মানুষ ইলিশের স্বাদ ভুলতে বসেছে। দেশে ভরা মৌসুমেও বাজারে ইলিশের সরবরাহ কম এবং দাম এতটাই বেশি যে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে।
বর্তমানে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২,৫০০ টাকার ওপরে। মাঝারি সাইজের কোনো ইলিশ ১,২০০ টাকার নিচে মিলছে না। ক্রেতারা বলছেন, মাছের রাজা এই লোভনীয় ইলিশ এখন বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জেলেদের ভাষ্যমতে, এ বছর সাগরে ইলিশের উৎপাদন ভালো হলেও জালে ধরা পড়ছে তুলনামূলক কম, বিশেষ করে বড় আকারের মাছ। ফলে বাজারে সরবরাহ কম, দাম বেশি। বিক্রেতাদের দাবি, এর আগে কখনো এত বেশি দাম হয়নি।
বাজার নিয়ন্ত্রণে যৌক্তিক দাম নির্ধারণে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে নির্দেশনা থাকলেও দুই মাস পার হলেও কার্যকর হয়নি। সংশ্লিষ্টদের মতে, সিন্ডিকেট ও মধ্যস্বত্বভোগীদের কব্জায় থাকার কারণেই বাজার বেসামাল।
ডুমুরিয়ার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান জানান, ইলিশ প্রাপ্তি অনেকাংশে অমাবস্যা-পূর্ণিমা ও বৃষ্টির ওপর নির্ভরশীল। আগামী ভাদ্র ও আশ্বিন মাসে আশানুরূপ ইলিশ ধরা পড়ার সম্ভাবনা আছে, তখন দামও কিছুটা কমতে পারে। তবে জাটকা নিধন নিয়ন্ত্রণে না আনলে দীর্ঘমেয়াদে সংকট কাটানো কঠিন হবে।
চরম আয় বৈষম্যের কারণে ইলিশ মাছ এখন সবার ঘরে তুলতে পারা স্বাভাবিক নয়। ডুমুরিয়া বাজারের ব্যবসায়ী শেখ আব্দুস সালাম বলেন, “আমার যত টাকাই থাকুক, তিন হাজার টাকা দিয়ে একটা ইলিশ কেনা সম্ভব নয়।”
ইলিশ গবেষক ও মৎস্যবিজ্ঞানী ড. মো. আনিছুর রহমান বলেন, “এ দেশে ইলিশের প্রাচুর্য আছে। তারপরও এর এত দাম মেনে নেওয়া যায় না। এবারের পরিস্থিতি সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৫
মানুষ ইলিশের স্বাদ ভুলতে বসেছে। দেশে ভরা মৌসুমেও বাজারে ইলিশের সরবরাহ কম এবং দাম এতটাই বেশি যে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে।
বর্তমানে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২,৫০০ টাকার ওপরে। মাঝারি সাইজের কোনো ইলিশ ১,২০০ টাকার নিচে মিলছে না। ক্রেতারা বলছেন, মাছের রাজা এই লোভনীয় ইলিশ এখন বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জেলেদের ভাষ্যমতে, এ বছর সাগরে ইলিশের উৎপাদন ভালো হলেও জালে ধরা পড়ছে তুলনামূলক কম, বিশেষ করে বড় আকারের মাছ। ফলে বাজারে সরবরাহ কম, দাম বেশি। বিক্রেতাদের দাবি, এর আগে কখনো এত বেশি দাম হয়নি।
বাজার নিয়ন্ত্রণে যৌক্তিক দাম নির্ধারণে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে নির্দেশনা থাকলেও দুই মাস পার হলেও কার্যকর হয়নি। সংশ্লিষ্টদের মতে, সিন্ডিকেট ও মধ্যস্বত্বভোগীদের কব্জায় থাকার কারণেই বাজার বেসামাল।
ডুমুরিয়ার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান জানান, ইলিশ প্রাপ্তি অনেকাংশে অমাবস্যা-পূর্ণিমা ও বৃষ্টির ওপর নির্ভরশীল। আগামী ভাদ্র ও আশ্বিন মাসে আশানুরূপ ইলিশ ধরা পড়ার সম্ভাবনা আছে, তখন দামও কিছুটা কমতে পারে। তবে জাটকা নিধন নিয়ন্ত্রণে না আনলে দীর্ঘমেয়াদে সংকট কাটানো কঠিন হবে।
চরম আয় বৈষম্যের কারণে ইলিশ মাছ এখন সবার ঘরে তুলতে পারা স্বাভাবিক নয়। ডুমুরিয়া বাজারের ব্যবসায়ী শেখ আব্দুস সালাম বলেন, “আমার যত টাকাই থাকুক, তিন হাজার টাকা দিয়ে একটা ইলিশ কেনা সম্ভব নয়।”
ইলিশ গবেষক ও মৎস্যবিজ্ঞানী ড. মো. আনিছুর রহমান বলেন, “এ দেশে ইলিশের প্রাচুর্য আছে। তারপরও এর এত দাম মেনে নেওয়া যায় না। এবারের পরিস্থিতি সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক।”

আপনার মতামত লিখুন