নজর বিডি
প্রকাশ : শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫

খুলনায় চিংড়ি চাষে সিনবায়োটিক প্রযুক্তি বিষয়ক কর্মশালা

খুলনায় চিংড়ি চাষে সিনবায়োটিক প্রযুক্তি বিষয়ক কর্মশালা

বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় চিংড়ি চাষে সিনবায়োটিক প্রযুক্তি বিকাশের ওপর গবেষণা ফলাফল উপস্থাপন সংক্রান্ত কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ১০টায় মৎস্য অধিদপ্তর, খুলনা বিভাগের পরিচালকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, পরিচালক, মৎস্য অধিদপ্তর, খুলনা বিভাগ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ জিয়া হায়দার চৌধুরী, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (সি.সি.) ও প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব), এসসিএমএফপি, ডিওএফ, ঢাকা।

তিনি বলেন, “জলবায়ু কোনো স্থানের সুদীর্ঘ সময়ের আবহাওয়ার গড় বা সামগ্রিক অবস্থার হিসাব। এর পরিবর্তন একটি ধীর ও চলমান প্রক্রিয়া। বাংলাদেশের জলবায়ু মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু নামে পরিচিত। জলবায়ুর পরিবর্তনের সঙ্গে চিংড়ি চাষের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ। এ কারণে টেকসই প্রযুক্তি বিকাশ জরুরি।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মোঃ শাহেদ আলী, অধ্যক্ষ ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (পরিকল্পনা ও জরিপ, সি.সি.), মৎস্য অধিদপ্তর, ঢাকা।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. সৈয়দ হাফিজুর রহমান, অধ্যাপক, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রধান গবেষক।

এছাড়া বক্তব্য দেন—

  • মনিষ কুমার মন্ডল, উপপ্রকল্প পরিচালক, এসসিএমএফপি, মৎস্য অধিদপ্তর, ঢাকা

  • মোঃ মুশফিক সালেহীন, সহকারী প্রকল্প পরিচালক, এসসিএমএফপি

  • মোঃ মনিরুল মামুন, সিনিয়র সহকারী পরিচালক, খুলনা বিভাগ

  • মোঃ মঈনুল ইসলাম, সহকারী প্রকল্প পরিচালক, এসসিএমএফপি

গবেষণা প্রণয়নে অংশ নেন—
ড. সৈয়দ হাফিজুর রহমান (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়), সরোজ কুমার মিস্ত্রী (জেলা মৎস্য দপ্তর, নওগাঁ), ড. মোঃ আসাদুজ্জামান মানিক (খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়), ড. মোহাম্মদ শরিফুল আজম (এসসিএমএফপি), মোঃ আবদুল্লাহ-আল-মামুন (মৎস্য অধিদপ্তর, খুলনা বিভাগ) ও মোঃ শমসের আলী (মেরিন ফিশারিজ অফিসার, খুলনা বিভাগ)।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় চিংড়ি চাষে সিনবায়োটিক প্রযুক্তি ব্যবহার করলে উৎপাদন বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং রোগ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


খুলনায় চিংড়ি চাষে সিনবায়োটিক প্রযুক্তি বিষয়ক কর্মশালা

প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৫

featured Image

বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় চিংড়ি চাষে সিনবায়োটিক প্রযুক্তি বিকাশের ওপর গবেষণা ফলাফল উপস্থাপন সংক্রান্ত কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ১০টায় মৎস্য অধিদপ্তর, খুলনা বিভাগের পরিচালকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, পরিচালক, মৎস্য অধিদপ্তর, খুলনা বিভাগ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ জিয়া হায়দার চৌধুরী, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (সি.সি.) ও প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব), এসসিএমএফপি, ডিওএফ, ঢাকা।

তিনি বলেন, “জলবায়ু কোনো স্থানের সুদীর্ঘ সময়ের আবহাওয়ার গড় বা সামগ্রিক অবস্থার হিসাব। এর পরিবর্তন একটি ধীর ও চলমান প্রক্রিয়া। বাংলাদেশের জলবায়ু মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু নামে পরিচিত। জলবায়ুর পরিবর্তনের সঙ্গে চিংড়ি চাষের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ। এ কারণে টেকসই প্রযুক্তি বিকাশ জরুরি।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মোঃ শাহেদ আলী, অধ্যক্ষ ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (পরিকল্পনা ও জরিপ, সি.সি.), মৎস্য অধিদপ্তর, ঢাকা।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. সৈয়দ হাফিজুর রহমান, অধ্যাপক, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রধান গবেষক।

এছাড়া বক্তব্য দেন—

  • মনিষ কুমার মন্ডল, উপপ্রকল্প পরিচালক, এসসিএমএফপি, মৎস্য অধিদপ্তর, ঢাকা

  • মোঃ মুশফিক সালেহীন, সহকারী প্রকল্প পরিচালক, এসসিএমএফপি

  • মোঃ মনিরুল মামুন, সিনিয়র সহকারী পরিচালক, খুলনা বিভাগ

  • মোঃ মঈনুল ইসলাম, সহকারী প্রকল্প পরিচালক, এসসিএমএফপি

গবেষণা প্রণয়নে অংশ নেন—
ড. সৈয়দ হাফিজুর রহমান (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়), সরোজ কুমার মিস্ত্রী (জেলা মৎস্য দপ্তর, নওগাঁ), ড. মোঃ আসাদুজ্জামান মানিক (খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়), ড. মোহাম্মদ শরিফুল আজম (এসসিএমএফপি), মোঃ আবদুল্লাহ-আল-মামুন (মৎস্য অধিদপ্তর, খুলনা বিভাগ) ও মোঃ শমসের আলী (মেরিন ফিশারিজ অফিসার, খুলনা বিভাগ)।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় চিংড়ি চাষে সিনবায়োটিক প্রযুক্তি ব্যবহার করলে উৎপাদন বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং রোগ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন সম্ভব হবে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত