নজর বিডি
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট ২০২৫

ডুমুরিয়ায় মহিলা কৃষক বিপাশা গাইনের তরমুজ চাষে বাম্পার ফলন

ডুমুরিয়ায় মহিলা কৃষক বিপাশা গাইনের তরমুজ চাষে বাম্পার ফলন

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা): খুলনার ডুমুরিয়ায় এবছর তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবছর চাষের পরিমাণ যেমন বেড়েছে, তেমনি উৎপাদনেও রেকর্ড হয়েছে। ভালো আবহাওয়া, রোগবালাইয়ের আক্রমণ না থাকা এবং বাজারদর সুবিধাজনক থাকায় কৃষকদের মুখে এখন হাসি ফুটেছে।

বিশেষ করে উপজেলার শোভনা ইউনিয়নের বারইকাটি গ্রামের মহিলা তরমুজ চাষি বিপাশা গাইন এবছর দারুণ ফলন পেয়েছেন। তিনি জানান, ৩৩ শতক জমিতে তরমুজ চাষে তার খরচ হয়েছে ৭৫ হাজার টাকা, আর বিক্রি হবে প্রায় ৩ লাখ টাকার তরমুজ। এতে তার পরিবারের মুখে আনন্দের ছাপ ফুটে উঠেছে।

watermelon-farming woman-farmer dumuria-agriculture bumper-harvest bangladesh-farming agri-success khulna-news

স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, চলতি মৌসুমে তরমুজের চাষ বেড়েছে। মাঠে এখন শুধু তরমুজ আর তরমুজ। কেউ পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত, কেউবা তরমুজ তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বাজারদর ঠিক থাকলে লাভও হবে ভালো।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, এ বছর খুলনা জেলায় ১২ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে তরমুজ আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৬ হাজার হেক্টর বেশি। উৎপাদন হয়েছে ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৯১৬ মেট্রিক টন তরমুজ।

ডুমুরিয়ার কৃষক তরিকুল ও ফরহাদ জানান, "গত বছরের তুলনায় এবছর বেশি ফলন পেয়েছি। বাজারদর ভালো থাকলে অবশ্যই লাভবান হবো।" আরেক কৃষক রাসেল বলেন, "এবার গাছে কোনো রোগবালাই হয়নি। তাই ফলনও অনেক বেশি হয়েছে। আশা করছি বাজারে দাম ভালো থাকবে।"

শোভনা ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রিমা মন্ডল বলেন, "এ ইউনিয়নে প্রায় ২৫০ হেক্টর জমিতে তরমুজ আবাদ হয়েছে। আমরা কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিয়েছি। তারা যত্নসহকারে পরিচর্যা করায় ভালো ফলন পেয়েছেন।"

ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. ইনসাদ ইবনে আমিন জানান, "গত বছরের তুলনায় এবছর আবাদ ও উৎপাদন দুই-ই বেড়েছে। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় কৃষকরা তরমুজ চাষের দিকে ঝুঁকছেন। আমরা কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি।"

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


ডুমুরিয়ায় মহিলা কৃষক বিপাশা গাইনের তরমুজ চাষে বাম্পার ফলন

প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৫

featured Image

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা): খুলনার ডুমুরিয়ায় এবছর তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবছর চাষের পরিমাণ যেমন বেড়েছে, তেমনি উৎপাদনেও রেকর্ড হয়েছে। ভালো আবহাওয়া, রোগবালাইয়ের আক্রমণ না থাকা এবং বাজারদর সুবিধাজনক থাকায় কৃষকদের মুখে এখন হাসি ফুটেছে।

বিশেষ করে উপজেলার শোভনা ইউনিয়নের বারইকাটি গ্রামের মহিলা তরমুজ চাষি বিপাশা গাইন এবছর দারুণ ফলন পেয়েছেন। তিনি জানান, ৩৩ শতক জমিতে তরমুজ চাষে তার খরচ হয়েছে ৭৫ হাজার টাকা, আর বিক্রি হবে প্রায় ৩ লাখ টাকার তরমুজ। এতে তার পরিবারের মুখে আনন্দের ছাপ ফুটে উঠেছে।

watermelon-farming woman-farmer dumuria-agriculture bumper-harvest bangladesh-farming agri-success khulna-news

স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, চলতি মৌসুমে তরমুজের চাষ বেড়েছে। মাঠে এখন শুধু তরমুজ আর তরমুজ। কেউ পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত, কেউবা তরমুজ তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বাজারদর ঠিক থাকলে লাভও হবে ভালো।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, এ বছর খুলনা জেলায় ১২ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে তরমুজ আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৬ হাজার হেক্টর বেশি। উৎপাদন হয়েছে ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৯১৬ মেট্রিক টন তরমুজ।

ডুমুরিয়ার কৃষক তরিকুল ও ফরহাদ জানান, "গত বছরের তুলনায় এবছর বেশি ফলন পেয়েছি। বাজারদর ভালো থাকলে অবশ্যই লাভবান হবো।" আরেক কৃষক রাসেল বলেন, "এবার গাছে কোনো রোগবালাই হয়নি। তাই ফলনও অনেক বেশি হয়েছে। আশা করছি বাজারে দাম ভালো থাকবে।"

শোভনা ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রিমা মন্ডল বলেন, "এ ইউনিয়নে প্রায় ২৫০ হেক্টর জমিতে তরমুজ আবাদ হয়েছে। আমরা কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিয়েছি। তারা যত্নসহকারে পরিচর্যা করায় ভালো ফলন পেয়েছেন।"

ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. ইনসাদ ইবনে আমিন জানান, "গত বছরের তুলনায় এবছর আবাদ ও উৎপাদন দুই-ই বেড়েছে। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় কৃষকরা তরমুজ চাষের দিকে ঝুঁকছেন। আমরা কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি।"


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত