নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কারে দুটি ভিন্ন পদ্ধতির সমন্বয়ের সুপারিশ এসেছে—নিম্নকক্ষে আসনভিত্তিক নির্বাচন এবং উচ্চকক্ষে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (Proportional Representation বা PR)। এই প্রস্তাব এসেছে দুটি পৃথক সংস্কার কমিশনের পক্ষ থেকে।এ তথ্য জানিয়েছেন নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান এবং সুজন (সুশাসনের জন্য নাগরিক) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে মেহেরপুরের গাংনীতে সুজন আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
ড. মজুমদার বলেন, “উভয় পদ্ধতিরই কিছু ইতিবাচক এবং কিছু নেতিবাচক দিক রয়েছে। কোনোটিই নিখুঁত নয়, তবে দুটি পদ্ধতির সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থা তৈরি সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক ঐকমত্য।”
মতবিনিময় সভায় দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের পিএফজি, ইয়ুথ লিডার এবং সুজন নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার এবং দি হাঙ্গার প্রজেক্টের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী তাজিমা হোসেন মজুমদার।সুজন গাংনী উপজেলা শাখার সভাপতি মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বক্তব্য রাখেন:সুজন মেহেরপুর জেলা শাখার সম্পাদক সৈয়দ জাকির হোসেন,গাংনী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু গাংনী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও পিএফজির পিস অ্যাম্বাসেডর জুলফিকার আলি ভুট্টো উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দাল হক পিসঅ্যাম্বাসেডর জাকিয়া আক্তার আল্পনা,গাংনী মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মহিবুর রহমান মিন্টু,গাংনী প্রেস ক্লাব সভাপতি তৌহিদ-উদ-দৌলা রেজা এবং সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম।সভায় বক্তারা নির্বাচন ব্যবস্থার যুগোপযোগী সংস্কারের উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ পদ্ধতির পক্ষে মত দেন।
নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কারে দুটি ভিন্ন পদ্ধতির সমন্বয়ের সুপারিশ এসেছে—নিম্নকক্ষে আসনভিত্তিক নির্বাচন এবং উচ্চকক্ষে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (Proportional Representation বা PR)। এই প্রস্তাব এসেছে দুটি পৃথক সংস্কার কমিশনের পক্ষ থেকে।এ তথ্য জানিয়েছেন নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান এবং সুজন (সুশাসনের জন্য নাগরিক) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে মেহেরপুরের গাংনীতে সুজন আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
ড. মজুমদার বলেন, “উভয় পদ্ধতিরই কিছু ইতিবাচক এবং কিছু নেতিবাচক দিক রয়েছে। কোনোটিই নিখুঁত নয়, তবে দুটি পদ্ধতির সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থা তৈরি সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক ঐকমত্য।”
মতবিনিময় সভায় দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের পিএফজি, ইয়ুথ লিডার এবং সুজন নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার এবং দি হাঙ্গার প্রজেক্টের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী তাজিমা হোসেন মজুমদার।সুজন গাংনী উপজেলা শাখার সভাপতি মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বক্তব্য রাখেন:সুজন মেহেরপুর জেলা শাখার সম্পাদক সৈয়দ জাকির হোসেন,গাংনী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু গাংনী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও পিএফজির পিস অ্যাম্বাসেডর জুলফিকার আলি ভুট্টো উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দাল হক পিসঅ্যাম্বাসেডর জাকিয়া আক্তার আল্পনা,গাংনী মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মহিবুর রহমান মিন্টু,গাংনী প্রেস ক্লাব সভাপতি তৌহিদ-উদ-দৌলা রেজা এবং সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম।সভায় বক্তারা নির্বাচন ব্যবস্থার যুগোপযোগী সংস্কারের উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ পদ্ধতির পক্ষে মত দেন।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন