দিনাজপুর থেকে খানপুর পর্যন্ত রাস্তার পাশের এলাকায় সড়ক বিভাগের পরিকল্পিত উচ্ছেদ অভিযান বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জমির মালিকরা। তাদের দাবি, সড়ক বিভাগের জারিকৃত গণবিজ্ঞপ্তি আইনগতভাবে বৈধ নয় এবং এ অভিযান পরিচালিত হলে হাজারো পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুর ২টায় দিনাজপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আলহাজ্ব আবু বকর সিদ্দিক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চেম্বারের সাবেক সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন, নুরুল মঈন মিনু, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও চালকল মালিক মাহবুব আহমেদ, জাহাঙ্গীর আলম, ফরহাদুল ইসলাম, ফজলুর রহমানসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।
এর আগে স্থানীয়রা দিনাজপুরের পুলহাট এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন এবং জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি জমা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা জানান, দিনাজপুর–খানপুর (জেড-৫৮০২) মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সড়ক বিভাগ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে, তবে এতে কোনো সুনির্দিষ্ট জরিপ, জমির পরিমাণ বা দাগ নম্বরের তথ্য নেই। এতে অন্তত এক হাজার জমির মালিক, দুই হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও পাঁচ হাজার পরিবার ক্ষতির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, ১৯৪২ সালে গেজেট হওয়া ওই জমিগুলোর মালিকানা রেকর্ডভুক্ত করতে সড়ক বিভাগ ৮৩ বছরে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং সরকার নিয়মিতভাবে ওইসব জমির খাজনা গ্রহণ করেছে এবং দলিল, নামজারি ও অন্যান্য আইনগত নথি বৈধভাবে হালনাগাদ রয়েছে।
তারা আরও জানান, ২০০২ সালে একইভাবে উচ্ছেদ নোটিশ জারি করা হলে ক্ষতিগ্রস্তরা আদালতে মামলা করেন এবং আদালত উচ্ছেদে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেন, যা এখনো বহাল আছে। তাই নতুন করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা আদালত অবমাননার শামিল বলেও দাবি করেন বক্তারা।
এ বিষয়ে দিনাজপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামান বলেন,
“জমিগুলো ১৯৪২ সালে গেজেটভুক্ত হয়েছে। যেহেতু গেজেট আছে, তাই জমির মালিকানা দাবি করা যাবে না। আগামী ২ ও ৩ নভেম্বর উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে—এটি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে করা হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৫
দিনাজপুর থেকে খানপুর পর্যন্ত রাস্তার পাশের এলাকায় সড়ক বিভাগের পরিকল্পিত উচ্ছেদ অভিযান বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জমির মালিকরা। তাদের দাবি, সড়ক বিভাগের জারিকৃত গণবিজ্ঞপ্তি আইনগতভাবে বৈধ নয় এবং এ অভিযান পরিচালিত হলে হাজারো পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুর ২টায় দিনাজপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আলহাজ্ব আবু বকর সিদ্দিক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চেম্বারের সাবেক সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন, নুরুল মঈন মিনু, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও চালকল মালিক মাহবুব আহমেদ, জাহাঙ্গীর আলম, ফরহাদুল ইসলাম, ফজলুর রহমানসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।
এর আগে স্থানীয়রা দিনাজপুরের পুলহাট এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন এবং জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি জমা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা জানান, দিনাজপুর–খানপুর (জেড-৫৮০২) মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সড়ক বিভাগ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে, তবে এতে কোনো সুনির্দিষ্ট জরিপ, জমির পরিমাণ বা দাগ নম্বরের তথ্য নেই। এতে অন্তত এক হাজার জমির মালিক, দুই হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও পাঁচ হাজার পরিবার ক্ষতির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, ১৯৪২ সালে গেজেট হওয়া ওই জমিগুলোর মালিকানা রেকর্ডভুক্ত করতে সড়ক বিভাগ ৮৩ বছরে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং সরকার নিয়মিতভাবে ওইসব জমির খাজনা গ্রহণ করেছে এবং দলিল, নামজারি ও অন্যান্য আইনগত নথি বৈধভাবে হালনাগাদ রয়েছে।
তারা আরও জানান, ২০০২ সালে একইভাবে উচ্ছেদ নোটিশ জারি করা হলে ক্ষতিগ্রস্তরা আদালতে মামলা করেন এবং আদালত উচ্ছেদে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেন, যা এখনো বহাল আছে। তাই নতুন করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা আদালত অবমাননার শামিল বলেও দাবি করেন বক্তারা।
এ বিষয়ে দিনাজপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামান বলেন,
“জমিগুলো ১৯৪২ সালে গেজেটভুক্ত হয়েছে। যেহেতু গেজেট আছে, তাই জমির মালিকানা দাবি করা যাবে না। আগামী ২ ও ৩ নভেম্বর উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে—এটি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন