ডুমুরিয়া উপজেলার অধিকাংশ এলাকা জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত। হাজার হাজার হেক্টর জমির মাছের ঘের, সবজির ক্ষেত ও আমন মৌসুমের বীজতলা পানির নিচে চলে গেছে। বহু কাঁচা ঘরবাড়ি ধসে পড়েছে, ডুবেছে গ্রামীণ সড়ক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ। এই জলাবদ্ধতা নিরসনে ও পানি ব্যবস্থাপনার জন্য বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সকাল ১১টায় ডুমুরিয়া উপজেলা কমপ্লেক্সের সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে একটি সমন্বিত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আল আমিন।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন:
সহকারী কমিশনার (ভূমি) অপ্রতিম কুমার চক্রবর্তী
খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আতিকুর রহমান
ডুমুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাসুদ রানা
সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান
প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুর রহমান
কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ হামিদুল ইসলাম
রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর মোঃ মনির হোসেন
সমবায় কর্মকর্তা সরদার জাহিদুর রহমান
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ হুমায়ুন কবির
বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী মোঃ হাফিজ ফারুক ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ সোহরাব হোসেন
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির AGM কম. আব্দুস সালাম
সাংবাদিক কাজী আব্দুল্লাহ, জিএম সালাম, শেখ মাহতাব হোসেন, এসএম রুহুল আমিন, জিএম আমানুল্লাহ
কৃষকদলের সভাপতি হুমায়ুন কবির, চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম হেলাল
এনজিও ‘উত্তরণ’-এর প্রতিনিধি শুক্তা মণ্ডল
এডভোকেট আলমগীর হোসেন প্রমুখ।
সভায় উপস্থিত সকলে একমত পোষণ করেন যে, জলাবদ্ধতার অন্যতম প্রধান কারণ স্থানীয় খাল ও নদীগুলোর ওপর প্রভাবশালীদের অবৈধ দখল এবং খাল-বিলে নেট-পাটা ও ভেড়িবাঁধ দিয়ে মাছচাষ। এসব ভেড়িবাঁধ পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করছে, ফলে সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা।
এ অবস্থার প্রেক্ষিতে জরুরি ভিত্তিতে একটি কমিটি গঠন করা হয়, যারা উপজেলার বিভিন্ন খাল-বিলে অবৈধ ভেড়িবাঁধ চিহ্নিত করে দ্রুত অপসারণের সুপারিশ ও ব্যবস্থা নেবে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভেড়িবাঁধগুলো দ্রুত কেটে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় বক্তারা জলাবদ্ধতা নিরসনে সক্রিয় সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৫
ডুমুরিয়া উপজেলার অধিকাংশ এলাকা জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত। হাজার হাজার হেক্টর জমির মাছের ঘের, সবজির ক্ষেত ও আমন মৌসুমের বীজতলা পানির নিচে চলে গেছে। বহু কাঁচা ঘরবাড়ি ধসে পড়েছে, ডুবেছে গ্রামীণ সড়ক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ। এই জলাবদ্ধতা নিরসনে ও পানি ব্যবস্থাপনার জন্য বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সকাল ১১টায় ডুমুরিয়া উপজেলা কমপ্লেক্সের সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে একটি সমন্বিত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আল আমিন।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন:
সহকারী কমিশনার (ভূমি) অপ্রতিম কুমার চক্রবর্তী
খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আতিকুর রহমান
ডুমুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাসুদ রানা
সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান
প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুর রহমান
কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ হামিদুল ইসলাম
রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর মোঃ মনির হোসেন
সমবায় কর্মকর্তা সরদার জাহিদুর রহমান
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ হুমায়ুন কবির
বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী মোঃ হাফিজ ফারুক ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ সোহরাব হোসেন
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির AGM কম. আব্দুস সালাম
সাংবাদিক কাজী আব্দুল্লাহ, জিএম সালাম, শেখ মাহতাব হোসেন, এসএম রুহুল আমিন, জিএম আমানুল্লাহ
কৃষকদলের সভাপতি হুমায়ুন কবির, চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম হেলাল
এনজিও ‘উত্তরণ’-এর প্রতিনিধি শুক্তা মণ্ডল
এডভোকেট আলমগীর হোসেন প্রমুখ।
সভায় উপস্থিত সকলে একমত পোষণ করেন যে, জলাবদ্ধতার অন্যতম প্রধান কারণ স্থানীয় খাল ও নদীগুলোর ওপর প্রভাবশালীদের অবৈধ দখল এবং খাল-বিলে নেট-পাটা ও ভেড়িবাঁধ দিয়ে মাছচাষ। এসব ভেড়িবাঁধ পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করছে, ফলে সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা।
এ অবস্থার প্রেক্ষিতে জরুরি ভিত্তিতে একটি কমিটি গঠন করা হয়, যারা উপজেলার বিভিন্ন খাল-বিলে অবৈধ ভেড়িবাঁধ চিহ্নিত করে দ্রুত অপসারণের সুপারিশ ও ব্যবস্থা নেবে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভেড়িবাঁধগুলো দ্রুত কেটে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় বক্তারা জলাবদ্ধতা নিরসনে সক্রিয় সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

আপনার মতামত লিখুন