ছবি: নজরবিডি ডট কম[/caption]
১৪ সেপ্টম্বর মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রেলগেটের একটি পাশ সম্পূর্ণরূপে খোলা থাকায় রেললাইন পারাপারকারী পথচারী ও যানবাহনের চলাচলে কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ নেই। গেটম্যান ইমরান হোসেন বলেন, "বার ভেঙে যাওয়ার পর দুই পাশেই সাময়িকভাবে দড়ি বেধে ব্যারিকেড দিয়ে নিরাপত্তার কাজ চালানো হচ্ছে। কিন্তু এতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। গেটবিহীন অবস্থায় কাজ করাটা আমার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।"
উল্লেখ্য, পুরানাপৈল রেলক্রসিং- এ নিকট অতীতে বেশ কয়েকটি বড় ধরনে দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। ভাঙা বারের কারণে বর্তমানে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা আরও বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা সৃষ্টি করছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, " বিগত দিনে এই রেলগেটে বেশকিছু দুর্ঘটনা ঘটেছে। গত ২ দিনে ত্রুটিপূর্ণ রেলক্রসিংটি দূ্র্ঘনার শংকা আরো প্রকট করে তুলেছে। কিন্তু রেল কর্তৃপক্ষের যেন কোনো মাথাব্যথা নেই। সময়মতো সংস্কার না হলে কোনো বড় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে?"
তাদের দাবি, দ্রুত ভেঙে যাওয়া বারটি মেরামত করে স্বাভাবিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনঃস্থাপন করতে হবে, যাতে জনসাধারণ নিরাপদে রেললাইন পার হতে পারে। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৫
ছবি: নজরবিডি ডট কম[/caption]
১৪ সেপ্টম্বর মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রেলগেটের একটি পাশ সম্পূর্ণরূপে খোলা থাকায় রেললাইন পারাপারকারী পথচারী ও যানবাহনের চলাচলে কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ নেই। গেটম্যান ইমরান হোসেন বলেন, "বার ভেঙে যাওয়ার পর দুই পাশেই সাময়িকভাবে দড়ি বেধে ব্যারিকেড দিয়ে নিরাপত্তার কাজ চালানো হচ্ছে। কিন্তু এতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। গেটবিহীন অবস্থায় কাজ করাটা আমার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।"
উল্লেখ্য, পুরানাপৈল রেলক্রসিং- এ নিকট অতীতে বেশ কয়েকটি বড় ধরনে দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। ভাঙা বারের কারণে বর্তমানে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা আরও বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা সৃষ্টি করছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, " বিগত দিনে এই রেলগেটে বেশকিছু দুর্ঘটনা ঘটেছে। গত ২ দিনে ত্রুটিপূর্ণ রেলক্রসিংটি দূ্র্ঘনার শংকা আরো প্রকট করে তুলেছে। কিন্তু রেল কর্তৃপক্ষের যেন কোনো মাথাব্যথা নেই। সময়মতো সংস্কার না হলে কোনো বড় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে?"
তাদের দাবি, দ্রুত ভেঙে যাওয়া বারটি মেরামত করে স্বাভাবিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনঃস্থাপন করতে হবে, যাতে জনসাধারণ নিরাপদে রেললাইন পার হতে পারে। 
আপনার মতামত লিখুন