নজর বিডি
প্রকাশ : শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ডুমুরিয়ায় আগাম ফুলকপির বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

ডুমুরিয়ায় আগাম ফুলকপির বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি
খুলনার ডুমুরিয়ায় আগাম ফুলকপির বাম্পার ফলনে খুশির আমেজ বইছে কৃষক সমাজে। অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো বীজ বপন ও সুষম সার ব্যবহারের ফলে চলতি মৌসুমে ফুলকপির প্রচুর ফলন হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, অল্প খরচে বেশি লাভ হওয়ায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ফুলকপি চাষ। বাজারে চাহিদাও ভালো থাকায় উৎপাদিত ফুলকপি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হচ্ছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এ বছর ডুমুরিয়া উপজেলায় ২৮০ হেক্টর জমিতে ফুলকপির আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে আটলিয়া ইউনিয়নের আদর্শ কৃষক তাপশ সরকার ৩৩ শতক জমিতে ফুলকপি চাষ করে ১ লাখ টাকা মুনাফা করেছেন। তিনি জানান, এ অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া সবজি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কৃষি বিভাগের পরামর্শে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করায় ফলন ভালো হচ্ছে। তাপশ সরকার আরও জানান, এলাকায় ক্যাপটেন, সুদর্শন ও মার্বেল জাতের ফুলকপি চাষ হচ্ছে। তবে অধিক যত্ন নেওয়া দরকার হয়। আগাম জাতের ফুলকপি চাষ করে কৃষকরা লাভবান হওয়ায় তারা এদিকে ঝুঁকছেন। ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইনসাদ ইবনে আমিন বলেন, “এ বছর উপজেলায় প্রায় ২৮০ হেক্টর জমিতে আগাম শীতকালীন ফুলকপির আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। অন্য বছরের তুলনায় এবার ফুলকপির ফলনও অনেক ভালো হয়েছে। এতে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।”

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


ডুমুরিয়ায় আগাম ফুলকপির বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image
খুলনার ডুমুরিয়ায় আগাম ফুলকপির বাম্পার ফলনে খুশির আমেজ বইছে কৃষক সমাজে। অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো বীজ বপন ও সুষম সার ব্যবহারের ফলে চলতি মৌসুমে ফুলকপির প্রচুর ফলন হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, অল্প খরচে বেশি লাভ হওয়ায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ফুলকপি চাষ। বাজারে চাহিদাও ভালো থাকায় উৎপাদিত ফুলকপি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হচ্ছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এ বছর ডুমুরিয়া উপজেলায় ২৮০ হেক্টর জমিতে ফুলকপির আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে আটলিয়া ইউনিয়নের আদর্শ কৃষক তাপশ সরকার ৩৩ শতক জমিতে ফুলকপি চাষ করে ১ লাখ টাকা মুনাফা করেছেন। তিনি জানান, এ অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া সবজি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কৃষি বিভাগের পরামর্শে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করায় ফলন ভালো হচ্ছে। তাপশ সরকার আরও জানান, এলাকায় ক্যাপটেন, সুদর্শন ও মার্বেল জাতের ফুলকপি চাষ হচ্ছে। তবে অধিক যত্ন নেওয়া দরকার হয়। আগাম জাতের ফুলকপি চাষ করে কৃষকরা লাভবান হওয়ায় তারা এদিকে ঝুঁকছেন। ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইনসাদ ইবনে আমিন বলেন, “এ বছর উপজেলায় প্রায় ২৮০ হেক্টর জমিতে আগাম শীতকালীন ফুলকপির আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। অন্য বছরের তুলনায় এবার ফুলকপির ফলনও অনেক ভালো হয়েছে। এতে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।”

নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত