দিনাজপুরের কৃতি সন্তান এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সোহেল রানা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও গুমের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার পরও আজও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অটল রয়েছেন।
২০১৫ সালে বেগম খালেদা জিয়াকে অবরুদ্ধ রাখার প্রতিবাদে রাজপথে নেতৃত্ব দেওয়া সোহেল রানাকে ঢাকার উত্তরার ৫ নম্বর সেক্টর থেকে তুলে নেওয়া হয়। পরবর্তী ছয় মাস তিন দিন তিনি “আয়না ঘর” নামে পরিচিত গোপন নির্যাতন কেন্দ্রে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হন। কোনো গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই তাকে অদৃশ্য করে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তার সহযোদ্ধারা।
দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ৪নং ইউনিয়নের বাসিন্দা এই আইনজীবী ফিরে আসেন ছয় মাস পর। কিন্তু নির্যাতনের ক্ষত আজও তাকে নাড়া দেয়। শারীরিক নির্যাতন, মানসিক চাপ ও মানবিক অপমান সত্ত্বেও তিনি ভেঙে পড়েননি। বরং আজও তিনি গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।
সম্প্রতি দিনাজপুর সদর-২ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছেন তিনি। গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় থাকতে তিনি সকলের কাছে দোয়া ও আশীর্বাদ চেয়েছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৫
দিনাজপুরের কৃতি সন্তান এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সোহেল রানা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও গুমের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার পরও আজও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অটল রয়েছেন।
২০১৫ সালে বেগম খালেদা জিয়াকে অবরুদ্ধ রাখার প্রতিবাদে রাজপথে নেতৃত্ব দেওয়া সোহেল রানাকে ঢাকার উত্তরার ৫ নম্বর সেক্টর থেকে তুলে নেওয়া হয়। পরবর্তী ছয় মাস তিন দিন তিনি “আয়না ঘর” নামে পরিচিত গোপন নির্যাতন কেন্দ্রে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হন। কোনো গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই তাকে অদৃশ্য করে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তার সহযোদ্ধারা।
দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ৪নং ইউনিয়নের বাসিন্দা এই আইনজীবী ফিরে আসেন ছয় মাস পর। কিন্তু নির্যাতনের ক্ষত আজও তাকে নাড়া দেয়। শারীরিক নির্যাতন, মানসিক চাপ ও মানবিক অপমান সত্ত্বেও তিনি ভেঙে পড়েননি। বরং আজও তিনি গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।
সম্প্রতি দিনাজপুর সদর-২ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছেন তিনি। গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় থাকতে তিনি সকলের কাছে দোয়া ও আশীর্বাদ চেয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন