ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অভ্যন্তরে কুকুরের উৎপাত দিন দিন চরম আকার ধারণ করছে। হাসপাতালের ভেতরে ও আশপাশে প্রতিনিয়ত ৩০ থেকে ৪০টি কুকুর অবাধে ঘুরে বেড়ায়। এতে করে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী, তাদের স্বজন, এমনকি সাধারণ পথচারীরাও চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
শনিবার সন্ধ্যায় হাসপাতাল চত্বরে এক শিশু কুকুরের আক্রমণে আহত হওয়ার পর বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, এমন ঘটনা নিয়মিত ঘটলেও কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার সদস্যদের চোখের সামনে কুকুর রোগী বা পথচারীদের আক্রমণ করলেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেয় না। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে, রোগী নিয়ে চলাচল করাও হয়ে পড়ে ঝুঁকিপূর্ণ।
স্থানীয়রা বলছেন, দেশের অন্যতম বৃহৎ এই হাসপাতালে প্রতিদিন হাজারো মানুষ আসেন। এ অবস্থায় রোগী ও স্বজনদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তারা হাসপাতাল ক্যাম্পাস থেকে অবাধে ঘুরে বেড়ানো কুকুরগুলো অপসারণের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অভ্যন্তরে কুকুরের উৎপাত দিন দিন চরম আকার ধারণ করছে। হাসপাতালের ভেতরে ও আশপাশে প্রতিনিয়ত ৩০ থেকে ৪০টি কুকুর অবাধে ঘুরে বেড়ায়। এতে করে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী, তাদের স্বজন, এমনকি সাধারণ পথচারীরাও চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
শনিবার সন্ধ্যায় হাসপাতাল চত্বরে এক শিশু কুকুরের আক্রমণে আহত হওয়ার পর বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, এমন ঘটনা নিয়মিত ঘটলেও কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার সদস্যদের চোখের সামনে কুকুর রোগী বা পথচারীদের আক্রমণ করলেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেয় না। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে, রোগী নিয়ে চলাচল করাও হয়ে পড়ে ঝুঁকিপূর্ণ।
স্থানীয়রা বলছেন, দেশের অন্যতম বৃহৎ এই হাসপাতালে প্রতিদিন হাজারো মানুষ আসেন। এ অবস্থায় রোগী ও স্বজনদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তারা হাসপাতাল ক্যাম্পাস থেকে অবাধে ঘুরে বেড়ানো কুকুরগুলো অপসারণের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন