বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন আজ শুক্রবার। ১৯৪৫ সালের এই দিনে তিনি দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা ইস্কান্দার মজুমদার ও মাতা তৈয়বা মজুমদারের তৃতীয় সন্তান তিনি। বর্তমানে তিনি রাজধানীর গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’য় অবস্থান করছেন। জন্মদিনে দলীয়ভাবে এবারও কোনো কেক কাটার অনুষ্ঠান থাকছে না।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনায় সারাদেশের দলীয় কার্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ বিষয়ে নির্দেশনা দেন। কয়েক বছর ধরে খালেদা জিয়ার নির্দেশে দলীয়ভাবে জন্মদিনে কেক কাটা বা আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজন থেকে বিরত রয়েছে বিএনপি। আজও তিনি একই নির্দেশ দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
যদিও খালেদা জিয়ার পৈতৃক নিবাস ফেনীর ফুলগাজীতে, তবে তাঁর শৈশব-কৈশোর কেটেছে দিনাজপুরে বাবার কর্মস্থলে। ১৯৬০ সালের আগস্টে তৎকালীন সেনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের দুই সন্তান—তারেক রহমান (জন্ম ২০ নভেম্বর ১৯৬৫) এবং আরাফাত রহমান কোকো (জন্ম ১২ আগস্ট ১৯৬৯)।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ শুরুর প্রাক্কালে পাকিস্তানি বাহিনীর ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর পর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাঙালি সেনারা বিদ্রোহ করেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিপথগামী সেনাদের হাতে নিহত হন। এরপর দলের নেতাকর্মীদের অনুরোধে ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি খালেদা জিয়া বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হন এবং সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন।
দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন এবং এ পর্যন্ত তিনবার এ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় তাঁকে কারাবন্দি করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির মামলায় সাজা হলে আবারও বন্দি হন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৫
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন আজ শুক্রবার। ১৯৪৫ সালের এই দিনে তিনি দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা ইস্কান্দার মজুমদার ও মাতা তৈয়বা মজুমদারের তৃতীয় সন্তান তিনি। বর্তমানে তিনি রাজধানীর গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’য় অবস্থান করছেন। জন্মদিনে দলীয়ভাবে এবারও কোনো কেক কাটার অনুষ্ঠান থাকছে না।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনায় সারাদেশের দলীয় কার্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ বিষয়ে নির্দেশনা দেন। কয়েক বছর ধরে খালেদা জিয়ার নির্দেশে দলীয়ভাবে জন্মদিনে কেক কাটা বা আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজন থেকে বিরত রয়েছে বিএনপি। আজও তিনি একই নির্দেশ দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
যদিও খালেদা জিয়ার পৈতৃক নিবাস ফেনীর ফুলগাজীতে, তবে তাঁর শৈশব-কৈশোর কেটেছে দিনাজপুরে বাবার কর্মস্থলে। ১৯৬০ সালের আগস্টে তৎকালীন সেনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের দুই সন্তান—তারেক রহমান (জন্ম ২০ নভেম্বর ১৯৬৫) এবং আরাফাত রহমান কোকো (জন্ম ১২ আগস্ট ১৯৬৯)।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ শুরুর প্রাক্কালে পাকিস্তানি বাহিনীর ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর পর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাঙালি সেনারা বিদ্রোহ করেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিপথগামী সেনাদের হাতে নিহত হন। এরপর দলের নেতাকর্মীদের অনুরোধে ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি খালেদা জিয়া বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হন এবং সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন।
দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন এবং এ পর্যন্ত তিনবার এ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় তাঁকে কারাবন্দি করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির মামলায় সাজা হলে আবারও বন্দি হন।

আপনার মতামত লিখুন