নজর বিডি
প্রকাশ : রোববার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ডুমুরিয়ায় ১৭ নৌযান মালিককে আর্টিসানাল ফিশিং ট্রলারের অনুমতিপত্র প্রদান

ডুমুরিয়ায় ১৭ নৌযান মালিককে আর্টিসানাল ফিশিং ট্রলারের অনুমতিপত্র প্রদান

খুলনার ডুমুরিয়ায় একদিনে মোট ১৭ জন নৌযান মালিককে আর্টিসানাল ফিশিং ট্রলারের অনুমতিপত্র প্রদান করা হয়েছে। কোন প্রকার হয়রানি ছাড়া দ্রুততম সময়ে অনুমতিপত্র পাওয়াকে এলাকায় একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অনুমতিপত্রপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন— শরাফপুর ইউনিয়নের তৈয়বপুর গ্রামের স্বপন কুমার বিশ্বাস, রতন কুমার বিশ্বাস, সদানন্দ বিশ্বাস, বরুন বিশ্বাস, তপন বিশ্বাস, বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাস, সন্তোস বিশ্বাস ও স্বপন বিশ্বাস; শোভনা ইউনিয়নের চিংড়া গ্রামের আনন্দ বিশ্বাস ও অধীবাস কুমার সরকার; সাহস ইউনিয়নের মুকুল লস্কর ও প্রদীপ দাস; আটলিয়া ইউনিয়নের চুকনগর গ্রামের উত্তম বিশ্বাস, গৌতম বিশ্বাস ও স্বরজিৎ বিশ্বাস এবং মঠবাড়িয়া গ্রামের দীপংকর সরকার।

সামুদ্রিক মৎস্য আইন, ২০১০ এর ধারা ২১ ও বিধিমালা, ২০২৩ এর বিধি ১৬ অনুযায়ী এই অনুমতিপত্র প্রদানের ক্ষমতা মৎস্য দপ্তরের হাতে ন্যস্ত।

বাংলাদেশে প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী যান্ত্রিক ও আর্টিসানাল নৌযানের ওপর নির্ভরশীল। তাঁদের পরিবারসহ এই সংখ্যা এক কোটিরও বেশি। জাতিসংঘের দায়িত্বশীল মৎস্য আহরণ আচরণবিধি (CCRF) এবং টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট (SDG)-এর সঙ্গেও এই উদ্যোগ সামঞ্জস্যপূর্ণ।

আটলিয়া ইউনিয়নের উত্তম বিশ্বাস বলেন,

“কোনো হয়রানি ছাড়া সরকারি ফি দিয়ে মাত্র তিন কর্মদিবসেই আমরা অনুমতিপত্র পেয়েছি। অফিসের আন্তরিকতার জন্য এটি সম্ভব হয়েছে।”

শোভনা ইউনিয়নের অধীবাস কুমার সরকারও একই অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন,

“স্বল্প সময়ে অনুমতিপত্র পেয়ে আমরা ক্ষুদ্র নৌযান মালিকরা উপকৃত হয়েছি। সরকারি সেবার প্রতি আস্থা বেড়েছে।”

মেরিন ফিশারিজ অফিসার মোঃ তরিকুল ইসলাম জানান, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী নৌযান মালিকদের হয়রানিমুক্তভাবে অনুমতিপত্র প্রদান করা হচ্ছে।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান বলেন,

“আমরা মৎস্যজীবীদের কল্যাণে কাজ করছি। দ্রুততম সময়ে, কোনো প্রকার ঝামেলা ছাড়াই আর্টিসানাল নৌযানের অনুমতিপত্র প্রদান অব্যাহত থাকবে।”

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


ডুমুরিয়ায় ১৭ নৌযান মালিককে আর্টিসানাল ফিশিং ট্রলারের অনুমতিপত্র প্রদান

প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image

খুলনার ডুমুরিয়ায় একদিনে মোট ১৭ জন নৌযান মালিককে আর্টিসানাল ফিশিং ট্রলারের অনুমতিপত্র প্রদান করা হয়েছে। কোন প্রকার হয়রানি ছাড়া দ্রুততম সময়ে অনুমতিপত্র পাওয়াকে এলাকায় একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অনুমতিপত্রপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন— শরাফপুর ইউনিয়নের তৈয়বপুর গ্রামের স্বপন কুমার বিশ্বাস, রতন কুমার বিশ্বাস, সদানন্দ বিশ্বাস, বরুন বিশ্বাস, তপন বিশ্বাস, বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাস, সন্তোস বিশ্বাস ও স্বপন বিশ্বাস; শোভনা ইউনিয়নের চিংড়া গ্রামের আনন্দ বিশ্বাস ও অধীবাস কুমার সরকার; সাহস ইউনিয়নের মুকুল লস্কর ও প্রদীপ দাস; আটলিয়া ইউনিয়নের চুকনগর গ্রামের উত্তম বিশ্বাস, গৌতম বিশ্বাস ও স্বরজিৎ বিশ্বাস এবং মঠবাড়িয়া গ্রামের দীপংকর সরকার।

সামুদ্রিক মৎস্য আইন, ২০১০ এর ধারা ২১ ও বিধিমালা, ২০২৩ এর বিধি ১৬ অনুযায়ী এই অনুমতিপত্র প্রদানের ক্ষমতা মৎস্য দপ্তরের হাতে ন্যস্ত।

বাংলাদেশে প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী যান্ত্রিক ও আর্টিসানাল নৌযানের ওপর নির্ভরশীল। তাঁদের পরিবারসহ এই সংখ্যা এক কোটিরও বেশি। জাতিসংঘের দায়িত্বশীল মৎস্য আহরণ আচরণবিধি (CCRF) এবং টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট (SDG)-এর সঙ্গেও এই উদ্যোগ সামঞ্জস্যপূর্ণ।

আটলিয়া ইউনিয়নের উত্তম বিশ্বাস বলেন,

“কোনো হয়রানি ছাড়া সরকারি ফি দিয়ে মাত্র তিন কর্মদিবসেই আমরা অনুমতিপত্র পেয়েছি। অফিসের আন্তরিকতার জন্য এটি সম্ভব হয়েছে।”

শোভনা ইউনিয়নের অধীবাস কুমার সরকারও একই অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন,

“স্বল্প সময়ে অনুমতিপত্র পেয়ে আমরা ক্ষুদ্র নৌযান মালিকরা উপকৃত হয়েছি। সরকারি সেবার প্রতি আস্থা বেড়েছে।”

মেরিন ফিশারিজ অফিসার মোঃ তরিকুল ইসলাম জানান, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী নৌযান মালিকদের হয়রানিমুক্তভাবে অনুমতিপত্র প্রদান করা হচ্ছে।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান বলেন,

“আমরা মৎস্যজীবীদের কল্যাণে কাজ করছি। দ্রুততম সময়ে, কোনো প্রকার ঝামেলা ছাড়াই আর্টিসানাল নৌযানের অনুমতিপত্র প্রদান অব্যাহত থাকবে।”


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত