আজ থেকে কার্যকর বিটিআরসির নতুন নীতি: এক এনআইডিতে সর্বোচ্চ ১০টি সিম।অনলাইন ডেস্ক
ভোক্তা সুরক্ষা ও টেলিযোগাযোগ খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) আজ শনিবার (১ নভেম্বর) থেকে নতুন নীতি কার্যকর করেছে। এখন থেকে একজন গ্রাহক একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে সর্বোচ্চ ১০টি সক্রিয় সিমকার্ড রাখতে পারবেন।
বিটিআরসি সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ৩০ অক্টোবরের পর অতিরিক্ত সিম স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্ক্রিয় করা হবে। আজ থেকে মোবাইল অপারেটররা এ প্রক্রিয়া শুরু করেছে এবং ডিসেম্বরের মধ্যে এটি সম্পূর্ণ করা হবে।
এর আগে একজন গ্রাহক একটি এনআইডিতে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম ব্যবহার করতে পারতেন। তবে সিম ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরানো, প্রতারণা রোধ এবং নকল নিবন্ধন বন্ধে এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বিটিআরসি।
বিটিআরসি জানিয়েছে, সিম বন্ধের ক্ষেত্রে ‘দৈবচয়ন’ (random selection) পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। ফলে যেকোনো অতিরিক্ত সিম—তা গুরুত্বপূর্ণ হোক বা না হোক—বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
গ্রাহকরা চাইলে অনলাইনে অথবা *১৬০০২# ডায়াল করে তাদের এনআইডিতে নিবন্ধিত মোট সিমের সংখ্যা যাচাই করতে পারবেন।
বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী বলেন, “আজ থেকেই অপারেটররা অতিরিক্ত সিম নিষ্ক্রিয়ের কাজ শুরু করেছে। ডিসেম্বরের মধ্যেই আমরা নিশ্চিত করব, কোনো এনআইডির অধীনে ১০টির বেশি সিম সক্রিয় থাকবে না।”
২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে সক্রিয় মোবাইল সিমের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ কোটি ৬২ লাখে, যেখানে প্রকৃত গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি ৭৫ লাখ। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ গ্রাহকের নামে ৫টির কম সিম রয়েছে, ৬ থেকে ১০টি সিম আছে প্রায় ১৬ শতাংশের, আর ১১টির বেশি সিম ব্যবহার করেন মাত্র ৩ শতাংশ গ্রাহক।
-Nazar/2025/Neamul
আজ থেকে কার্যকর বিটিআরসির নতুন নীতি: এক এনআইডিতে সর্বোচ্চ ১০টি সিম।অনলাইন ডেস্ক
ভোক্তা সুরক্ষা ও টেলিযোগাযোগ খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) আজ শনিবার (১ নভেম্বর) থেকে নতুন নীতি কার্যকর করেছে। এখন থেকে একজন গ্রাহক একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে সর্বোচ্চ ১০টি সক্রিয় সিমকার্ড রাখতে পারবেন।
বিটিআরসি সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ৩০ অক্টোবরের পর অতিরিক্ত সিম স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্ক্রিয় করা হবে। আজ থেকে মোবাইল অপারেটররা এ প্রক্রিয়া শুরু করেছে এবং ডিসেম্বরের মধ্যে এটি সম্পূর্ণ করা হবে।
এর আগে একজন গ্রাহক একটি এনআইডিতে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম ব্যবহার করতে পারতেন। তবে সিম ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরানো, প্রতারণা রোধ এবং নকল নিবন্ধন বন্ধে এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বিটিআরসি।
বিটিআরসি জানিয়েছে, সিম বন্ধের ক্ষেত্রে ‘দৈবচয়ন’ (random selection) পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। ফলে যেকোনো অতিরিক্ত সিম—তা গুরুত্বপূর্ণ হোক বা না হোক—বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
গ্রাহকরা চাইলে অনলাইনে অথবা *১৬০০২# ডায়াল করে তাদের এনআইডিতে নিবন্ধিত মোট সিমের সংখ্যা যাচাই করতে পারবেন।
বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী বলেন, “আজ থেকেই অপারেটররা অতিরিক্ত সিম নিষ্ক্রিয়ের কাজ শুরু করেছে। ডিসেম্বরের মধ্যেই আমরা নিশ্চিত করব, কোনো এনআইডির অধীনে ১০টির বেশি সিম সক্রিয় থাকবে না।”
২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে সক্রিয় মোবাইল সিমের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ কোটি ৬২ লাখে, যেখানে প্রকৃত গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি ৭৫ লাখ। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ গ্রাহকের নামে ৫টির কম সিম রয়েছে, ৬ থেকে ১০টি সিম আছে প্রায় ১৬ শতাংশের, আর ১১টির বেশি সিম ব্যবহার করেন মাত্র ৩ শতাংশ গ্রাহক।
-Nazar/2025/Neamul
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন