“এই কৃতিত্ব শুধু একটি পরিবারের নয়, এটি গোটা মুকসুদপুরের সম্মান। আমাদের নতুন প্রজন্মের মাঝে আশরাত জাহান একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে।”তারা আরও বলেন, প্রেসক্লাব সবসময়ই মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তাদের সাফল্য উদযাপন করবে। জিপিএ-৫ পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে এশরাত বলেন, “আল্লাহর অশেষ রহমত ও পরিবার-শিক্ষকদের সহযোগিতায় এই সাফল্য পেয়েছি। আমি ভবিষ্যতে একটি ভালো মানুষ হয়ে দেশ ও জাতির জন্য কাজ করতে চাই।” সে জানান, তার স্বপ্ন উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে এমন একটি পেশায় যুক্ত হওয়া, যেখানে সে সমাজের জন্য অবদান রাখতে পারবে। তার মতে, শিক্ষা শুধু সনদ অর্জনের মাধ্যম নয়, বরং এটা মানুষ হওয়ার পথ। কন্যার এই ফলাফলে রাজু মিয়া বলেন, “আমার মেয়ে আমাদের মুখ উজ্জ্বল করেছে। আমরা তাকে সবসময় নৈতিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে সাপোর্ট দিয়েছি। ভবিষ্যতেও তার যেকোনো স্বপ্ন বাস্তবায়নে পাশে থাকবো।” তার মা বলেন, “আমার মেয়ের পরিশ্রম সফল হয়েছে। আমরা কৃতজ্ঞ আল্লাহর কাছে এবং কৃতজ্ঞ তার শিক্ষক ও দোয়া করা সবার প্রতি।” স্থানীয় শিক্ষানুরাগী, শিক্ষক এবং সাংবাদিক মহল মনে করছেন, আশরাত জাহান প্রতিভার এ ধরনের অর্জন নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, প্রতিভা ভবিষ্যতেও তার মেধা ও শ্রমের মাধ্যমে আরও বড় অর্জন এনে মুকসুদপুর তথা গোপালগঞ্জের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৫
“এই কৃতিত্ব শুধু একটি পরিবারের নয়, এটি গোটা মুকসুদপুরের সম্মান। আমাদের নতুন প্রজন্মের মাঝে আশরাত জাহান একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে।”তারা আরও বলেন, প্রেসক্লাব সবসময়ই মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তাদের সাফল্য উদযাপন করবে। জিপিএ-৫ পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে এশরাত বলেন, “আল্লাহর অশেষ রহমত ও পরিবার-শিক্ষকদের সহযোগিতায় এই সাফল্য পেয়েছি। আমি ভবিষ্যতে একটি ভালো মানুষ হয়ে দেশ ও জাতির জন্য কাজ করতে চাই।” সে জানান, তার স্বপ্ন উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে এমন একটি পেশায় যুক্ত হওয়া, যেখানে সে সমাজের জন্য অবদান রাখতে পারবে। তার মতে, শিক্ষা শুধু সনদ অর্জনের মাধ্যম নয়, বরং এটা মানুষ হওয়ার পথ। কন্যার এই ফলাফলে রাজু মিয়া বলেন, “আমার মেয়ে আমাদের মুখ উজ্জ্বল করেছে। আমরা তাকে সবসময় নৈতিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে সাপোর্ট দিয়েছি। ভবিষ্যতেও তার যেকোনো স্বপ্ন বাস্তবায়নে পাশে থাকবো।” তার মা বলেন, “আমার মেয়ের পরিশ্রম সফল হয়েছে। আমরা কৃতজ্ঞ আল্লাহর কাছে এবং কৃতজ্ঞ তার শিক্ষক ও দোয়া করা সবার প্রতি।” স্থানীয় শিক্ষানুরাগী, শিক্ষক এবং সাংবাদিক মহল মনে করছেন, আশরাত জাহান প্রতিভার এ ধরনের অর্জন নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, প্রতিভা ভবিষ্যতেও তার মেধা ও শ্রমের মাধ্যমে আরও বড় অর্জন এনে মুকসুদপুর তথা গোপালগঞ্জের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।

আপনার মতামত লিখুন