দিনাজপুরে সংবাদ সম্মেলন: সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণ নীতিমালা বহাল রাখার দাবি
বিদ্যমান সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা ২০০৯ বহাল রাখার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা ইউনিট।
সোমবার দুপুরে দিনাজপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন।
তিনি বলেন, সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণের বর্তমান নীতিমালা যুগোপযোগী এবং পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। বেশি সংখ্যক ডিলার ও বিক্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা হলে মনিটরিং দুর্বল হবে, এতে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একই পরিবারের সদস্যদের পৃথক প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সুযোগ বহাল রাখতে হবে, না হলে বহু বছরের বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, বস্তাপ্রতি কমিশন ১৫ বছর ধরে ১০০ টাকা নির্ধারিত আছে, যা বাড়িয়ে ২০০ টাকা করতে হবে। পরিবহন খরচ, ব্যাংক সুদ, গুদাম ভাড়া ও অন্যান্য ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে, অথচ কমিশন বাড়ানো হয়নি। এছাড়া ভর্তুকি মূল্যের সারের ওপর উৎস কর আরোপ অযৌক্তিক—এটি বাতিল করতে হবে।
তারা আরও জানান, টিএসসি সারের বরাদ্দ সামান্য হওয়ায় কৃষকের চাহিদা পূরণ হয় না, বরাদ্দ বাড়াতে হবে বা পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। বিসিআই উৎপাদিত টিএসপি ও ডিএপি সার সময়মতো সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে এবং আমদানিকারক পর্যায়ে বরাদ্দকৃত নন-ইউরিয়া সার জেলা পর্যায়ে পৌঁছানো জরুরি।
সংগঠনটির দাবি, নতুন কোনো নীতিমালা প্রণয়নের আগে মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের মতামত নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সহ-সভাপতি জাহিদ আলী, মশিয়ার রহমান, যুগ্ম সম্পাদক জহুরুল হক খান, দপ্তর সম্পাদক আকবর হোসেন, সদস্য মকসেদুর রহমানসহ অন্যান্য ডিলাররা উপস্থিত ছিলেন।
দিনাজপুরে সংবাদ সম্মেলন: সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণ নীতিমালা বহাল রাখার দাবি
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বিদ্যমান সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা ২০০৯ বহাল রাখার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা ইউনিট।
সোমবার দুপুরে দিনাজপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন।
তিনি বলেন, সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণের বর্তমান নীতিমালা যুগোপযোগী এবং পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। বেশি সংখ্যক ডিলার ও বিক্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা হলে মনিটরিং দুর্বল হবে, এতে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একই পরিবারের সদস্যদের পৃথক প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সুযোগ বহাল রাখতে হবে, না হলে বহু বছরের বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, বস্তাপ্রতি কমিশন ১৫ বছর ধরে ১০০ টাকা নির্ধারিত আছে, যা বাড়িয়ে ২০০ টাকা করতে হবে। পরিবহন খরচ, ব্যাংক সুদ, গুদাম ভাড়া ও অন্যান্য ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে, অথচ কমিশন বাড়ানো হয়নি। এছাড়া ভর্তুকি মূল্যের সারের ওপর উৎস কর আরোপ অযৌক্তিক—এটি বাতিল করতে হবে।
তারা আরও জানান, টিএসসি সারের বরাদ্দ সামান্য হওয়ায় কৃষকের চাহিদা পূরণ হয় না, বরাদ্দ বাড়াতে হবে বা পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। বিসিআই উৎপাদিত টিএসপি ও ডিএপি সার সময়মতো সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে এবং আমদানিকারক পর্যায়ে বরাদ্দকৃত নন-ইউরিয়া সার জেলা পর্যায়ে পৌঁছানো জরুরি।
সংগঠনটির দাবি, নতুন কোনো নীতিমালা প্রণয়নের আগে মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের মতামত নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সহ-সভাপতি জাহিদ আলী, মশিয়ার রহমান, যুগ্ম সম্পাদক জহুরুল হক খান, দপ্তর সম্পাদক আকবর হোসেন, সদস্য মকসেদুর রহমানসহ অন্যান্য ডিলাররা উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন