খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার নদ-নদীতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টিকারী অবৈধ নেট-পাটা ও নিষিদ্ধ জাল অপসারণে বুধবার (১৬ জুলাই) এক বিশেষ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই অভিযানে ধরা পড়েছে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাছ ধরার সরঞ্জাম।
ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মো. জিল্লুর রহমান রিগানের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সহায়তা করেন আটলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দীন, বয়শিং ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং ডুমুরিয়া থানা পুলিশের একটি টিম।

ঘ্যাংরাইল নদীতে অভিযান, ধ্বংস জাল-নেট
অভিযানে ঘ্যাংরাইল নদীর বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে স্থাপিত ৩০টি নেট-পাটা উচ্ছেদ করা হয়। জব্দ করা হয় ২৫টি চায়না দুয়ারী জাল, ২ হাজার মিটার কারেন্ট জাল, ১০টি দুহোড় এবং একটি বেহুন্দি জাল। জব্দকৃত এসব জাল ও সরঞ্জাম পরে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ লক্ষ টাকা।
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য দপ্তরের টেকনিক্যাল অফিসার প্রণব কুমার দাস, আশিকুর রহমান ও ক্ষেত্র সহকারী কে এম মহসিন আলম।
“জলাবদ্ধতা নিরসনে নেট-পাটা অপসারণ অপরিহার্য”
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মো. জিল্লুর রহমান রিগান বলেন,
“জলাবদ্ধতা নিরসন ও জলজ পরিবেশ রক্ষায় এই অবৈধ জাল ও নেট-পাটা সরানো অত্যন্ত জরুরি। এগুলো শুধু পানি চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে না, বরং মাছের প্রজনন ব্যাহত করে এবং পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।”
তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং যেসব ব্যক্তি অবৈধভাবে মৎস্য আহরণ বা পানির স্বাভাবিক প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা প্রশাসনের আহ্বান
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে নদী-খাল অবমুক্ত রাখা অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন ও সহযোগিতাশীল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জনস্বার্থে এমন অভিযান নিয়মিত চলবে বলে জানায় প্রশাসন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৫
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার নদ-নদীতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টিকারী অবৈধ নেট-পাটা ও নিষিদ্ধ জাল অপসারণে বুধবার (১৬ জুলাই) এক বিশেষ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই অভিযানে ধরা পড়েছে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাছ ধরার সরঞ্জাম।
ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মো. জিল্লুর রহমান রিগানের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সহায়তা করেন আটলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দীন, বয়শিং ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং ডুমুরিয়া থানা পুলিশের একটি টিম।

ঘ্যাংরাইল নদীতে অভিযান, ধ্বংস জাল-নেট
অভিযানে ঘ্যাংরাইল নদীর বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে স্থাপিত ৩০টি নেট-পাটা উচ্ছেদ করা হয়। জব্দ করা হয় ২৫টি চায়না দুয়ারী জাল, ২ হাজার মিটার কারেন্ট জাল, ১০টি দুহোড় এবং একটি বেহুন্দি জাল। জব্দকৃত এসব জাল ও সরঞ্জাম পরে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ লক্ষ টাকা।
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য দপ্তরের টেকনিক্যাল অফিসার প্রণব কুমার দাস, আশিকুর রহমান ও ক্ষেত্র সহকারী কে এম মহসিন আলম।
“জলাবদ্ধতা নিরসনে নেট-পাটা অপসারণ অপরিহার্য”
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মো. জিল্লুর রহমান রিগান বলেন,
“জলাবদ্ধতা নিরসন ও জলজ পরিবেশ রক্ষায় এই অবৈধ জাল ও নেট-পাটা সরানো অত্যন্ত জরুরি। এগুলো শুধু পানি চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে না, বরং মাছের প্রজনন ব্যাহত করে এবং পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।”
তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং যেসব ব্যক্তি অবৈধভাবে মৎস্য আহরণ বা পানির স্বাভাবিক প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা প্রশাসনের আহ্বান
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে নদী-খাল অবমুক্ত রাখা অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন ও সহযোগিতাশীল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জনস্বার্থে এমন অভিযান নিয়মিত চলবে বলে জানায় প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন