তিনি আজ সাভারের ব্র্যাক সিডিএম-এ অনুষ্ঠিত ফ্রুগাল ইনোভেশন ফোরাম ২০২৫-এর "Policy Perspective on Climate Adaptation in Agriculture, Food Security, and Livelihoods" শীর্ষক সেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে এই মন্তব্য করেন।
উপদেষ্টা বলেন, “অভিযোজনেরও সীমা আছে। প্রশ্ন হলো—আমরা কতটা অভিযোজন করতে পারি, ধ্বংসের আগে?” তিনি নোয়াখালী ও ফেনীর সাম্প্রতিক নদীভাঙন ও জলোচ্ছ্বাসের উদাহরণ দিয়ে জানান, জটিল নদীপ্রবাহ এবং জোয়ার-ভাটার কারণে স্থানীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে।
প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানের ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “নদী, খাল, বন রক্ষা ছাড়া প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান হয় না। গাছ গোনা আর কার্বন অফসেটের নামে প্রতারণা চলবে না।”
তিনি বলেন, “জীববৈচিত্র্যকে পণ্য না বানিয়ে, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে।” কৃষিখাতে নিরাপদ খাদ্যের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি তামাক ও ক্যাসাভা চাষের বিস্তার রোধের কথা বলেন।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান অভিযোজনভিত্তিক অর্থায়নে তৃণমূল ও সুশীল সমাজের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “নীতিনির্ধারক ও জনগণের মধ্যে দুইমুখী যোগাযোগ দরকার। নেতৃত্বে থাকতে হবে জনগণকে।”
তিনি জানান, জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডে সংস্কার, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিসিডিপি (BCDP) নামক নতুন প্ল্যাটফর্ম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
তার বক্তব্যে তিনি বলেন, “উন্নয়নের ধরণ বদলাতে হবে। জলবায়ু সহনশীলতা মানে শুধু টিকে থাকা নয়, এটি আমাদের মূল্যবোধ পুনর্বিবেচনার ডাক।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ, নেচার কনজারভেশন ম্যানেজমেন্টের নির্বাহী পরিচালক এস এম মঞ্জুরুল হান্নান, ব্র্যাকের সিনিয়র ডিরেক্টর কে এ এম মোর্শেদসহ দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা। উপদেষ্টা প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন এবং প্রদর্শনীর স্টল পরিদর্শন করেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৫
তিনি আজ সাভারের ব্র্যাক সিডিএম-এ অনুষ্ঠিত ফ্রুগাল ইনোভেশন ফোরাম ২০২৫-এর "Policy Perspective on Climate Adaptation in Agriculture, Food Security, and Livelihoods" শীর্ষক সেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে এই মন্তব্য করেন।
উপদেষ্টা বলেন, “অভিযোজনেরও সীমা আছে। প্রশ্ন হলো—আমরা কতটা অভিযোজন করতে পারি, ধ্বংসের আগে?” তিনি নোয়াখালী ও ফেনীর সাম্প্রতিক নদীভাঙন ও জলোচ্ছ্বাসের উদাহরণ দিয়ে জানান, জটিল নদীপ্রবাহ এবং জোয়ার-ভাটার কারণে স্থানীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে।
প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানের ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “নদী, খাল, বন রক্ষা ছাড়া প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান হয় না। গাছ গোনা আর কার্বন অফসেটের নামে প্রতারণা চলবে না।”
তিনি বলেন, “জীববৈচিত্র্যকে পণ্য না বানিয়ে, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে।” কৃষিখাতে নিরাপদ খাদ্যের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি তামাক ও ক্যাসাভা চাষের বিস্তার রোধের কথা বলেন।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান অভিযোজনভিত্তিক অর্থায়নে তৃণমূল ও সুশীল সমাজের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “নীতিনির্ধারক ও জনগণের মধ্যে দুইমুখী যোগাযোগ দরকার। নেতৃত্বে থাকতে হবে জনগণকে।”
তিনি জানান, জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডে সংস্কার, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিসিডিপি (BCDP) নামক নতুন প্ল্যাটফর্ম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
তার বক্তব্যে তিনি বলেন, “উন্নয়নের ধরণ বদলাতে হবে। জলবায়ু সহনশীলতা মানে শুধু টিকে থাকা নয়, এটি আমাদের মূল্যবোধ পুনর্বিবেচনার ডাক।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ, নেচার কনজারভেশন ম্যানেজমেন্টের নির্বাহী পরিচালক এস এম মঞ্জুরুল হান্নান, ব্র্যাকের সিনিয়র ডিরেক্টর কে এ এম মোর্শেদসহ দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা। উপদেষ্টা প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন এবং প্রদর্শনীর স্টল পরিদর্শন করেন।

আপনার মতামত লিখুন