ও চাষিদের সূত্রে জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন গ্রামে বহু বছর ধরেই ধুন্দল চাষ হচ্ছে। আগে কম চাষ হতো। প্রথম বছর ধরে বাণিজ্যিকভাবে ধুন্দল চাষ শুরু করেন এলাকার সবজি চাষিরা। এবারও ধুন্দল চাষ হয়েছে। কম খরচে স্বল্প সময়ে ফলন অধিক হওয়ায় এখন এখানকার প্রায় অধিকাংশ পরিবার ধুন্দল চাষ করছে। সরেজমিন দেখা গেছে, কৃষকরা মাঠের পরিচর্যা করছেন। বিক্রয়ের জন্য ধুন্দল কাটছেন অনেকে। কেউ আগাছা পরিষ্কার করছেন। কেউবা আবার পোকামাকড় দমনের জন্য কীটনাশক দিচ্ছেন। এক মুহূর্ত যেন দম ফেলার সময় নেই চাষিদের। কৃষকরা জানান, বীজ রোপণের ৫০ থেকে ৫৫ দিন পর শুরু হয় ফসল তোলা। প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন মাস ফসল উৎপাদন করা যায়।আগাম তোলা ফসল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে। এখন ২৫ থেকে ৩০টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিন চাষিরা ধুন্দল নিয়ে হাট-বাজারে যান। সেখানে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাইকারদের কাছে ধুন্দল বিক্রি করেন। কোনো কোনো পাইকার ক্ষেত থেকেও ফসল নিয়ে যান। এক বিঘা ক্ষেতে প্রায় ৫০ মণ ধুন্দল ফলে। প্রতি বিঘা জমিতে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচ এবং ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা আয় হয়। অন্যান্য ফসলের তুলনায় ধুন্দলে রোগবালাইয়ের আক্রমণ কম এবং চাষ লাভজনক হওয়ায় ধুন্দল চাষে কৃষকদের আগ্রহ বেশি।

আপনার মতামত লিখুন