নজর বিডি
প্রকাশ : শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ডুমুরিয়ায় চালের দাম কমলেও সবজি-পেঁয়াজে স্বস্তি নেই

ডুমুরিয়ায় চালের দাম কমলেও সবজি-পেঁয়াজে স্বস্তি নেই

ভারত থেকে চাল আমদানি বাড়ায় খুলনার ডুমুরিয়ায় নাজিরশাইল ও মোটা জাতের চালের দাম কিছুটা কমেছে। তবে সবজি, পেঁয়াজ ও মাছের বাজারে চড়া দাম অব্যাহত থাকায় ভোক্তাদের স্বস্তি মিলছে না।

ডুমুরিয়ার বিভিন্ন বাজার ঘুরে শুক্রবার দেখা গেছে, নাজিরশাইল চাল কেজিপ্রতি ৮৪-৮৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ৯০-৯২ টাকা। পায়জাম ও স্বর্ণা জাতের চাল কেজিপ্রতি ৫৬-৬০ টাকায় নামলেও জনপ্রিয় মিনিকেট চালের দাম অপরিবর্তিত থেকে ৭৮-৮৫ টাকার মধ্যে রয়েছে।

চাল বিক্রেতারা জানান, ভারত থেকে আমদানি হওয়ায় মোকামে চালের দাম বস্তাপ্রতি ১০০-১২০ টাকা কমেছে। তবে দেশি মিনিকেট ও পুরোনো চালের বাজারদর আগের মতোই আছে।

সবজির বাজারে কিছুটা পতন হলেও এখনও দাম স্বস্তিদায়ক নয়। বর্তমানে পটোল, ঢ্যাঁড়শ, ঝিঙা কেজিপ্রতি ৬০-৮০ টাকা, করলা, বেগুন, বরবটি, চিচিঙ্গা ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আলু কেজিপ্রতি ৩০ টাকা ও পেঁপে ৪০ টাকায় পাওয়া গেলেও পেঁয়াজের দাম সামান্য কমে এখন ৬৫-৭০ টাকার মধ্যে রয়েছে।

মাছের বাজারে দাম আরও বেশি চড়া। স্থানীয় বাজারে এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ প্রতি পিস ২-৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৭০০ গ্রামের একহালি ইলিশের দাম উঠেছে ৪ হাজার টাকা। চাষের চিংড়ি ৭৫০-৮০০ টাকা ও নদীর চিংড়ি ১০০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চাষের রুই ৩৫০-৪২০, তেলাপিয়া ২২০-২৬০ ও পাঙ্গাশ ২০০-২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এদিকে, ব্রয়লার মুরগি (১৭০-১৮০ টাকা) ও সোনালি মুরগি (৩০০-৩২০ টাকা) এবং ডিম (প্রতি ডজন ১৩৫-১৪০ টাকা) আগের মতোই বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, চালের দাম আরও কিছুটা কমার সম্ভাবনা থাকলেও সবজি ও মাছের বাজারে এখনই বড় ধরনের স্বস্তি ফেরার কোনো লক্ষণ নেই।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


ডুমুরিয়ায় চালের দাম কমলেও সবজি-পেঁয়াজে স্বস্তি নেই

প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image

ভারত থেকে চাল আমদানি বাড়ায় খুলনার ডুমুরিয়ায় নাজিরশাইল ও মোটা জাতের চালের দাম কিছুটা কমেছে। তবে সবজি, পেঁয়াজ ও মাছের বাজারে চড়া দাম অব্যাহত থাকায় ভোক্তাদের স্বস্তি মিলছে না।

ডুমুরিয়ার বিভিন্ন বাজার ঘুরে শুক্রবার দেখা গেছে, নাজিরশাইল চাল কেজিপ্রতি ৮৪-৮৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ৯০-৯২ টাকা। পায়জাম ও স্বর্ণা জাতের চাল কেজিপ্রতি ৫৬-৬০ টাকায় নামলেও জনপ্রিয় মিনিকেট চালের দাম অপরিবর্তিত থেকে ৭৮-৮৫ টাকার মধ্যে রয়েছে।

চাল বিক্রেতারা জানান, ভারত থেকে আমদানি হওয়ায় মোকামে চালের দাম বস্তাপ্রতি ১০০-১২০ টাকা কমেছে। তবে দেশি মিনিকেট ও পুরোনো চালের বাজারদর আগের মতোই আছে।

সবজির বাজারে কিছুটা পতন হলেও এখনও দাম স্বস্তিদায়ক নয়। বর্তমানে পটোল, ঢ্যাঁড়শ, ঝিঙা কেজিপ্রতি ৬০-৮০ টাকা, করলা, বেগুন, বরবটি, চিচিঙ্গা ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আলু কেজিপ্রতি ৩০ টাকা ও পেঁপে ৪০ টাকায় পাওয়া গেলেও পেঁয়াজের দাম সামান্য কমে এখন ৬৫-৭০ টাকার মধ্যে রয়েছে।

মাছের বাজারে দাম আরও বেশি চড়া। স্থানীয় বাজারে এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ প্রতি পিস ২-৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৭০০ গ্রামের একহালি ইলিশের দাম উঠেছে ৪ হাজার টাকা। চাষের চিংড়ি ৭৫০-৮০০ টাকা ও নদীর চিংড়ি ১০০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চাষের রুই ৩৫০-৪২০, তেলাপিয়া ২২০-২৬০ ও পাঙ্গাশ ২০০-২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এদিকে, ব্রয়লার মুরগি (১৭০-১৮০ টাকা) ও সোনালি মুরগি (৩০০-৩২০ টাকা) এবং ডিম (প্রতি ডজন ১৩৫-১৪০ টাকা) আগের মতোই বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, চালের দাম আরও কিছুটা কমার সম্ভাবনা থাকলেও সবজি ও মাছের বাজারে এখনই বড় ধরনের স্বস্তি ফেরার কোনো লক্ষণ নেই।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত