বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৫ উপলক্ষে খুলনার ডুমুরিয়ায় বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল— “শিক্ষকতা পেশা: মিলিত প্রচেষ্টার দীপ্তি”।
রবিবার সকাল ১০টায় ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের দ্বিতল সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দেবাশীষ কুমার বিশ্বাস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আল-আমিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. হাবিবুর রহমান, উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সপেক্টর মো. মনির হোসেন, মাধ্যমিক একাডেমির সুপারভাইজার টিকেন্দ্র নাথ সানা, ডুমুরিয়া মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. মো. ফৈরদাউস খান, বান্দা কলেজের অধ্যক্ষ সৌমেন মণ্ডল, ডুমুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আইয়ুব হোসাইন, প্রাথমিক শিক্ষক মো. শহিদুল ইসলাম, শফিকুল আলম, ও মাধ্যমিক শিক্ষক মো. আক্তারুজ্জামান।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষকরা সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। শিক্ষকদের মর্যাদা ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করলেই শিক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী হবে।
প্রতিবছর ৫ অক্টোবর সারা বিশ্বে পালিত হয় বিশ্ব শিক্ষক দিবস। এ বছরের প্রতিপাদ্য— “শিক্ষকতাকে একটি সহযোগী পেশা হিসেবে পুনর্গঠন”— বাংলাদেশের নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের প্রেক্ষাপটে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমানে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রায় ৫.৮ লাখ শিক্ষক রয়েছেন। নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, দলগত কাজ ও জ্ঞান বিনিময়ের সংস্কৃতি গড়ে তোলা হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে প্রায় সাড়ে চার লাখ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার সাফল্য নির্ভর করছে শিক্ষকদের পারস্পরিক সহযোগিতা ও পেশাগত ঐক্যের ওপর। শিক্ষকরা যদি ‘চর্চার সম্প্রদায়’ গড়ে তুলতে পারেন, তবে তারা একে অপরের অভিজ্ঞতা থেকে শিখে শিক্ষা মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।
বক্তারা মত দেন— শিক্ষকদের শুধু সম্মান জানালেই চলবে না; বরং তাঁদের পেশাগত উন্নয়নের জন্য সহযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে শিক্ষকদের পেশায় আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।
সভা শেষে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৫
বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৫ উপলক্ষে খুলনার ডুমুরিয়ায় বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল— “শিক্ষকতা পেশা: মিলিত প্রচেষ্টার দীপ্তি”।
রবিবার সকাল ১০টায় ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের দ্বিতল সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দেবাশীষ কুমার বিশ্বাস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আল-আমিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. হাবিবুর রহমান, উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সপেক্টর মো. মনির হোসেন, মাধ্যমিক একাডেমির সুপারভাইজার টিকেন্দ্র নাথ সানা, ডুমুরিয়া মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. মো. ফৈরদাউস খান, বান্দা কলেজের অধ্যক্ষ সৌমেন মণ্ডল, ডুমুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আইয়ুব হোসাইন, প্রাথমিক শিক্ষক মো. শহিদুল ইসলাম, শফিকুল আলম, ও মাধ্যমিক শিক্ষক মো. আক্তারুজ্জামান।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষকরা সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। শিক্ষকদের মর্যাদা ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করলেই শিক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী হবে।
প্রতিবছর ৫ অক্টোবর সারা বিশ্বে পালিত হয় বিশ্ব শিক্ষক দিবস। এ বছরের প্রতিপাদ্য— “শিক্ষকতাকে একটি সহযোগী পেশা হিসেবে পুনর্গঠন”— বাংলাদেশের নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের প্রেক্ষাপটে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমানে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রায় ৫.৮ লাখ শিক্ষক রয়েছেন। নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, দলগত কাজ ও জ্ঞান বিনিময়ের সংস্কৃতি গড়ে তোলা হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে প্রায় সাড়ে চার লাখ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার সাফল্য নির্ভর করছে শিক্ষকদের পারস্পরিক সহযোগিতা ও পেশাগত ঐক্যের ওপর। শিক্ষকরা যদি ‘চর্চার সম্প্রদায়’ গড়ে তুলতে পারেন, তবে তারা একে অপরের অভিজ্ঞতা থেকে শিখে শিক্ষা মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।
বক্তারা মত দেন— শিক্ষকদের শুধু সম্মান জানালেই চলবে না; বরং তাঁদের পেশাগত উন্নয়নের জন্য সহযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে শিক্ষকদের পেশায় আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।
সভা শেষে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

আপনার মতামত লিখুন