গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার শাশুনীয়া গ্রামে দুর্গা পূজা উপলক্ষে মৃৎ শিল্পীরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। পূজা ঘিরে বাড়তি চাহিদার কারণে তারা দিন-রাত পরিশ্রম করে তৈরি করছেন নানা ধরনের মাটির সামগ্রী।
স্থানীয় মৃৎশিল্পী স্বরসতি পাল (৩৫), স্বামী জয়পাল ও অসিম পাল (৫০), পিতা অনন্দ পাল জানান, পূজা মণ্ডপ ও গৃহস্থালীর পূজা-আচারকে কেন্দ্র করে হাঁড়ি, কলস, প্রদীপ, থালা, বাসনসহ নানান পণ্য তৈরি হচ্ছে। এ সময় বিক্রি ভালো হওয়ায় তারা কিছুটা স্বস্তি পান।

স্বরসতি পাল বলেন, “আমরা সারাবছর মাটির কাজ করি, তবে দুর্গা পূজার সময় সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। সরকারি অনুদান পেলে আমরা আরও বেশি উন্নয়ন করতে পারবো এবং এ পেশাকে টিকিয়ে রাখতে পারবো।”
অসিম পাল জানান, আধুনিক প্লাস্টিক ও অ্যালুমিনিয়ামের জিনিসপত্র বাজার দখল করলেও পূজা-পার্বণে মাটির জিনিসপত্র এখনও অপরিহার্য। তাই এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে সরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন।
স্থানীয়রা জানান, একসময় গ্রামের প্রতিটি ঘরে মাটির হাঁড়ি-পাতিল ব্যবহার হতো। এখন ব্যবহার কমলেও ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোতে এ শিল্পের চাহিদা রয়েছে। মৃৎ শিল্পের সঙ্গে যুক্তরা চান, সরকারি সহায়তা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এ শিল্প আবারও নতুনভাবে জেগে উঠবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার শাশুনীয়া গ্রামে দুর্গা পূজা উপলক্ষে মৃৎ শিল্পীরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। পূজা ঘিরে বাড়তি চাহিদার কারণে তারা দিন-রাত পরিশ্রম করে তৈরি করছেন নানা ধরনের মাটির সামগ্রী।
স্থানীয় মৃৎশিল্পী স্বরসতি পাল (৩৫), স্বামী জয়পাল ও অসিম পাল (৫০), পিতা অনন্দ পাল জানান, পূজা মণ্ডপ ও গৃহস্থালীর পূজা-আচারকে কেন্দ্র করে হাঁড়ি, কলস, প্রদীপ, থালা, বাসনসহ নানান পণ্য তৈরি হচ্ছে। এ সময় বিক্রি ভালো হওয়ায় তারা কিছুটা স্বস্তি পান।

স্বরসতি পাল বলেন, “আমরা সারাবছর মাটির কাজ করি, তবে দুর্গা পূজার সময় সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। সরকারি অনুদান পেলে আমরা আরও বেশি উন্নয়ন করতে পারবো এবং এ পেশাকে টিকিয়ে রাখতে পারবো।”
অসিম পাল জানান, আধুনিক প্লাস্টিক ও অ্যালুমিনিয়ামের জিনিসপত্র বাজার দখল করলেও পূজা-পার্বণে মাটির জিনিসপত্র এখনও অপরিহার্য। তাই এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে সরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন।
স্থানীয়রা জানান, একসময় গ্রামের প্রতিটি ঘরে মাটির হাঁড়ি-পাতিল ব্যবহার হতো। এখন ব্যবহার কমলেও ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোতে এ শিল্পের চাহিদা রয়েছে। মৃৎ শিল্পের সঙ্গে যুক্তরা চান, সরকারি সহায়তা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এ শিল্প আবারও নতুনভাবে জেগে উঠবে।

আপনার মতামত লিখুন