চটচটিয়া গ্রামের কৃষক নানক মণ্ডল ইউনাইটেড সিড কোম্পানির ‘গরিমা’ নামের হাইব্রিড জাতের লাউ চাষ করে ইতোমধ্যে লাখপতি হয়েছেন। নিজস্ব জমি না থাকায় তিনি প্রতিবেশীর ঘেরের আইলের ৫ বিঘা জমিতে লাউ চাষ করেন। মাত্র ১৬ হাজার টাকা খরচে ৩০০টি লাউগাছ লাগিয়ে তিন মাসে প্রায় ২ লাখ টাকার লাউ বিক্রি করেছেন তিনি। সঠিক পরিচর্যা করলে আরও লক্ষাধিক টাকার লাউ বিক্রির আশাবাদ ব্যক্ত করেন নানক মণ্ডল।
তিনি জানান, “কম শ্রম ও অল্প পুঁজিতে বিষমুক্ত লাউ চাষে ভালো আয় করা যায়। কোনো রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহার করিনি। কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী জৈব বালাইনাশক ও ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করেছি।”
তার সফলতায় অনুপ্রাণিত হয়ে এলাকার বেকার যুবকদের মধ্যেও সবজি চাষের আগ্রহ বাড়ছে। পাশাপাশি নানক মণ্ডল ১০ শতক জমিতে বরবটি চাষ করে আরও প্রায় ১ লাখ টাকার আয় আশা করছেন। লাউ চাষে সফল আরেক কৃষক সাধন জানান, তারাও বিষমুক্ত সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইনসাদ ইবনে আমিন বলেন,
“আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর লাউয়ের বাম্পার ফলন হয়েছে। বিষমুক্ত লাউয়ের বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় কৃষকেরা ভালো দাম পাচ্ছেন।”
তিনি জানান, প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যোপযোগী লাউয়ে ২৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ থাকে। এছাড়া এতে সোডিয়াম, পটাসিয়াম ও ফাইবার রয়েছে, যা শরীর ঠাণ্ডা রাখতে সহায়ক এবং ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী।
কাচনাপাড়া গ্রামের অধিকাংশ পরিবার এখন লাউ চাষে স্বাবলম্বী। কৃষকেরা আশা করছেন, শুধু এই গ্রাম থেকেই এবার প্রায় ১০ লাখ টাকার লাউ বিক্রি হবে। ইতোমধ্যে ডুমুরিয়ার বিষমুক্ত সবজি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৫
চটচটিয়া গ্রামের কৃষক নানক মণ্ডল ইউনাইটেড সিড কোম্পানির ‘গরিমা’ নামের হাইব্রিড জাতের লাউ চাষ করে ইতোমধ্যে লাখপতি হয়েছেন। নিজস্ব জমি না থাকায় তিনি প্রতিবেশীর ঘেরের আইলের ৫ বিঘা জমিতে লাউ চাষ করেন। মাত্র ১৬ হাজার টাকা খরচে ৩০০টি লাউগাছ লাগিয়ে তিন মাসে প্রায় ২ লাখ টাকার লাউ বিক্রি করেছেন তিনি। সঠিক পরিচর্যা করলে আরও লক্ষাধিক টাকার লাউ বিক্রির আশাবাদ ব্যক্ত করেন নানক মণ্ডল।
তিনি জানান, “কম শ্রম ও অল্প পুঁজিতে বিষমুক্ত লাউ চাষে ভালো আয় করা যায়। কোনো রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহার করিনি। কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী জৈব বালাইনাশক ও ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করেছি।”
তার সফলতায় অনুপ্রাণিত হয়ে এলাকার বেকার যুবকদের মধ্যেও সবজি চাষের আগ্রহ বাড়ছে। পাশাপাশি নানক মণ্ডল ১০ শতক জমিতে বরবটি চাষ করে আরও প্রায় ১ লাখ টাকার আয় আশা করছেন। লাউ চাষে সফল আরেক কৃষক সাধন জানান, তারাও বিষমুক্ত সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইনসাদ ইবনে আমিন বলেন,
“আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর লাউয়ের বাম্পার ফলন হয়েছে। বিষমুক্ত লাউয়ের বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় কৃষকেরা ভালো দাম পাচ্ছেন।”
তিনি জানান, প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যোপযোগী লাউয়ে ২৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ থাকে। এছাড়া এতে সোডিয়াম, পটাসিয়াম ও ফাইবার রয়েছে, যা শরীর ঠাণ্ডা রাখতে সহায়ক এবং ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী।
কাচনাপাড়া গ্রামের অধিকাংশ পরিবার এখন লাউ চাষে স্বাবলম্বী। কৃষকেরা আশা করছেন, শুধু এই গ্রাম থেকেই এবার প্রায় ১০ লাখ টাকার লাউ বিক্রি হবে। ইতোমধ্যে ডুমুরিয়ার বিষমুক্ত সবজি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন