স্থানীয়দের অভিযোগ, খালের কচুরিপানা অপসারণে একাধিকবার ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানদের কাছে আবেদন করা হলেও কেউ কোনো ব্যবস্থা নেননি।
পানি নেই, দুর্ভোগ চরমে
ডোমরার খাল ঘেঁষে অন্তত ৯টি গ্রামের মানুষ বসবাস করেন। এক সময় এই খালের পানি কৃষি, গৃহস্থালির কাজ ও গবাদিপশুর গোসলের জন্য ব্যবহার হতো। এখন কচুরিপানায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পানি ব্যবহারের উপযোগী নেই। এতে করে পানির সংকটে দিন কাটছে অনেকের।
বামুন্দিয়া গ্রামের গনেশ বিশ্বাস বলেন, “৭–৮ বছর ধরে খালে কচুরিপানা জমে আছে। মাছধরা বন্ধ, গরু-ছাগল গোসল করানো যাচ্ছে না। যার টিউবওয়েল নেই, তাকে বাধ্য হয়ে খালের দূষিত পানি ব্যবহার করতে হয়।”
টিপনা এলাকার হারান দাস বলেন, “কচুরিপানার কারণে পানি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। দূষিত পানিতে মশা-মাছি জন্ম নিচ্ছে, ডায়রিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছি।”
স্থানীয় লিপি বিশ্বাস জানান, “আমরা দুই পাড়ের বাসিন্দারা মশার যন্ত্রণায় ঠিকমতো ঘুমাতে পারি না। পুকুর শুকিয়ে গেলে খালের দূষিত পানিও ব্যবহার করতে পারি না।”
প্রশাসনের উদ্যোগ
এ প্রসঙ্গে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল আমিন বলেন, “খালের কচুরিপানা অপসারণে ইউনিয়ন পরিষদকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমি মনিরামপুর উপজেলা থেকে ৭ লক্ষ টাকার একটি মেশিন অর্ডার করেছি। মেশিনটি আসলেই দ্রুত কচুরিপানা অপসারণ করা হবে।”
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে খালের পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

আপনার মতামত লিখুন