ভারত থেকে চাল আমদানি বাড়ায় খুলনার ডুমুরিয়ায় নাজিরশাইল ও মোটা জাতের চালের দাম কিছুটা কমেছে। তবে সবজি, পেঁয়াজ ও মাছের বাজারে চড়া দাম অব্যাহত থাকায় ভোক্তাদের স্বস্তি মিলছে না।
ডুমুরিয়ার বিভিন্ন বাজার ঘুরে শুক্রবার দেখা গেছে, নাজিরশাইল চাল কেজিপ্রতি ৮৪-৮৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ৯০-৯২ টাকা। পায়জাম ও স্বর্ণা জাতের চাল কেজিপ্রতি ৫৬-৬০ টাকায় নামলেও জনপ্রিয় মিনিকেট চালের দাম অপরিবর্তিত থেকে ৭৮-৮৫ টাকার মধ্যে রয়েছে।
চাল বিক্রেতারা জানান, ভারত থেকে আমদানি হওয়ায় মোকামে চালের দাম বস্তাপ্রতি ১০০-১২০ টাকা কমেছে। তবে দেশি মিনিকেট ও পুরোনো চালের বাজারদর আগের মতোই আছে।
সবজির বাজারে কিছুটা পতন হলেও এখনও দাম স্বস্তিদায়ক নয়। বর্তমানে পটোল, ঢ্যাঁড়শ, ঝিঙা কেজিপ্রতি ৬০-৮০ টাকা, করলা, বেগুন, বরবটি, চিচিঙ্গা ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আলু কেজিপ্রতি ৩০ টাকা ও পেঁপে ৪০ টাকায় পাওয়া গেলেও পেঁয়াজের দাম সামান্য কমে এখন ৬৫-৭০ টাকার মধ্যে রয়েছে।
মাছের বাজারে দাম আরও বেশি চড়া। স্থানীয় বাজারে এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ প্রতি পিস ২-৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৭০০ গ্রামের একহালি ইলিশের দাম উঠেছে ৪ হাজার টাকা। চাষের চিংড়ি ৭৫০-৮০০ টাকা ও নদীর চিংড়ি ১০০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চাষের রুই ৩৫০-৪২০, তেলাপিয়া ২২০-২৬০ ও পাঙ্গাশ ২০০-২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
এদিকে, ব্রয়লার মুরগি (১৭০-১৮০ টাকা) ও সোনালি মুরগি (৩০০-৩২০ টাকা) এবং ডিম (প্রতি ডজন ১৩৫-১৪০ টাকা) আগের মতোই বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা জানান, চালের দাম আরও কিছুটা কমার সম্ভাবনা থাকলেও সবজি ও মাছের বাজারে এখনই বড় ধরনের স্বস্তি ফেরার কোনো লক্ষণ নেই।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ভারত থেকে চাল আমদানি বাড়ায় খুলনার ডুমুরিয়ায় নাজিরশাইল ও মোটা জাতের চালের দাম কিছুটা কমেছে। তবে সবজি, পেঁয়াজ ও মাছের বাজারে চড়া দাম অব্যাহত থাকায় ভোক্তাদের স্বস্তি মিলছে না।
ডুমুরিয়ার বিভিন্ন বাজার ঘুরে শুক্রবার দেখা গেছে, নাজিরশাইল চাল কেজিপ্রতি ৮৪-৮৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ৯০-৯২ টাকা। পায়জাম ও স্বর্ণা জাতের চাল কেজিপ্রতি ৫৬-৬০ টাকায় নামলেও জনপ্রিয় মিনিকেট চালের দাম অপরিবর্তিত থেকে ৭৮-৮৫ টাকার মধ্যে রয়েছে।
চাল বিক্রেতারা জানান, ভারত থেকে আমদানি হওয়ায় মোকামে চালের দাম বস্তাপ্রতি ১০০-১২০ টাকা কমেছে। তবে দেশি মিনিকেট ও পুরোনো চালের বাজারদর আগের মতোই আছে।
সবজির বাজারে কিছুটা পতন হলেও এখনও দাম স্বস্তিদায়ক নয়। বর্তমানে পটোল, ঢ্যাঁড়শ, ঝিঙা কেজিপ্রতি ৬০-৮০ টাকা, করলা, বেগুন, বরবটি, চিচিঙ্গা ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আলু কেজিপ্রতি ৩০ টাকা ও পেঁপে ৪০ টাকায় পাওয়া গেলেও পেঁয়াজের দাম সামান্য কমে এখন ৬৫-৭০ টাকার মধ্যে রয়েছে।
মাছের বাজারে দাম আরও বেশি চড়া। স্থানীয় বাজারে এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ প্রতি পিস ২-৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৭০০ গ্রামের একহালি ইলিশের দাম উঠেছে ৪ হাজার টাকা। চাষের চিংড়ি ৭৫০-৮০০ টাকা ও নদীর চিংড়ি ১০০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চাষের রুই ৩৫০-৪২০, তেলাপিয়া ২২০-২৬০ ও পাঙ্গাশ ২০০-২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
এদিকে, ব্রয়লার মুরগি (১৭০-১৮০ টাকা) ও সোনালি মুরগি (৩০০-৩২০ টাকা) এবং ডিম (প্রতি ডজন ১৩৫-১৪০ টাকা) আগের মতোই বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা জানান, চালের দাম আরও কিছুটা কমার সম্ভাবনা থাকলেও সবজি ও মাছের বাজারে এখনই বড় ধরনের স্বস্তি ফেরার কোনো লক্ষণ নেই।

আপনার মতামত লিখুন