সাভারের আশুলিয়ায় জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া শহীদ পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সংবর্ধনা জানিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনের সেমিনার কক্ষে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে সকাল ১১টায় মুখে লাল কাপড় বেঁধে একটি প্রতীকী র্যালি বের করেন অংশগ্রহণকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর প্রদক্ষিণ করে অনুষ্ঠানস্থলে এসে শেষ হয়।
https://youtu.be/qRUQfSnRs2wঅনুষ্ঠানে আশপাশের এলাকা থেকে জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। স্মৃতিচারণমূলক আলোচনার পাশাপাশি জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র (ডকুমেন্টারি) প্রদর্শন করা হয়।
বক্তব্যে অংশগ্রহণকারীরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন উদ্যোগের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি ও চেতনা ধরে রাখতে কয়েকটি প্রস্তাব তুলে ধরেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সড়ক, আবাসিক হল ও স্থাপনাগুলোর নাম জুলাইয়ের শহীদদের নামে নামকরণ করার দাবি জানানো হয়।
এছাড়া বক্তারা জুলাইয়ে আহতদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে তাঁরা বলেন, “জুলাই চেতনা রক্ষা করে বৈষম্যমুক্ত, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়াই এখন আমাদের অঙ্গীকার।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৫
সাভারের আশুলিয়ায় জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া শহীদ পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সংবর্ধনা জানিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনের সেমিনার কক্ষে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে সকাল ১১টায় মুখে লাল কাপড় বেঁধে একটি প্রতীকী র্যালি বের করেন অংশগ্রহণকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর প্রদক্ষিণ করে অনুষ্ঠানস্থলে এসে শেষ হয়।
https://youtu.be/qRUQfSnRs2wঅনুষ্ঠানে আশপাশের এলাকা থেকে জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। স্মৃতিচারণমূলক আলোচনার পাশাপাশি জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র (ডকুমেন্টারি) প্রদর্শন করা হয়।
বক্তব্যে অংশগ্রহণকারীরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন উদ্যোগের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি ও চেতনা ধরে রাখতে কয়েকটি প্রস্তাব তুলে ধরেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সড়ক, আবাসিক হল ও স্থাপনাগুলোর নাম জুলাইয়ের শহীদদের নামে নামকরণ করার দাবি জানানো হয়।
এছাড়া বক্তারা জুলাইয়ে আহতদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে তাঁরা বলেন, “জুলাই চেতনা রক্ষা করে বৈষম্যমুক্ত, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়াই এখন আমাদের অঙ্গীকার।”

আপনার মতামত লিখুন