নজর বিডি
প্রকাশ : বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫

মুকসুদপুরে অভিযান: ৯৮টি চায়না দোয়ারি জব্দ ও ধ্বংস

মুকসুদপুরে অভিযান: ৯৮টি চায়না দোয়ারি জব্দ ও ধ্বংস
মুকসুদপুর, ৩০ জুলাই ২০২৫ — গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলায় অবৈধ ও পরিবেশবিরোধী চায়না দোয়ারি জাল ব্যবহার রোধে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে জেলা ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর। আজ বুধবার উপজেলার কাশালিয়া বিল, ননীক্ষীর বিল, বানিয়ারচর খাল ও বলে একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মোট ৯৮টি চায়না দোয়ারি আটক করে তাৎক্ষণিকভাবে বিনষ্ট করা হয়। এসব জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা বলে জানা গেছে। https://www.youtube.com/watch?v=hTqVsN2v8D4   অভিযানে নেতৃত্ব দেন গোপালগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জনাব বিজন কুমার নন্দী। অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) জনাব দেবলা চক্রবর্তী, মুকসুদপুর থানার পুলিশের সদস্যবৃন্দ এবং মৎস্য অফিসের মাঠ পর্যায়ের কর্মরত মাঠসহায়ককর্মীবৃন্দ।   [caption id="attachment_13333" align="aligncenter" width="300"] ছবি: নজরবিডি[/caption] মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, প্রাকৃতিক জলাশয় থেকে দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবৈধ ও ক্ষতিকর জাল অপসারণ অভিযান চলমান রয়েছে। চায়না দোয়ারি একধরনের অতি সূক্ষ্ম জাল, যা ডিমওয়ালা মাছসহ ছোট ছোট মাছের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। এই জাল ব্যবহারের ফলে প্রাকৃতিকভাবে মাছের পুনরুৎপাদন ব্যাহত হয় এবং মৎস্য সম্পদের স্থায়িত্ব হুমকির মুখে পড়ে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জনাব বিজন কুমার নন্দী জানান, “জেলার জলাশয়গুলোতে অবৈধ জাল নির্মূল করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় জনগণের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।” তিনি আরও বলেন, “অবৈধভাবে মাছ শিকার রোধে আমাদের নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান চলবে।” উল্লেখ্য, মৎস্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই সম্মিলিত উদ্যোগ এলাকার স্থানীয় মৎস্যজীবীদের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করেছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


মুকসুদপুরে অভিযান: ৯৮টি চায়না দোয়ারি জব্দ ও ধ্বংস

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৫

featured Image
মুকসুদপুর, ৩০ জুলাই ২০২৫ — গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলায় অবৈধ ও পরিবেশবিরোধী চায়না দোয়ারি জাল ব্যবহার রোধে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে জেলা ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর। আজ বুধবার উপজেলার কাশালিয়া বিল, ননীক্ষীর বিল, বানিয়ারচর খাল ও বলে একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মোট ৯৮টি চায়না দোয়ারি আটক করে তাৎক্ষণিকভাবে বিনষ্ট করা হয়। এসব জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা বলে জানা গেছে। https://www.youtube.com/watch?v=hTqVsN2v8D4   অভিযানে নেতৃত্ব দেন গোপালগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জনাব বিজন কুমার নন্দী। অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) জনাব দেবলা চক্রবর্তী, মুকসুদপুর থানার পুলিশের সদস্যবৃন্দ এবং মৎস্য অফিসের মাঠ পর্যায়ের কর্মরত মাঠসহায়ককর্মীবৃন্দ।   [caption id="attachment_13333" align="aligncenter" width="300"] ছবি: নজরবিডি[/caption] মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, প্রাকৃতিক জলাশয় থেকে দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবৈধ ও ক্ষতিকর জাল অপসারণ অভিযান চলমান রয়েছে। চায়না দোয়ারি একধরনের অতি সূক্ষ্ম জাল, যা ডিমওয়ালা মাছসহ ছোট ছোট মাছের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। এই জাল ব্যবহারের ফলে প্রাকৃতিকভাবে মাছের পুনরুৎপাদন ব্যাহত হয় এবং মৎস্য সম্পদের স্থায়িত্ব হুমকির মুখে পড়ে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জনাব বিজন কুমার নন্দী জানান, “জেলার জলাশয়গুলোতে অবৈধ জাল নির্মূল করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় জনগণের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।” তিনি আরও বলেন, “অবৈধভাবে মাছ শিকার রোধে আমাদের নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান চলবে।” উল্লেখ্য, মৎস্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই সম্মিলিত উদ্যোগ এলাকার স্থানীয় মৎস্যজীবীদের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করেছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত