প্রতি বছর বর্ষায় নড়াইল জেলার বিভিন্ন এলাকায় নবগঙ্গা, মধুমতী ও চিত্রা নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে শত শত ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, সড়ক, কবরস্থানসহ নানা স্থাপনা। এ বছরও জেলার কালিয়া, লোহাগড়া ও সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দ্রুত হস্তক্ষেপে জরুরি ভিত্তিতে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার কারণে অনেক স্থাপনা রক্ষা পেলেও পর্যাপ্ত বরাদ্দ না থাকায় বেশ কিছু এলাকায় এখনো কাজ শুরু হয়নি। এতে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদী পাড়ের মানুষ।

কালিয়ার উথালী গ্রামের বাসিন্দা পান্নু শেখ বলেন, “নদী ভাঙন শুরু হতেই জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। ফলে আমাদের বসতভিটা রক্ষা পেয়েছে। আমরা সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞ।” শিলা বেগম বলেন, “আমাদের দুইটি ঘর নদীতে চলে গেছে। তবে জরুরি কাজের কারণে ভাঙন বন্ধ হয়েছে। এখন স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ছাড়া আমরা নিরাপদ নই।”
রতডাঙ্গা গ্রামের সাহাবুদ্দিন জানান, চিত্রা নদীতে ভাঙন দেখা দিলে পাউবো দ্রুত কাজ করেছে, এতে তার বাড়িসহ আশপাশের এলাকা রক্ষা পেয়েছে।
জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট তারিকুজ্জামান লিটু বলেন, “প্রতি বছরই নড়াইলের নদীগুলোতে ভাঙন হয়। জরুরি বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি জরিপ করে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করতে হবে।”
পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী অভিজিৎ কুমার সাহা জানান, সীমিত সম্পদ ও বাজেট নিয়েই তারা সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, “স্থায়ী কাজের জন্য ভাঙনকবলিত স্থানের নকশা অনুযায়ী বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।”
জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
এলাকাবাসীর দাবি, নড়াইল জেলায় নদীভাঙন রোধে জরুরি বরাদ্দ বৃদ্ধি ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ এখন সময়ের দাবি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৫
প্রতি বছর বর্ষায় নড়াইল জেলার বিভিন্ন এলাকায় নবগঙ্গা, মধুমতী ও চিত্রা নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে শত শত ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, সড়ক, কবরস্থানসহ নানা স্থাপনা। এ বছরও জেলার কালিয়া, লোহাগড়া ও সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দ্রুত হস্তক্ষেপে জরুরি ভিত্তিতে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার কারণে অনেক স্থাপনা রক্ষা পেলেও পর্যাপ্ত বরাদ্দ না থাকায় বেশ কিছু এলাকায় এখনো কাজ শুরু হয়নি। এতে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদী পাড়ের মানুষ।

কালিয়ার উথালী গ্রামের বাসিন্দা পান্নু শেখ বলেন, “নদী ভাঙন শুরু হতেই জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। ফলে আমাদের বসতভিটা রক্ষা পেয়েছে। আমরা সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞ।” শিলা বেগম বলেন, “আমাদের দুইটি ঘর নদীতে চলে গেছে। তবে জরুরি কাজের কারণে ভাঙন বন্ধ হয়েছে। এখন স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ছাড়া আমরা নিরাপদ নই।”
রতডাঙ্গা গ্রামের সাহাবুদ্দিন জানান, চিত্রা নদীতে ভাঙন দেখা দিলে পাউবো দ্রুত কাজ করেছে, এতে তার বাড়িসহ আশপাশের এলাকা রক্ষা পেয়েছে।
জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট তারিকুজ্জামান লিটু বলেন, “প্রতি বছরই নড়াইলের নদীগুলোতে ভাঙন হয়। জরুরি বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি জরিপ করে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করতে হবে।”
পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী অভিজিৎ কুমার সাহা জানান, সীমিত সম্পদ ও বাজেট নিয়েই তারা সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, “স্থায়ী কাজের জন্য ভাঙনকবলিত স্থানের নকশা অনুযায়ী বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।”
জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
এলাকাবাসীর দাবি, নড়াইল জেলায় নদীভাঙন রোধে জরুরি বরাদ্দ বৃদ্ধি ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ এখন সময়ের দাবি।

আপনার মতামত লিখুন