ছবি: সংগৃহীত[/caption]
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ফরিদপুর–৩ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী চৌধুরী নায়াব ইউসুফ।
দীর্ঘদিন ধরে পদ্মার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শুকুর আলী মৃধার ডাংগি এলাকায় বহু বাড়িঘর, ফসলি জমি ও স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণ করলে স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে পাউবো জরুরি উদ্যোগ নেয়।
চৌধুরী নায়াব ইউসুফ বলেন,
“পদ্মার ভাঙনে মানুষ আজ দিশেহারা। ফসলি জমি, ঘরবাড়ি, জীবনের সঞ্চয়—সবকিছু হারাচ্ছে তারা। পাউবোকে ধন্যবাদ জানাই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য। তবে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প নেওয়া জরুরি।”
স্থানীয়রা জানান, প্রতি বর্ষায় পদ্মা নদীর ভাঙনে নতুন নতুন এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এবারের ভাঙনে অনেকের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে চলে গেছে। পাউবোর উদ্যোগে কিছুটা স্বস্তি এলেও তারা স্থায়ী প্রতিরোধ কাঠামো স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে কয়েক হাজার জিও ব্যাগ ফেলে নদীর স্রোতের গতি নিয়ন্ত্রণ ও তীর সংরক্ষণের কাজ চলছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তীতে আরও প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ নেওয়া হবে। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৫
ছবি: সংগৃহীত[/caption]
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ফরিদপুর–৩ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী চৌধুরী নায়াব ইউসুফ।
দীর্ঘদিন ধরে পদ্মার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শুকুর আলী মৃধার ডাংগি এলাকায় বহু বাড়িঘর, ফসলি জমি ও স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণ করলে স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে পাউবো জরুরি উদ্যোগ নেয়।
চৌধুরী নায়াব ইউসুফ বলেন,
“পদ্মার ভাঙনে মানুষ আজ দিশেহারা। ফসলি জমি, ঘরবাড়ি, জীবনের সঞ্চয়—সবকিছু হারাচ্ছে তারা। পাউবোকে ধন্যবাদ জানাই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য। তবে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প নেওয়া জরুরি।”
স্থানীয়রা জানান, প্রতি বর্ষায় পদ্মা নদীর ভাঙনে নতুন নতুন এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এবারের ভাঙনে অনেকের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে চলে গেছে। পাউবোর উদ্যোগে কিছুটা স্বস্তি এলেও তারা স্থায়ী প্রতিরোধ কাঠামো স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে কয়েক হাজার জিও ব্যাগ ফেলে নদীর স্রোতের গতি নিয়ন্ত্রণ ও তীর সংরক্ষণের কাজ চলছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তীতে আরও প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ নেওয়া হবে। 
আপনার মতামত লিখুন