ছবি: নজরবিডি ডট কম[/caption]
উপজেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন মিয়া এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি বর্তমানে প্রবাসে অবস্থান করায় তার বড় ভাই প্রকৌশলী খসরুল আলম (উজ্জ্বল) কাশালিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে গিয়ে সহায়তা পৌঁছে দেন এবং পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও ভক্তদের সঙ্গে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ করেন।
এ সময় তিনি দারিয়া গ্রামের সার্বজনীন পূজামণ্ডপ, খালকুলা গ্রামের ঢালী বাড়ি সার্বজনীন পূজামণ্ডপ ও বেদগ্রামের একাধিক পূজা মণ্ডপে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। স্থানীয় কাশালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরাও তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, রাজনৈতিক দলের নেতাদের এ ধরনের সম্পৃক্ততা পূজার আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে এবং ভক্তদের মাঝে উৎসাহ যোগায়। তারা মনে করেন, সামাজিক সৌহার্দ্য ও মিলনের এই ধরনের উদ্যোগ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে সহায়ক।
শাহাবুদ্দিন মিয়ার পক্ষ থেকে পাঠানো বার্তায় বলা হয়, “শারদীয় দুর্গাপূজা আমাদের সমাজে ঐক্য, শান্তি ও ভ্রাতৃত্ববোধের প্রতীক। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার—এই চেতনা নিয়েই আমরা সব ধর্মের মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই।”
স্থানীয়রা মনে করছেন, পূজা মণ্ডপে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে নেতাদের এই ধরনের উপস্থিতি শুধু সহমর্মিতাই নয়, বরং একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে যা সমাজে সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৫
ছবি: নজরবিডি ডট কম[/caption]
উপজেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন মিয়া এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি বর্তমানে প্রবাসে অবস্থান করায় তার বড় ভাই প্রকৌশলী খসরুল আলম (উজ্জ্বল) কাশালিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে গিয়ে সহায়তা পৌঁছে দেন এবং পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও ভক্তদের সঙ্গে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ করেন।
এ সময় তিনি দারিয়া গ্রামের সার্বজনীন পূজামণ্ডপ, খালকুলা গ্রামের ঢালী বাড়ি সার্বজনীন পূজামণ্ডপ ও বেদগ্রামের একাধিক পূজা মণ্ডপে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। স্থানীয় কাশালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরাও তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, রাজনৈতিক দলের নেতাদের এ ধরনের সম্পৃক্ততা পূজার আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে এবং ভক্তদের মাঝে উৎসাহ যোগায়। তারা মনে করেন, সামাজিক সৌহার্দ্য ও মিলনের এই ধরনের উদ্যোগ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে সহায়ক।
শাহাবুদ্দিন মিয়ার পক্ষ থেকে পাঠানো বার্তায় বলা হয়, “শারদীয় দুর্গাপূজা আমাদের সমাজে ঐক্য, শান্তি ও ভ্রাতৃত্ববোধের প্রতীক। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার—এই চেতনা নিয়েই আমরা সব ধর্মের মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই।”
স্থানীয়রা মনে করছেন, পূজা মণ্ডপে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে নেতাদের এই ধরনের উপস্থিতি শুধু সহমর্মিতাই নয়, বরং একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে যা সমাজে সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। 
আপনার মতামত লিখুন