তুচ্ছ বিষয়ের জেরে আশুলিয়ায় ড্যাফোডিল ও সিটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। অন্তত শতাধিক শিক্ষার্থী আহত ও আগুনে পুড়েছে তিনটি বাস ও একটি প্রাইভেটকার। রাতভর উত্তেজনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
আশুলিয়ায় তুচ্ছ ঘটনা কেন্দ্র করে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও সিটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। একই সঙ্গে আগুনে পুড়ে গেছে সিটি ইউনিভার্সিটির তিনটি বাস ও একটি প্রাইভেটকার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে একজন সিটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীর থুথু ড্যাফোডিলের একজন শিক্ষার্থীর গায়ে পড়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরে সিটি ইউনিভার্সিটির কিছু শিক্ষার্থী ড্যাফোডিলের শিক্ষার্থীদের অবস্থান “ব্যাচেলর প্যারাডাইস” ভাড়া বাসায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও মারধর করে।
খবর পেয়ে ড্যাফোডিলের শতাধিক শিক্ষার্থী হল থেকে বের হয়ে ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে সিটি ইউনিভার্সিটির তিনটি বাস ও একটি প্রাইভেটকারে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
আহতদের অনেককে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনास्थলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে কাজ করে। রাত ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে বর্তমানে এলাকায় টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স ডিরেক্টর অধ্যাপক সৈয়দ মিজানুর রহমান রাজু জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য ড্যাফোডিল ও সিটি ইউনিভার্সিটির ভিসিসহ আশপাশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের নিয়ে আজ সকাল ১০টায় বৈঠক হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৫
তুচ্ছ বিষয়ের জেরে আশুলিয়ায় ড্যাফোডিল ও সিটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। অন্তত শতাধিক শিক্ষার্থী আহত ও আগুনে পুড়েছে তিনটি বাস ও একটি প্রাইভেটকার। রাতভর উত্তেজনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
আশুলিয়ায় তুচ্ছ ঘটনা কেন্দ্র করে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও সিটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। একই সঙ্গে আগুনে পুড়ে গেছে সিটি ইউনিভার্সিটির তিনটি বাস ও একটি প্রাইভেটকার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে একজন সিটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীর থুথু ড্যাফোডিলের একজন শিক্ষার্থীর গায়ে পড়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরে সিটি ইউনিভার্সিটির কিছু শিক্ষার্থী ড্যাফোডিলের শিক্ষার্থীদের অবস্থান “ব্যাচেলর প্যারাডাইস” ভাড়া বাসায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও মারধর করে।
খবর পেয়ে ড্যাফোডিলের শতাধিক শিক্ষার্থী হল থেকে বের হয়ে ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে সিটি ইউনিভার্সিটির তিনটি বাস ও একটি প্রাইভেটকারে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
আহতদের অনেককে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনास्थলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে কাজ করে। রাত ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে বর্তমানে এলাকায় টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স ডিরেক্টর অধ্যাপক সৈয়দ মিজানুর রহমান রাজু জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য ড্যাফোডিল ও সিটি ইউনিভার্সিটির ভিসিসহ আশপাশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের নিয়ে আজ সকাল ১০টায় বৈঠক হবে।

আপনার মতামত লিখুন