বিশেষ প্রতিনিধি - মোঃ ছিরু মিয়া জন্ম থেকেই দুই হাত নেই। কিন্তু তাতে থেমে থাকেননি ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার কদমতলী গ্রামের জসিম মাতুব্বর (২৬)। পা দিয়ে লিখেই উত্তীর্ণ হয়েছেন এইচএসসি পরীক্ষায়। এখন হাটে সবজি ও ফল বিক্রি করে নিজের ও পরিবারের খরচ চালান এই অদম্য তরুণ। তবে জীবনের এক বড় বাধা ছিল—নিজস্ব জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) না থাকা।
আঙুলের ছাপ দিতে না পারায় তিন বছর ধরে আবেদন করেও এনআইডি পাননি জসিম। অবশেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে তাঁর সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হয়। নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন নিজে উপস্থিত হয়ে জসিমের দোকানে গিয়ে তাঁর হাতে তুলে দেন জাতীয় পরিচয়পত্র।
কার্ড হাতে পেয়ে আবেগআপ্লুত জসিম বলেন,
“জন্ম থেকে দুই হাত না থাকায় অনেক কষ্ট করেছি। অনেক জায়গায় ঘুরেছি, কিন্তু এনআইডি পাইনি। বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটার দিকে উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের কালীবাড়ি বাজারে ইউএনও স্যার নিজ হাতে কার্ডটা দিয়েছেন—এটা আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্ত। মনে হচ্ছে, জীবনের বড় একটা অর্জন হলো।”
এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ইউএনওর উদ্যোগে জসিমকে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর চোখের আইরিশের ছবি ও পায়ের স্বাক্ষর সংগ্রহ করে দ্রুত কাগজপত্র নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়। পরে ৫ অক্টোবর নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে বার্তা আসে—
“অভিনন্দন জসিম মাতুব্বর, এটি আপনার এনআইডি নম্বর।”
আজ সেই এনআইডি কার্ডটি ডাউনলোড করে ইউএনও নিজ হাতে জসিমকে প্রদান করেন।
ইউএনও দবির উদ্দিন বলেন,
“মিডিয়ার মাধ্যমে জসিমের সমস্যার কথা জানি। এমন একজন মেধাবী ও পরিশ্রমী তরুণ যেন কেবল শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে পিছিয়ে না পড়েন, সেটাই নিশ্চিত করতে চেয়েছি। আজ সেটা করতে পেরে আমি আনন্দিত।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শাওন সাগর, নগরকান্দা প্রেসক্লাবের সভাপতি শওকত আলী শরীফসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।
দুই হাত না থাকলেও জসিম মাতুব্বর আজ নিজের পরিচয়পত্র হাতে পেয়ে বুঝলেন—পরিশ্রম, ইচ্ছাশক্তি আর মানবিক সহায়তা মিললেই অসম্ভবও সম্ভব।
বিশেষ প্রতিনিধি - মোঃ ছিরু মিয়া জন্ম থেকেই দুই হাত নেই। কিন্তু তাতে থেমে থাকেননি ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার কদমতলী গ্রামের জসিম মাতুব্বর (২৬)। পা দিয়ে লিখেই উত্তীর্ণ হয়েছেন এইচএসসি পরীক্ষায়। এখন হাটে সবজি ও ফল বিক্রি করে নিজের ও পরিবারের খরচ চালান এই অদম্য তরুণ। তবে জীবনের এক বড় বাধা ছিল—নিজস্ব জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) না থাকা।
আঙুলের ছাপ দিতে না পারায় তিন বছর ধরে আবেদন করেও এনআইডি পাননি জসিম। অবশেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে তাঁর সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হয়। নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন নিজে উপস্থিত হয়ে জসিমের দোকানে গিয়ে তাঁর হাতে তুলে দেন জাতীয় পরিচয়পত্র।
কার্ড হাতে পেয়ে আবেগআপ্লুত জসিম বলেন,
“জন্ম থেকে দুই হাত না থাকায় অনেক কষ্ট করেছি। অনেক জায়গায় ঘুরেছি, কিন্তু এনআইডি পাইনি। বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটার দিকে উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের কালীবাড়ি বাজারে ইউএনও স্যার নিজ হাতে কার্ডটা দিয়েছেন—এটা আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্ত। মনে হচ্ছে, জীবনের বড় একটা অর্জন হলো।”
এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ইউএনওর উদ্যোগে জসিমকে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর চোখের আইরিশের ছবি ও পায়ের স্বাক্ষর সংগ্রহ করে দ্রুত কাগজপত্র নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়। পরে ৫ অক্টোবর নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে বার্তা আসে—
“অভিনন্দন জসিম মাতুব্বর, এটি আপনার এনআইডি নম্বর।”
আজ সেই এনআইডি কার্ডটি ডাউনলোড করে ইউএনও নিজ হাতে জসিমকে প্রদান করেন।
ইউএনও দবির উদ্দিন বলেন,
“মিডিয়ার মাধ্যমে জসিমের সমস্যার কথা জানি। এমন একজন মেধাবী ও পরিশ্রমী তরুণ যেন কেবল শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে পিছিয়ে না পড়েন, সেটাই নিশ্চিত করতে চেয়েছি। আজ সেটা করতে পেরে আমি আনন্দিত।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শাওন সাগর, নগরকান্দা প্রেসক্লাবের সভাপতি শওকত আলী শরীফসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।
দুই হাত না থাকলেও জসিম মাতুব্বর আজ নিজের পরিচয়পত্র হাতে পেয়ে বুঝলেন—পরিশ্রম, ইচ্ছাশক্তি আর মানবিক সহায়তা মিললেই অসম্ভবও সম্ভব।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন