ডুমুরিয়া উপজেলার ধামালিয়া ইউনিয়নের মানিকতলা মাঠে ফসলের উপকারী ও ক্ষতিকর পোকা-মাকড় সনাক্তকরণের জন্য আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়েছে। বুধবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় স্থাপিত এ ফাঁদে ক্ষতিকর কোনো পোকা-মাকড়ের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়নের তিনজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, এ টি আই শিক্ষার্থী ও কৃষক-কৃষাণীরা।
কৃষি বিশেষজ্ঞরা জানান, আলোক ফাঁদ সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা (আইপিএম)-এর একটি অংশ, যার মাধ্যমে ফসলের ক্ষতিকর পোকা শনাক্ত ও দমন করা হয়, আর উপকারী পোকাগুলো সংরক্ষিত থাকে। ফলে কীটনাশকের ব্যবহার কমে, পরিবেশ থাকে সুরক্ষিত এবং চাষের খরচও হ্রাস পায়।
আলোক ফাঁদ উজ্জ্বল আলোতে আকৃষ্ট হয়ে ধানের মাজরা পোকার মথ, বাদামি গাছফড়িং, শিষকাটা লেদা পোকা, ধানের পাতা মোড়ানো পোকা, সবুজ পাতাফড়িং, চুঙ্গি পোকা, গলমাছি, গান্ধিপোকা, সাদা ফড়িংসহ নানা ক্ষতিকর পোকা ফাঁদে আটকে মরে।
ফাঁদ তৈরিতে বৈদ্যুতিক তার, বাল্ব বা হ্যারিকেন/হ্যাজাক লাইট, বাঁশ, গাছের ডাল, প্লাস্টিকের গামলা, রশি, পানি, ডিটারজেন্ট পাউডার ও কেরোসিন ব্যবহার করা হয়। সূর্যাস্তের আধা ঘণ্টা পর থেকে ২-২.৫ ঘণ্টা এ ফাঁদ চালু রাখতে হয় এবং টানা তিন-চার দিন ব্যবহারে ভালো ফল পাওয়া যায়।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) সৌরশক্তি চালিত আলোক ফাঁদও উদ্ভাবন করেছে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আলো জ্বালানো ও নিভানোর ক্ষমতা রাখে এবং ১০০ মিটার দূর থেকেও পোকা আকৃষ্ট করতে পারে। এর খরচ প্রায় দেড় হাজার টাকা এবং রক্ষণাবেক্ষণ তুলনামূলক সহজ।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইনসান ইবনে আমিন বলেন, “আমাদের এই কার্যক্রম প্রতিটি ব্লকে নিয়মিতভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে, এবং কৃষকরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হচ্ছেন।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৫
ডুমুরিয়া উপজেলার ধামালিয়া ইউনিয়নের মানিকতলা মাঠে ফসলের উপকারী ও ক্ষতিকর পোকা-মাকড় সনাক্তকরণের জন্য আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়েছে। বুধবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় স্থাপিত এ ফাঁদে ক্ষতিকর কোনো পোকা-মাকড়ের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়নের তিনজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, এ টি আই শিক্ষার্থী ও কৃষক-কৃষাণীরা।
কৃষি বিশেষজ্ঞরা জানান, আলোক ফাঁদ সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা (আইপিএম)-এর একটি অংশ, যার মাধ্যমে ফসলের ক্ষতিকর পোকা শনাক্ত ও দমন করা হয়, আর উপকারী পোকাগুলো সংরক্ষিত থাকে। ফলে কীটনাশকের ব্যবহার কমে, পরিবেশ থাকে সুরক্ষিত এবং চাষের খরচও হ্রাস পায়।
আলোক ফাঁদ উজ্জ্বল আলোতে আকৃষ্ট হয়ে ধানের মাজরা পোকার মথ, বাদামি গাছফড়িং, শিষকাটা লেদা পোকা, ধানের পাতা মোড়ানো পোকা, সবুজ পাতাফড়িং, চুঙ্গি পোকা, গলমাছি, গান্ধিপোকা, সাদা ফড়িংসহ নানা ক্ষতিকর পোকা ফাঁদে আটকে মরে।
ফাঁদ তৈরিতে বৈদ্যুতিক তার, বাল্ব বা হ্যারিকেন/হ্যাজাক লাইট, বাঁশ, গাছের ডাল, প্লাস্টিকের গামলা, রশি, পানি, ডিটারজেন্ট পাউডার ও কেরোসিন ব্যবহার করা হয়। সূর্যাস্তের আধা ঘণ্টা পর থেকে ২-২.৫ ঘণ্টা এ ফাঁদ চালু রাখতে হয় এবং টানা তিন-চার দিন ব্যবহারে ভালো ফল পাওয়া যায়।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) সৌরশক্তি চালিত আলোক ফাঁদও উদ্ভাবন করেছে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আলো জ্বালানো ও নিভানোর ক্ষমতা রাখে এবং ১০০ মিটার দূর থেকেও পোকা আকৃষ্ট করতে পারে। এর খরচ প্রায় দেড় হাজার টাকা এবং রক্ষণাবেক্ষণ তুলনামূলক সহজ।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইনসান ইবনে আমিন বলেন, “আমাদের এই কার্যক্রম প্রতিটি ব্লকে নিয়মিতভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে, এবং কৃষকরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হচ্ছেন।”

আপনার মতামত লিখুন