প্রথম ধাপে এটি ডুমুরিয়া বাজারে মাংস বিক্রেতা ও ক্ষুদ্র কাঁচা বাজার ব্যবসায়ীদের জন্য চালু করা হবে। লক্ষ্য হচ্ছে— স্থানীয় লেনদেনকে আরও সহজতর, সুরক্ষিত ও গতিশীল করা।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মাদ আল-আমিন জানান,
“এই ওয়েট মার্কেট এলাকার মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। এটি শুধু জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে নয়, বরং এলাকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখবে। আধুনিক, পরিপাটি ও স্যানিটেশন সুবিধাসম্পন্ন এই বাজার ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের জন্য একটি চমৎকার প্ল্যাটফর্ম হবে।”
তিনি সকল অংশীজন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন—
“এটি স্থানীয় জনগণের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।”
ডুমুরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল কবির সরেজমিনে ওয়েট মার্কেট এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সঙ্গে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি ও বায়োমেডিকেল অনুষদের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি জানান—
“ওয়েট মার্কেট বলতে সাধারণত এমন বাজার বোঝায় যেখানে তাজা মাছ, মাংস, সবজি, ফলমূল ও মাঝে মাঝে জীবন্ত প্রাণীও বেচাকেনা হয়। এটি সাধারণত এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকায় বেশি দেখা যায়।”
তিনি আরও জানান, চীনের মতো কিছু দেশে এটি "পাবলিক মার্কেট" হিসেবেও পরিচিত।
ওয়েট মার্কেটের ধারণাটি বাংলাদেশের বাজার ব্যবস্থাপনায় একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন।

এ সময় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস, ভেটেরিনারি হাসপাতাল, খামার, ফিড মিল ও ওয়েট মার্কেট পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ডুমুরিয়া বাজারে মাংস বিক্রেতাদের জন্য ওয়েট মার্কেটের ঘর বরাদ্দ নিতে আবেদন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৫
প্রথম ধাপে এটি ডুমুরিয়া বাজারে মাংস বিক্রেতা ও ক্ষুদ্র কাঁচা বাজার ব্যবসায়ীদের জন্য চালু করা হবে। লক্ষ্য হচ্ছে— স্থানীয় লেনদেনকে আরও সহজতর, সুরক্ষিত ও গতিশীল করা।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মাদ আল-আমিন জানান,
“এই ওয়েট মার্কেট এলাকার মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। এটি শুধু জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে নয়, বরং এলাকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখবে। আধুনিক, পরিপাটি ও স্যানিটেশন সুবিধাসম্পন্ন এই বাজার ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের জন্য একটি চমৎকার প্ল্যাটফর্ম হবে।”
তিনি সকল অংশীজন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন—
“এটি স্থানীয় জনগণের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।”
ডুমুরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল কবির সরেজমিনে ওয়েট মার্কেট এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সঙ্গে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি ও বায়োমেডিকেল অনুষদের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি জানান—
“ওয়েট মার্কেট বলতে সাধারণত এমন বাজার বোঝায় যেখানে তাজা মাছ, মাংস, সবজি, ফলমূল ও মাঝে মাঝে জীবন্ত প্রাণীও বেচাকেনা হয়। এটি সাধারণত এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকায় বেশি দেখা যায়।”
তিনি আরও জানান, চীনের মতো কিছু দেশে এটি "পাবলিক মার্কেট" হিসেবেও পরিচিত।
ওয়েট মার্কেটের ধারণাটি বাংলাদেশের বাজার ব্যবস্থাপনায় একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন।

এ সময় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস, ভেটেরিনারি হাসপাতাল, খামার, ফিড মিল ও ওয়েট মার্কেট পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ডুমুরিয়া বাজারে মাংস বিক্রেতাদের জন্য ওয়েট মার্কেটের ঘর বরাদ্দ নিতে আবেদন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন