নজর বিডি
প্রকাশ : সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ডুমুরিয়ায় শামুক নিধনে হুমকির মুখে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য

ডুমুরিয়ায় শামুক নিধনে হুমকির মুখে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য

খুলনার ডুমুরিয়ায় খাল-বিল ও জলাশয় থেকে বেপরোয়া শামুক আহরণ, কৃষিজমিতে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার, দ্রুত জলবায়ু পরিবর্তন এবং মৎস্য বিভাগের উদাসীনতায় উপকারী জলজ প্রাণি শামুক হারিয়ে যাচ্ছে।

একসময় এসব জলাশয়ে প্রচুর শামুক দেখা গেলেও বর্তমানে প্রায় বিলুপ্তির পথে। শামুক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে—ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে ফসলের উর্বরতা বাড়ায় এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সহায়তা করে।

তবে মৎস্য চাষিরা মাছের খাবার হিসেবে ব্যাপকভাবে শামুক ব্যবহার করায় এর সংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন ৩০ টাকা কেজি দরে শামুক বিক্রি করে অনেক পরিবার ৪০০–৫০০ টাকা পর্যন্ত আয় করছেন। এতে স্বল্পমেয়াদে আর্থিক সুবিধা মিললেও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।

ডুমুরিয়া উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান বলেন, কাঁচা শামুক খাওয়ালে মাছের শরীরে রোগ ও গ্যাস তৈরি হয়, যা মানুষের শরীরেও রোগজীবাণু ছড়াতে পারে। পাশাপাশি শামুক মাটি ও পানির উর্বরতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য মাছের খাদ্য হিসেবে শামুক ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে এবং ঘের মালিকদের সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শামুক সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে পরিবেশ ও কৃষি উভয়ই মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


ডুমুরিয়ায় শামুক নিধনে হুমকির মুখে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য

প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image

খুলনার ডুমুরিয়ায় খাল-বিল ও জলাশয় থেকে বেপরোয়া শামুক আহরণ, কৃষিজমিতে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার, দ্রুত জলবায়ু পরিবর্তন এবং মৎস্য বিভাগের উদাসীনতায় উপকারী জলজ প্রাণি শামুক হারিয়ে যাচ্ছে।

একসময় এসব জলাশয়ে প্রচুর শামুক দেখা গেলেও বর্তমানে প্রায় বিলুপ্তির পথে। শামুক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে—ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে ফসলের উর্বরতা বাড়ায় এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সহায়তা করে।

তবে মৎস্য চাষিরা মাছের খাবার হিসেবে ব্যাপকভাবে শামুক ব্যবহার করায় এর সংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন ৩০ টাকা কেজি দরে শামুক বিক্রি করে অনেক পরিবার ৪০০–৫০০ টাকা পর্যন্ত আয় করছেন। এতে স্বল্পমেয়াদে আর্থিক সুবিধা মিললেও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।

ডুমুরিয়া উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান বলেন, কাঁচা শামুক খাওয়ালে মাছের শরীরে রোগ ও গ্যাস তৈরি হয়, যা মানুষের শরীরেও রোগজীবাণু ছড়াতে পারে। পাশাপাশি শামুক মাটি ও পানির উর্বরতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য মাছের খাদ্য হিসেবে শামুক ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে এবং ঘের মালিকদের সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শামুক সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে পরিবেশ ও কৃষি উভয়ই মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত