খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এ বছর আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ধানের সবুজে মোড়া মাঠে ঢেউ খেলানো দৃশ্য দেখে কৃষকদের মনে জন্মেছে নতুন আশার আলো। “কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ”—এ যেন নতুন করে সত্য প্রমাণ করলেন এখানকার পরিশ্রমী কৃষকরা।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ব্রি ধান ৪৯, ৭৫, ৮৭, বিনা ধান ১৭ এবং নতুন ব্রি ধান ১০৩সহ বিভিন্ন জাতের ধান চাষ হয়েছে। খর্নিয়া ইউনিয়নের কৃষক নুরুল ইসলাম বলেন, “পোকামাকড় কিছুটা বেশি হলেও এবার ফলন ভালো। সার ও কীটনাশকের দাম বাড়লেও লাভ হবে বলে আশা করছি।”

শোভনা ইউনিয়নের কৃষক মো. আবুল কালাম জানান, তিনি ব্রি ধান ৭৫ চাষ করে বিঘাপ্রতি ২০ থেকে ২২ মণ ফলনের আশা করছেন। রুদাঘরা ইউনিয়নের কায়সার আলী বলেন, “নতুন ব্রি ধান ১০৩ চাষ করেছি। বিঘায় ২৮-৩২ মণ ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা। তবে শ্রমিক সংকট বড় সমস্যা—প্রতি শ্রমিককে ৭০০-৮০০ টাকা দিয়েও পাওয়া যায় না।”
ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের কৃষক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, তার ব্রি ধান ৪৯ জাতের ধানে বিঘায় ২৮-৩০ মণ পর্যন্ত উৎপাদন হবে বলে ধারণা করছেন।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইনসাদ ইবনে আমিন বলেন, “এ মৌসুমে উপজেলায় ১৪ হাজার ৯৩৯ হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়েছে। কৃষকদের নিয়মিত প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ফলন আশানুরূপ হওয়ায় তারা সন্তুষ্ট।”
খুলনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম জানান, “অনুকূল আবহাওয়া ও কীটপতঙ্গের কম আক্রমণে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আমন চাষ হয়েছে। বাম্পার ফলনে কৃষকরা খুশি। বাজারদর ঠিক থাকলে তারা ভালো লাভ করবেন।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৫
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এ বছর আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ধানের সবুজে মোড়া মাঠে ঢেউ খেলানো দৃশ্য দেখে কৃষকদের মনে জন্মেছে নতুন আশার আলো। “কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ”—এ যেন নতুন করে সত্য প্রমাণ করলেন এখানকার পরিশ্রমী কৃষকরা।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ব্রি ধান ৪৯, ৭৫, ৮৭, বিনা ধান ১৭ এবং নতুন ব্রি ধান ১০৩সহ বিভিন্ন জাতের ধান চাষ হয়েছে। খর্নিয়া ইউনিয়নের কৃষক নুরুল ইসলাম বলেন, “পোকামাকড় কিছুটা বেশি হলেও এবার ফলন ভালো। সার ও কীটনাশকের দাম বাড়লেও লাভ হবে বলে আশা করছি।”

শোভনা ইউনিয়নের কৃষক মো. আবুল কালাম জানান, তিনি ব্রি ধান ৭৫ চাষ করে বিঘাপ্রতি ২০ থেকে ২২ মণ ফলনের আশা করছেন। রুদাঘরা ইউনিয়নের কায়সার আলী বলেন, “নতুন ব্রি ধান ১০৩ চাষ করেছি। বিঘায় ২৮-৩২ মণ ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা। তবে শ্রমিক সংকট বড় সমস্যা—প্রতি শ্রমিককে ৭০০-৮০০ টাকা দিয়েও পাওয়া যায় না।”
ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের কৃষক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, তার ব্রি ধান ৪৯ জাতের ধানে বিঘায় ২৮-৩০ মণ পর্যন্ত উৎপাদন হবে বলে ধারণা করছেন।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইনসাদ ইবনে আমিন বলেন, “এ মৌসুমে উপজেলায় ১৪ হাজার ৯৩৯ হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়েছে। কৃষকদের নিয়মিত প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ফলন আশানুরূপ হওয়ায় তারা সন্তুষ্ট।”
খুলনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম জানান, “অনুকূল আবহাওয়া ও কীটপতঙ্গের কম আক্রমণে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আমন চাষ হয়েছে। বাম্পার ফলনে কৃষকরা খুশি। বাজারদর ঠিক থাকলে তারা ভালো লাভ করবেন।”

আপনার মতামত লিখুন