নজর বিডি
প্রকাশ : শুক্রবার, ২২ আগস্ট ২০২৫

ডুমুরিয়ার বিলডাকাতিয়ার জলাবদ্ধতা নিরসনে সমীক্ষা চলছে : বাপাউবো মহাপরিচালক

ডুমুরিয়ার বিলডাকাতিয়ার জলাবদ্ধতা নিরসনে সমীক্ষা চলছে : বাপাউবো মহাপরিচালক

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো. এনায়েত উল্লাহ বলেছেন, বিলডাকাতিয়ার দীর্ঘমেয়াদী জলাবদ্ধতা নিরসনে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (ফিজিবিলিটি স্টাডি) চলছে। এর অংশ হিসেবে শৈলমারী নদীর নাব্য ফিরিয়ে আনা, নদী ড্রেজিং, ২৪টি খাল পুনঃখনন ও ভবদহ জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) সকালে ডুমুরিয়ার শৈলমারী রেগুলেটর পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, সমন্বিতভাবে এ অঞ্চলের পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে জলাবদ্ধতার সমাধান হবে।

পরিদর্শনকালে তিনি কালিঘাট রেগুলেটর ও পানিবন্দী এলাকায় ঘুরে দেখেন এবং অবৈধ বাঁধ অপসারণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। এলাকাবাসী মৃত হামকুড়া নদী পুনরুজ্জীবন ও টিআরএম প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানান।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৮ সাল থেকে বিলডাকাতিয়া অঞ্চলে জলাবদ্ধতা দেখা দিলেও গত দুই বছর পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে প্রায় ৩০ হাজার পরিবার পানিবন্দী অবস্থায় আছে। শৈলমারী নদীর ড্রেজিং, পাঁচটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন পাম্প স্থাপন ও ২৪টি খাল পুনঃখননের প্রস্তাবিত প্রকল্পের সমীক্ষা এখনো চলমান।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


ডুমুরিয়ার বিলডাকাতিয়ার জলাবদ্ধতা নিরসনে সমীক্ষা চলছে : বাপাউবো মহাপরিচালক

প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৫

featured Image

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো. এনায়েত উল্লাহ বলেছেন, বিলডাকাতিয়ার দীর্ঘমেয়াদী জলাবদ্ধতা নিরসনে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (ফিজিবিলিটি স্টাডি) চলছে। এর অংশ হিসেবে শৈলমারী নদীর নাব্য ফিরিয়ে আনা, নদী ড্রেজিং, ২৪টি খাল পুনঃখনন ও ভবদহ জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) সকালে ডুমুরিয়ার শৈলমারী রেগুলেটর পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, সমন্বিতভাবে এ অঞ্চলের পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে জলাবদ্ধতার সমাধান হবে।

পরিদর্শনকালে তিনি কালিঘাট রেগুলেটর ও পানিবন্দী এলাকায় ঘুরে দেখেন এবং অবৈধ বাঁধ অপসারণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। এলাকাবাসী মৃত হামকুড়া নদী পুনরুজ্জীবন ও টিআরএম প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানান।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৮ সাল থেকে বিলডাকাতিয়া অঞ্চলে জলাবদ্ধতা দেখা দিলেও গত দুই বছর পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে প্রায় ৩০ হাজার পরিবার পানিবন্দী অবস্থায় আছে। শৈলমারী নদীর ড্রেজিং, পাঁচটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন পাম্প স্থাপন ও ২৪টি খাল পুনঃখননের প্রস্তাবিত প্রকল্পের সমীক্ষা এখনো চলমান।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত