খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার নলঘোনা বিলে মাচা পদ্ধতিতে চাষ হচ্ছে বর্ষাকালীন তরমুজ। মিষ্টি ও সুস্বাদু হওয়ায় স্থানীয় বাজার ছাড়াও বাইরের বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে এখানকার উৎপাদিত তরমুজ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল বাজারে সরবরাহ শুরু হয়েছে।
কৃষকরা জানান, জমিতে পানি জমে থাকার কারণে বিকল্প হিসেবে মাচা পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে। একই ঘেরে মাছ চাষের পাশাপাশি আইলে তরমুজ ও শাকসবজি চাষ করা হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির ফলে প্রতিকূল পরিবেশেও কৃষকরা সফল হচ্ছেন।
ডুমুরিয়ার তরমুজ আকারে আকর্ষণীয় ও মিষ্টি স্বাদের হওয়ায় এর চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। একেকটি তরমুজের ওজন ৪ থেকে ৫ কেজি, এমনকি তারও বেশি। ভিতরে টকটকে লাল রঙ, স্বাদে অতুলনীয়। নলঘোনা, রাজিবপুর দক্ষিণমহল, রাজাপুর, মৈখালী, ঘোনাবান্দা, উলা, তালতলা, লোহাইডাঙ্গা ও কাটাখালী এলাকার ৪-৫ শতাধিক কৃষক এ বছর বর্ষাকালীন তরমুজ চাষ করেছেন। অতিবৃষ্টির কারণে ফলন কিছুটা কম হলেও বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় তারা আশাবাদী। প্রতি বিঘায় ২০-২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চাষিরা।
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজিবপুর দক্ষিণমহল তালতলা মোড়ে সরেজমিনে দেখা যায়, ট্রাকে করে নলঘোনা বিলের তরমুজ শ্রীমঙ্গলে পাঠানো হচ্ছে। কৃষক মো. ওসমান গনি জানান, তিনি প্রথমবার আড়াই বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। শুরুতে প্রতি কেজি ৫০-৫৫ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে ৩৬-৩৭ টাকায় বিক্রি করছেন। কৃষক আবুল কালাম শেখ বলেন, তিনি দুই একর জমিতে চাষ করেছেন এবং ভালো দাম পাওয়ায় যথেষ্ট লাভের আশা করছেন।
তরমুজ ব্যবসায়ী নাজমুল গাজি ও হাফিজুর রহমান জানান, স্থানীয় বাজারের তুলনায় বাইরের বাজারে দাম বেশি হওয়ায় শ্রীমঙ্গল বাজারেই তারা বিক্রি করছেন। যদিও ট্রাক ভাড়া বেশি, তারপরও লাভ হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ইনসাদ ইবনে আমিন বলেন, “ডুমুরিয়ায় এ বছর ২৩০ হেক্টর জমিতে অফসিজন তরমুজ চাষ হয়েছে। হেক্টরপ্রতি উৎপাদন হয়েছে ৪০ থেকে ৪৫ মেট্রিক টন। বিশেষ করে নলঘোনা, কুলবাড়িয়া, খুটোখালী, শোভনা, আটলিয়া ও পাতিবুনিয়া অঞ্চলে ব্যাপক চাষ হয়েছে।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার নলঘোনা বিলে মাচা পদ্ধতিতে চাষ হচ্ছে বর্ষাকালীন তরমুজ। মিষ্টি ও সুস্বাদু হওয়ায় স্থানীয় বাজার ছাড়াও বাইরের বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে এখানকার উৎপাদিত তরমুজ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল বাজারে সরবরাহ শুরু হয়েছে।
কৃষকরা জানান, জমিতে পানি জমে থাকার কারণে বিকল্প হিসেবে মাচা পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে। একই ঘেরে মাছ চাষের পাশাপাশি আইলে তরমুজ ও শাকসবজি চাষ করা হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির ফলে প্রতিকূল পরিবেশেও কৃষকরা সফল হচ্ছেন।
ডুমুরিয়ার তরমুজ আকারে আকর্ষণীয় ও মিষ্টি স্বাদের হওয়ায় এর চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। একেকটি তরমুজের ওজন ৪ থেকে ৫ কেজি, এমনকি তারও বেশি। ভিতরে টকটকে লাল রঙ, স্বাদে অতুলনীয়। নলঘোনা, রাজিবপুর দক্ষিণমহল, রাজাপুর, মৈখালী, ঘোনাবান্দা, উলা, তালতলা, লোহাইডাঙ্গা ও কাটাখালী এলাকার ৪-৫ শতাধিক কৃষক এ বছর বর্ষাকালীন তরমুজ চাষ করেছেন। অতিবৃষ্টির কারণে ফলন কিছুটা কম হলেও বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় তারা আশাবাদী। প্রতি বিঘায় ২০-২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চাষিরা।
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজিবপুর দক্ষিণমহল তালতলা মোড়ে সরেজমিনে দেখা যায়, ট্রাকে করে নলঘোনা বিলের তরমুজ শ্রীমঙ্গলে পাঠানো হচ্ছে। কৃষক মো. ওসমান গনি জানান, তিনি প্রথমবার আড়াই বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। শুরুতে প্রতি কেজি ৫০-৫৫ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে ৩৬-৩৭ টাকায় বিক্রি করছেন। কৃষক আবুল কালাম শেখ বলেন, তিনি দুই একর জমিতে চাষ করেছেন এবং ভালো দাম পাওয়ায় যথেষ্ট লাভের আশা করছেন।
তরমুজ ব্যবসায়ী নাজমুল গাজি ও হাফিজুর রহমান জানান, স্থানীয় বাজারের তুলনায় বাইরের বাজারে দাম বেশি হওয়ায় শ্রীমঙ্গল বাজারেই তারা বিক্রি করছেন। যদিও ট্রাক ভাড়া বেশি, তারপরও লাভ হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ইনসাদ ইবনে আমিন বলেন, “ডুমুরিয়ায় এ বছর ২৩০ হেক্টর জমিতে অফসিজন তরমুজ চাষ হয়েছে। হেক্টরপ্রতি উৎপাদন হয়েছে ৪০ থেকে ৪৫ মেট্রিক টন। বিশেষ করে নলঘোনা, কুলবাড়িয়া, খুটোখালী, শোভনা, আটলিয়া ও পাতিবুনিয়া অঞ্চলে ব্যাপক চাষ হয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন