ছবি: নজরবিডি[/caption]
মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, প্রাকৃতিক জলাশয় থেকে দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবৈধ ও ক্ষতিকর জাল অপসারণ অভিযান চলমান রয়েছে। চায়না দোয়ারি একধরনের অতি সূক্ষ্ম জাল, যা ডিমওয়ালা মাছসহ ছোট ছোট মাছের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। এই জাল ব্যবহারের ফলে প্রাকৃতিকভাবে মাছের পুনরুৎপাদন ব্যাহত হয় এবং মৎস্য সম্পদের স্থায়িত্ব হুমকির মুখে পড়ে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জনাব বিজন কুমার নন্দী জানান, “জেলার জলাশয়গুলোতে অবৈধ জাল নির্মূল করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় জনগণের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।” তিনি আরও বলেন, “অবৈধভাবে মাছ শিকার রোধে আমাদের নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান চলবে।”
উল্লেখ্য, মৎস্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই সম্মিলিত উদ্যোগ এলাকার স্থানীয় মৎস্যজীবীদের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করেছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। 
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৫
ছবি: নজরবিডি[/caption]
মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, প্রাকৃতিক জলাশয় থেকে দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবৈধ ও ক্ষতিকর জাল অপসারণ অভিযান চলমান রয়েছে। চায়না দোয়ারি একধরনের অতি সূক্ষ্ম জাল, যা ডিমওয়ালা মাছসহ ছোট ছোট মাছের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। এই জাল ব্যবহারের ফলে প্রাকৃতিকভাবে মাছের পুনরুৎপাদন ব্যাহত হয় এবং মৎস্য সম্পদের স্থায়িত্ব হুমকির মুখে পড়ে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জনাব বিজন কুমার নন্দী জানান, “জেলার জলাশয়গুলোতে অবৈধ জাল নির্মূল করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় জনগণের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।” তিনি আরও বলেন, “অবৈধভাবে মাছ শিকার রোধে আমাদের নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান চলবে।”
উল্লেখ্য, মৎস্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই সম্মিলিত উদ্যোগ এলাকার স্থানীয় মৎস্যজীবীদের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করেছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। 
আপনার মতামত লিখুন