রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সারাদেশের মতো খুলনার ডুমুরিয়ায়ও বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের সূচনা হিসেবে পালিত হয়েছে শুভ মহালয়া। দেবীপক্ষের সূচনা এবং দেবী দুর্গার আবাহন উপলক্ষে এদিন ভোর থেকেই বিভিন্ন মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয় শ্রীশ্রী চণ্ডীপাঠ ও পূণ্যাহুতি।
ডুমুরিয়া কালি বাড়ি মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দিরে আয়োজিত হয় বিশেষ পূজা ও চণ্ডীপাঠ। সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে শুরু হওয়া আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, মহালয়ার দিন থেকেই দেবীপক্ষের সূচনা হয় এবং দেবী দুর্গার চক্ষুদান করা হয়। মহালয়ার ছয় দিন পর মহাসপ্তমীতে শুরু হয় দুর্গাপূজার মূল আচার। ২০২৫ সালে দুর্গাপূজার মূল উৎসব শুরু হবে ২৮ সেপ্টেম্বর মহাসপ্তমী দিয়ে। পরবর্তী দিনগুলোতে মহাষ্টমী (২৯ সেপ্টেম্বর) ও মহানবমী (৩০ সেপ্টেম্বর) পালিত হবে। বিজয়া দশমী উদযাপিত হবে ২ অক্টোবর।
পুরাণ মতে, মহালয়ার দিনেই দেবী দুর্গা মহিষাসুর বধের দায়িত্ব পান। ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিবের সম্মিলিত শক্তিতে সৃষ্টি হয় মহামায়া—নারীশক্তির অমোঘ প্রতীক। দেবতাদের দশ অস্ত্র ধারণ করে সিংহবাহিনী দুর্গা নয়দিনব্যাপী যুদ্ধে মহিষাসুরকে বধ করে অশুভ শক্তির অবসান ঘটান।
মহালয়ার মাধ্যমে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে দুর্গাপূজার আনন্দধ্বনি ছড়িয়ে পড়েছে। এখন শুরু হলো অপেক্ষা—মায়ের আগমনী গানের।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সারাদেশের মতো খুলনার ডুমুরিয়ায়ও বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের সূচনা হিসেবে পালিত হয়েছে শুভ মহালয়া। দেবীপক্ষের সূচনা এবং দেবী দুর্গার আবাহন উপলক্ষে এদিন ভোর থেকেই বিভিন্ন মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয় শ্রীশ্রী চণ্ডীপাঠ ও পূণ্যাহুতি।
ডুমুরিয়া কালি বাড়ি মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দিরে আয়োজিত হয় বিশেষ পূজা ও চণ্ডীপাঠ। সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে শুরু হওয়া আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, মহালয়ার দিন থেকেই দেবীপক্ষের সূচনা হয় এবং দেবী দুর্গার চক্ষুদান করা হয়। মহালয়ার ছয় দিন পর মহাসপ্তমীতে শুরু হয় দুর্গাপূজার মূল আচার। ২০২৫ সালে দুর্গাপূজার মূল উৎসব শুরু হবে ২৮ সেপ্টেম্বর মহাসপ্তমী দিয়ে। পরবর্তী দিনগুলোতে মহাষ্টমী (২৯ সেপ্টেম্বর) ও মহানবমী (৩০ সেপ্টেম্বর) পালিত হবে। বিজয়া দশমী উদযাপিত হবে ২ অক্টোবর।
পুরাণ মতে, মহালয়ার দিনেই দেবী দুর্গা মহিষাসুর বধের দায়িত্ব পান। ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিবের সম্মিলিত শক্তিতে সৃষ্টি হয় মহামায়া—নারীশক্তির অমোঘ প্রতীক। দেবতাদের দশ অস্ত্র ধারণ করে সিংহবাহিনী দুর্গা নয়দিনব্যাপী যুদ্ধে মহিষাসুরকে বধ করে অশুভ শক্তির অবসান ঘটান।
মহালয়ার মাধ্যমে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে দুর্গাপূজার আনন্দধ্বনি ছড়িয়ে পড়েছে। এখন শুরু হলো অপেক্ষা—মায়ের আগমনী গানের।

আপনার মতামত লিখুন