পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, “শুভাঢ্যা খালটাকে আমরা আবারও ধলেশ্বরী ও বুড়িগঙ্গার সাথে প্রবাহমান করে সমৃদ্ধ করে দিতে চাই, এটাই হোক আজকের প্রত্যাশা।”
তিনি আরও বলেন, “খালটা আমাদের জাতীয় স্বার্থে ফিরিয়ে আনতে হবে। এটি সাধারণ কোনো খাল নয়, বরং বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরী নদীকে সংযুক্ত করা একটি বিশেষ জলাধার।”
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) ঢাকার কেরানীগঞ্জে ঝাউবাড়ি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় “ঢাকা জেলার কেরাণীগঞ্জ উপজেলাধীন শুভাঢ্যা খাল পুনঃখনন এবং খালের উভয় পাড়ের উন্নয়ন ও সুরক্ষা (১ম পর্যায়)” শীর্ষক প্রকল্পের বাস্তব কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা জানান, শুভাঢ্যা খাল গভীরভাবে খনন করা হবে এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে। ভবিষ্যতে দখল রোধে খালের পাড় ঢালাই করে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে। তিনি বলেন, “এ খাল পুনঃখননের কাজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী করছে। এলাকাবাসীর প্রতি অনুরোধ থাকবে, সেনাবাহিনীকে পূর্ণ সহযোগিতা করবেন।”
রিজওয়ানা হাসান বলেন, “খালের পানি নীল-স্বচ্ছ করতে হলে কারখানার বর্জ্য, পয়ঃবর্জ্য এবং গৃহস্থালীর বর্জ্য খালে ফেলা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। এ বিষয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে।”
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, “শুভাঢ্যা খাল এ এলাকার ঐতিহ্যবাহী প্রাকৃতিক সম্পদ, যা পানির প্রবাহ, কৃষি ও মৎস্য আহরণের সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত। পুনঃখনন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে জলাবদ্ধতা কমবে, জীববৈচিত্র্য ফিরবে, দূষণ ও দুর্গন্ধ কমবে।”
তিনি অসাধু ভূমিদস্যুদের দখল ও ভরাট কার্যক্রমের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, ৩১৭ কোটি ৫৯ লক্ষ টাকা ব্যয়ে শুভাঢ্যা খাল পুনঃখনন ও খালপাড় সুরক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড, যা তত্ত্বাবধান করবে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সেনা সদরের ইঞ্জিনিয়ার ইন চীফ মেজর জেনারেল মু. হাসান-উজ-জামান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোকাব্বির হোসেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. এজাজ, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, ঢাকা জেলা প্রশাসক তানভীর আহমেদসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো. এনায়েত উল্লাহ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৫
পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, “শুভাঢ্যা খালটাকে আমরা আবারও ধলেশ্বরী ও বুড়িগঙ্গার সাথে প্রবাহমান করে সমৃদ্ধ করে দিতে চাই, এটাই হোক আজকের প্রত্যাশা।”
তিনি আরও বলেন, “খালটা আমাদের জাতীয় স্বার্থে ফিরিয়ে আনতে হবে। এটি সাধারণ কোনো খাল নয়, বরং বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরী নদীকে সংযুক্ত করা একটি বিশেষ জলাধার।”
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) ঢাকার কেরানীগঞ্জে ঝাউবাড়ি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় “ঢাকা জেলার কেরাণীগঞ্জ উপজেলাধীন শুভাঢ্যা খাল পুনঃখনন এবং খালের উভয় পাড়ের উন্নয়ন ও সুরক্ষা (১ম পর্যায়)” শীর্ষক প্রকল্পের বাস্তব কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা জানান, শুভাঢ্যা খাল গভীরভাবে খনন করা হবে এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে। ভবিষ্যতে দখল রোধে খালের পাড় ঢালাই করে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে। তিনি বলেন, “এ খাল পুনঃখননের কাজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী করছে। এলাকাবাসীর প্রতি অনুরোধ থাকবে, সেনাবাহিনীকে পূর্ণ সহযোগিতা করবেন।”
রিজওয়ানা হাসান বলেন, “খালের পানি নীল-স্বচ্ছ করতে হলে কারখানার বর্জ্য, পয়ঃবর্জ্য এবং গৃহস্থালীর বর্জ্য খালে ফেলা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। এ বিষয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে।”
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, “শুভাঢ্যা খাল এ এলাকার ঐতিহ্যবাহী প্রাকৃতিক সম্পদ, যা পানির প্রবাহ, কৃষি ও মৎস্য আহরণের সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত। পুনঃখনন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে জলাবদ্ধতা কমবে, জীববৈচিত্র্য ফিরবে, দূষণ ও দুর্গন্ধ কমবে।”
তিনি অসাধু ভূমিদস্যুদের দখল ও ভরাট কার্যক্রমের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, ৩১৭ কোটি ৫৯ লক্ষ টাকা ব্যয়ে শুভাঢ্যা খাল পুনঃখনন ও খালপাড় সুরক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড, যা তত্ত্বাবধান করবে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সেনা সদরের ইঞ্জিনিয়ার ইন চীফ মেজর জেনারেল মু. হাসান-উজ-জামান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোকাব্বির হোসেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. এজাজ, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, ঢাকা জেলা প্রশাসক তানভীর আহমেদসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো. এনায়েত উল্লাহ।

আপনার মতামত লিখুন