খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় আগাম শীতকালীন শিম চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। মৌসুমের শুরুতেই খর্নিয়া ইউনিয়নের টিপনা গ্রামের মো. হাবিবুর রহমানসহ অনেক কৃষক অধিক লাভের আশায় আগাম জাতের শিম আবাদ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার শিমে বাম্পার ফলন হয়েছে, বাজারদরও ভালো থাকায় কৃষকরা বাজিমাত করেছেন।
কৃষক হাবিবুর রহমান প্রায় ৩০-৩৫ শতাংশ জমিতে বারি জাতের উচ্চফলনশীল শিম আবাদ করেছেন। ২ সেপ্টেম্বর বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, তার ক্ষেতজুড়ে থোকায় থোকায় শিম ঝুলছে। তিনি জানান, প্রতিবছরই বিভিন্ন সবজি চাষ করলেও এবার শিমের ফলন ও বাজারদর তাকে আশাবাদী করে তুলেছে। কৃষি অফিসের নিয়মিত পরামর্শ ও আবহাওয়ার অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হচ্ছে।
একই এলাকার শিম চাষী শেখ জাহাঙ্গীর আলম ও খালেক গাজী জানান, প্রতি বিঘা জমিতে শিম চাষে শ্রমিক, সার, পানি, সুতা ও কীটনাশক বাবদ ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এক বিঘা জমি থেকেই এক লাখ টাকার বেশি আয় করা সম্ভব।
শিক্ষক ও শিম চাষী শেখ মাহতাব হোসেন বলেন, লিজ ঘেরের আইলের জমিতে বারি-১ জাতের শিম চাষ করেছেন তিনি। বর্তমানে ক্ষেতজুড়ে ফুল এসেছে। পরিচর্যা ঠিকভাবে করতে পারলে সপ্তাহে দুইবার ৪-৫ মণ শিম তোলা যাবে। আগাম বাজারদর ভালো থাকায় তিনি স্বাবলম্বী হয়েছেন। তার সাফল্য দেখে আরও অনেক কৃষক আগ্রহী হচ্ছেন।

খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. নজরুল ইসলাম জানান, শিম চাষ এখন সারা বছরই চলছে। শিম বাংলাদেশের একটি প্রাচীন সবজি, যা কৃষকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে দাম ভালো থাকায় কৃষকরা এতে লাভবান হচ্ছেন। আগাম শিম স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছে। খুলনা জেলায় এবার প্রায় ৫৪০ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের শিম আবাদ হয়েছে।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. ইন্সাদ ইবনে আমিন জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ২,৪০০ হেক্টর জমিতে সবজির আবাদ হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৩১৫ হেক্টর জমিতে শিম চাষ হয়েছে। বাজারে সবজির দাম ভালো থাকায় কৃষকরা আগাম সবজি চাষের দিকে ঝুঁকছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় আগাম শীতকালীন শিম চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। মৌসুমের শুরুতেই খর্নিয়া ইউনিয়নের টিপনা গ্রামের মো. হাবিবুর রহমানসহ অনেক কৃষক অধিক লাভের আশায় আগাম জাতের শিম আবাদ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার শিমে বাম্পার ফলন হয়েছে, বাজারদরও ভালো থাকায় কৃষকরা বাজিমাত করেছেন।
কৃষক হাবিবুর রহমান প্রায় ৩০-৩৫ শতাংশ জমিতে বারি জাতের উচ্চফলনশীল শিম আবাদ করেছেন। ২ সেপ্টেম্বর বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, তার ক্ষেতজুড়ে থোকায় থোকায় শিম ঝুলছে। তিনি জানান, প্রতিবছরই বিভিন্ন সবজি চাষ করলেও এবার শিমের ফলন ও বাজারদর তাকে আশাবাদী করে তুলেছে। কৃষি অফিসের নিয়মিত পরামর্শ ও আবহাওয়ার অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হচ্ছে।
একই এলাকার শিম চাষী শেখ জাহাঙ্গীর আলম ও খালেক গাজী জানান, প্রতি বিঘা জমিতে শিম চাষে শ্রমিক, সার, পানি, সুতা ও কীটনাশক বাবদ ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এক বিঘা জমি থেকেই এক লাখ টাকার বেশি আয় করা সম্ভব।
শিক্ষক ও শিম চাষী শেখ মাহতাব হোসেন বলেন, লিজ ঘেরের আইলের জমিতে বারি-১ জাতের শিম চাষ করেছেন তিনি। বর্তমানে ক্ষেতজুড়ে ফুল এসেছে। পরিচর্যা ঠিকভাবে করতে পারলে সপ্তাহে দুইবার ৪-৫ মণ শিম তোলা যাবে। আগাম বাজারদর ভালো থাকায় তিনি স্বাবলম্বী হয়েছেন। তার সাফল্য দেখে আরও অনেক কৃষক আগ্রহী হচ্ছেন।

খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. নজরুল ইসলাম জানান, শিম চাষ এখন সারা বছরই চলছে। শিম বাংলাদেশের একটি প্রাচীন সবজি, যা কৃষকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে দাম ভালো থাকায় কৃষকরা এতে লাভবান হচ্ছেন। আগাম শিম স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছে। খুলনা জেলায় এবার প্রায় ৫৪০ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের শিম আবাদ হয়েছে।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. ইন্সাদ ইবনে আমিন জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ২,৪০০ হেক্টর জমিতে সবজির আবাদ হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৩১৫ হেক্টর জমিতে শিম চাষ হয়েছে। বাজারে সবজির দাম ভালো থাকায় কৃষকরা আগাম সবজি চাষের দিকে ঝুঁকছেন।

আপনার মতামত লিখুন