প্রায় ৯০ বছর পর বেদখল থাকা সাড়ে ৭ শতাংশ জমি অবশেষে বুঝে পেল গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থানা পুলিশ।
সোমবার দীর্ঘদিন ধরে থানার জমি দখল করে রাখা স্থানীয় কয়েকটি পরিবার স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে অন্যত্র সরে যায়। পরে বিকেলে পুলিশ দখলমুক্ত জমি বুঝে নেয়।
জানা গেছে, ১৯১৭ সালে মুকসুদপুর থানার কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থানার পাশের পরিত্যক্ত ওই জমিতে ধীরে ধীরে কয়েকটি পরিবার বসতি ও ব্যবসায়িক দোকানপাট গড়ে তোলে। থানার পক্ষ থেকে বারবার নোটিশ দেওয়ার পরও তারা জমি ছাড়তে গড়িমসি করছিল। সম্প্রতি আলোচনার ভিত্তিতে অবশেষে তারা জায়গা ছেড়ে দেয়।
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন পর আমাদের জমি বুঝে পেয়েছি। তারা থানার জমি দখল করায় আমরা সবসময় নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ছিলাম। স্থাপনাগুলো থানার সীমানার গা ঘেঁষে থাকায় প্রাচীর তোলা যাচ্ছিল না। আলোচনার মাধ্যমে অবশেষে তারা জমি ছেড়ে দিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “৯০ বছরেরও বেশি সময় পর নিজেদের জমি ফিরে পাওয়ায় এখন আমরা সীমানা প্রাচীর তুলতে পারব এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার করতে পারব।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
প্রায় ৯০ বছর পর বেদখল থাকা সাড়ে ৭ শতাংশ জমি অবশেষে বুঝে পেল গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থানা পুলিশ।
সোমবার দীর্ঘদিন ধরে থানার জমি দখল করে রাখা স্থানীয় কয়েকটি পরিবার স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে অন্যত্র সরে যায়। পরে বিকেলে পুলিশ দখলমুক্ত জমি বুঝে নেয়।
জানা গেছে, ১৯১৭ সালে মুকসুদপুর থানার কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থানার পাশের পরিত্যক্ত ওই জমিতে ধীরে ধীরে কয়েকটি পরিবার বসতি ও ব্যবসায়িক দোকানপাট গড়ে তোলে। থানার পক্ষ থেকে বারবার নোটিশ দেওয়ার পরও তারা জমি ছাড়তে গড়িমসি করছিল। সম্প্রতি আলোচনার ভিত্তিতে অবশেষে তারা জায়গা ছেড়ে দেয়।
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন পর আমাদের জমি বুঝে পেয়েছি। তারা থানার জমি দখল করায় আমরা সবসময় নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ছিলাম। স্থাপনাগুলো থানার সীমানার গা ঘেঁষে থাকায় প্রাচীর তোলা যাচ্ছিল না। আলোচনার মাধ্যমে অবশেষে তারা জমি ছেড়ে দিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “৯০ বছরেরও বেশি সময় পর নিজেদের জমি ফিরে পাওয়ায় এখন আমরা সীমানা প্রাচীর তুলতে পারব এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার করতে পারব।”

আপনার মতামত লিখুন